Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

খেতে কাজ করছিলেন মা-বাবা, গাছের তলায় ৪ বছরের শিশুকে ছিঁড়ে খেল ৭টি হিংস্র পথকুকুর!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬
খেতে কাজ করছিলেন মা-বাবা, গাছের তলায় ৪ বছরের শিশুকে ছিঁড়ে খেল ৭টি হিংস্র পথকুকুর!
প্রতীকী ছবি

হোসিয়ারপুর: রাস্তাঘাট বা জনবহুল এলাকা থেকে হিংস্র পথকুকুরদের সরানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে চলা মামলার এখনও কোনো স্থায়ী মীমাংসা হয়নি। আর সেই আইনি টানাপোড়েনের মাঝেই এবার পঞ্জাবে ঘটে গেল এক শিউরে ওঠার মতো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। একদল হিংস্র পথকুকুরের অতর্কিত কামড় ও হামলায় কার্যত ক্ষতবিক্ষত হয়ে মৃত্যু হলো মাত্র ৪ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানের। রবিবার সন্ধ্যায় পঞ্জাবের তান্দা থানার অন্তর্গত ওহারপুর-বাস্সি জালাল লিঙ্ক রোডের কাছে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত শিশুটির নাম গুনগুন। সে উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরির বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিক দম্পতির সন্তান।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে রাম জীবন এবং তাঁর স্ত্রী প্রীতি পঞ্জাবের বাসি জালাল গ্রামে এসেছিলেন ধান রোপণের কাজ করতে। ঘটনার দিন বিকেলে তাঁরা যখন খেত মজুর হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন খেতের ১০০ মিটার দূরে একটি টিউবওয়েলের পাশে গাছের ছায়ায় বসিয়ে রেখেছিলেন তাঁদের ৪ বছরের একরত্তি মেয়ে গুনগুনকে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আচমকাই অন্তত ৭টি হিংস্র পথকুকুরের একটি দল ওই শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। অসহায় শিশুটিকে কামড়ে-ছিঁড়ে খেতে শুরু করে কুকুরের দল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্তানের বুকফাটা আর্তনাদ ও চিৎকার কানে পৌঁছায় দম্পতির।


মেয়ের গলার আওয়াজ শুনে কাজ ফেলে পাগলের মতো ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রাম জীবন, প্রীতি এবং অন্যান্য খেতমজুরেরা। লাঠিসোটা নিয়ে তাঁরা কোনোমতে কুকুরগুলোকে তাড়ালেও ততক্ষণে রক্তাক্ত ও নিস্তেজ হয়ে পড়েছে গুনগুন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে হোসিয়ারপুরের বড় হাসপাতালে রেফার করেন। পরবর্তীতে হোসিয়ারপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি; চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ৪ বছরের গুনগুন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে তান্দা থানার পুলিশ।

বিষয় : TRAGICINCIDENT childsafety STRAYDOGMENACE punjabhorror straydogattack

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


খেতে কাজ করছিলেন মা-বাবা, গাছের তলায় ৪ বছরের শিশুকে ছিঁড়ে খেল ৭টি হিংস্র পথকুকুর!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image
হোসিয়ারপুর: রাস্তাঘাট বা জনবহুল এলাকা থেকে হিংস্র পথকুকুরদের সরানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে চলা মামলার এখনও কোনো স্থায়ী মীমাংসা হয়নি। আর সেই আইনি টানাপোড়েনের মাঝেই এবার পঞ্জাবে ঘটে গেল এক শিউরে ওঠার মতো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। একদল হিংস্র পথকুকুরের অতর্কিত কামড় ও হামলায় কার্যত ক্ষতবিক্ষত হয়ে মৃত্যু হলো মাত্র ৪ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানের। রবিবার সন্ধ্যায় পঞ্জাবের তান্দা থানার অন্তর্গত ওহারপুর-বাস্সি জালাল লিঙ্ক রোডের কাছে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত শিশুটির নাম গুনগুন। সে উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরির বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিক দম্পতির সন্তান।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে রাম জীবন এবং তাঁর স্ত্রী প্রীতি পঞ্জাবের বাসি জালাল গ্রামে এসেছিলেন ধান রোপণের কাজ করতে। ঘটনার দিন বিকেলে তাঁরা যখন খেত মজুর হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন খেতের ১০০ মিটার দূরে একটি টিউবওয়েলের পাশে গাছের ছায়ায় বসিয়ে রেখেছিলেন তাঁদের ৪ বছরের একরত্তি মেয়ে গুনগুনকে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আচমকাই অন্তত ৭টি হিংস্র পথকুকুরের একটি দল ওই শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। অসহায় শিশুটিকে কামড়ে-ছিঁড়ে খেতে শুরু করে কুকুরের দল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্তানের বুকফাটা আর্তনাদ ও চিৎকার কানে পৌঁছায় দম্পতির।মেয়ের গলার আওয়াজ শুনে কাজ ফেলে পাগলের মতো ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রাম জীবন, প্রীতি এবং অন্যান্য খেতমজুরেরা। লাঠিসোটা নিয়ে তাঁরা কোনোমতে কুকুরগুলোকে তাড়ালেও ততক্ষণে রক্তাক্ত ও নিস্তেজ হয়ে পড়েছে গুনগুন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে হোসিয়ারপুরের বড় হাসপাতালে রেফার করেন। পরবর্তীতে হোসিয়ারপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি; চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ৪ বছরের গুনগুন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে তান্দা থানার পুলিশ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার