Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

২৫ জন সহযোগীকে পুলিশি হেনস্তার অভিযোগে বোমা ফাটালেন অভিষেক!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬
২৫ জন সহযোগীকে পুলিশি হেনস্তার অভিযোগে বোমা ফাটালেন অভিষেক!
ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের। ছবি-সংগৃহীত

কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে বাংলায়। এরই মধ্যে এবার সরাসরি রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর এবং তাঁর দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করা হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে কোনওরকম আইনি নোটিস ছাড়াই তাঁর ঘনিষ্ঠদের যখন-তখন তুলে নিয়ে গিয়ে সিআইডি এবং এসটিএফের মতো কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থাগুলি জেরা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের নামে আইনি সুরক্ষার সমস্ত মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলেও তাঁর দাবি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের তির আরও গভীর। তিনি দাবি করেছেন, গত ১৪ দিনে তাঁর অফিসের এবং তাঁর সঙ্গে কোনও না কোনওভাবে যুক্ত অন্তত ২৫ জন কর্মীকে চরম পুলিশি হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। শুধু নোটিস ছাড়া তুলে নিয়ে যাওয়াই নয়, তাঁদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক মিথ্যা বয়ান রেকর্ড করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সাংসদের আরও বিস্ফোরক দাবি, এই চক্রান্তকে সফল করতে তাঁদের ব্যক্তিগত ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে এবং তাঁদের পরিবারের সদস্য ও নাবালক শিশুদেরও রেয়াত করা হচ্ছে না। এই সমস্ত কিছুর নেপথ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি নিশানা করে অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যতই চাপ আসুক না কেন, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি কারও সামনে মাথা নত করবেন না।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই তীব্র আইনি সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের নজরে রয়েছেন খোদ তাঁর আপ্ত-সহায়কও। এমনকি কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর কালীঘাট রোড ও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসভবনে। তবে অভিষেকের এই সমস্ত অভিযোগকে পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘মনগড়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আইন মেনেই সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে এবং এখানে কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জায়গা নেই। সব মিলিয়ে, এই নতুন সংঘাতে বাংলার রাজনৈতিক পারদ যে আরও কয়েক ডিগ্রি চড়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BengalPolitics SuvenduAdhikari AbhishekBanerjee HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


২৫ জন সহযোগীকে পুলিশি হেনস্তার অভিযোগে বোমা ফাটালেন অভিষেক!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে বাংলায়। এরই মধ্যে এবার সরাসরি রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর এবং তাঁর দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করা হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে কোনওরকম আইনি নোটিস ছাড়াই তাঁর ঘনিষ্ঠদের যখন-তখন তুলে নিয়ে গিয়ে সিআইডি এবং এসটিএফের মতো কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থাগুলি জেরা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের নামে আইনি সুরক্ষার সমস্ত মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলেও তাঁর দাবি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের তির আরও গভীর। তিনি দাবি করেছেন, গত ১৪ দিনে তাঁর অফিসের এবং তাঁর সঙ্গে কোনও না কোনওভাবে যুক্ত অন্তত ২৫ জন কর্মীকে চরম পুলিশি হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। শুধু নোটিস ছাড়া তুলে নিয়ে যাওয়াই নয়, তাঁদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক মিথ্যা বয়ান রেকর্ড করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সাংসদের আরও বিস্ফোরক দাবি, এই চক্রান্তকে সফল করতে তাঁদের ব্যক্তিগত ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে এবং তাঁদের পরিবারের সদস্য ও নাবালক শিশুদেরও রেয়াত করা হচ্ছে না। এই সমস্ত কিছুর নেপথ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি নিশানা করে অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যতই চাপ আসুক না কেন, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি কারও সামনে মাথা নত করবেন না।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই তীব্র আইনি সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের নজরে রয়েছেন খোদ তাঁর আপ্ত-সহায়কও। এমনকি কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর কালীঘাট রোড ও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসভবনে। তবে অভিষেকের এই সমস্ত অভিযোগকে পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘মনগড়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আইন মেনেই সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে এবং এখানে কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জায়গা নেই। সব মিলিয়ে, এই নতুন সংঘাতে বাংলার রাজনৈতিক পারদ যে আরও কয়েক ডিগ্রি চড়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার