বসিরহাট: বারুইপুরের নাবালিকা খুনের নৃশংস স্মৃতি এখনও দগদগে। আর তার মধ্যেই এবার বসিরহাটের ভ্যাবলা স্টেশনে এক নাবালিকাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে চরম উত্তেজনা ছড়ালো। সোমবার সন্ধ্যায় খাবারের লোভ দেখিয়ে ওই নাবালিকাকে অপহরণের চেষ্টা করতেই হাতেনাতে ধরে ফেলে ক্ষুব্ধ জনতা। এরপর অভিযুক্ত যুবককে ধরে চলে গণধোলাই। স্থানীয় যাত্রীদের তৎপরতায় আরও একটি বড়সড় অপরাধের হাত থেকে রক্ষা পেল ওই নাবালিকা। ধৃত যুবকের নাম বিশ্বনাথ ঘোষ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ওই নাবালিকার বাড়ি আকরামিরজা নগরে। সোমবার সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে মামাবাড়িতে এসেছিল সে। বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে তারা ভ্যাবলা স্টেশনে পৌঁছায়। স্টেশনে মেয়েকে বসিয়ে রেখে তার মা জরুরি কিছু জিনিস কিনতে স্টেশনের বাইরে গিয়েছিলেন।
অভিযোগ, মা চোখের আড়াল হতেই ওত পেতে থাকা বিশ্বনাথ ঘোষ নামের ওই যুবক নাবালিকার পাশে এসে বসে এবং নানা কথার ছলে খাবারের লোভ দেখিয়ে তাকে স্টেশন থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যুবকের মতলব সুবিধাজনক না ঠেকায় চিৎকার করে ওঠে নাবালিকা। তখনই বিশ্বনাথ জোর করে তার হাত ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই স্টেশনে উপস্থিত যাত্রীরা তাড়া করে ধরে ফেলে ওই যুবককে। ক্ষুব্ধ জনতার স্পষ্ট দাবি, তারা সতর্ক না থাকলে এখানেও বারুইপুরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটত।
জাল আধার তৈরির চক্রের হদিস, গ্রেপ্তার নাবালক
গণধোলাইয়ের পর অভিযুক্ত বিশ্বনাথকে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। খবর পেয়ে বসিরহাট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে রাতে জিআরপি আধিকারিকরা বসিরহাট থানায় এসে অভিযুক্তকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় ধৃতের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ।
অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ১১ বছরের কিশোরীর বস্তাবন্দি অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখনও ফুঁসছে ধপধপি এলাকা। গণরোষে এক সন্দেহভাজনের মৃত্যুর পর ইতিমধ্যেই ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে রাজ্য পুলিশ। মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার-সহ এখনও পর্যন্ত মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কল রেকর্ড খতিয়ে দেখে বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন