Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Election Commission: বিরোধীদের টানা চাপে পিছু হটতে বাধ্য হল কমিশন! ২৪ ঘণ্টায় জোড়া বড় সিদ্ধান্ত জ্ঞানেশ কুমারদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Election Commission: বিরোধীদের টানা চাপে পিছু হটতে বাধ্য হল কমিশন! ২৪ ঘণ্টায় জোড়া বড় সিদ্ধান্ত জ্ঞানেশ কুমারদের
জ্ঞানেশ কুমার। ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া ঘিরে দেশজুড়ে বিরোধীদের ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ এবং তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে অবশেষে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বার বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর দল। বিরোধী শিবিরের দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান দাবি মেনে নিয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে সমস্ত স্বীকৃত রাজনৈতিক দলকে ‘মেশিন রিডেবল’ (Machine-Readable) পিডিএফ ফরম্যাটেই দেওয়া হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশনের এই নজিরবিহীন নতিস্বীকারকে নিজেদের এক ঐতিহাসিক ও বড় জয় হিসেবেই দেখছে বিরোধী কংগ্রেস সহ পুরো ‘ইন্ডিয়া’ জোট।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী সহ একাধিক শীর্ষ বিরোধী নেতা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ তুলে আসছিলেন যে নির্বাচন কমিশন অনিয়ম ও ভুয়ো ভোটারের তথ্য লুকাতে রাজনৈতিক দলগুলিকে সার্চ করা যায় না এমন ‘ইমেজ ফরম্যাট’ বা ছবির মতো পিডিএফ সরবরাহ করে। ওই ধরনের তালিকায় নির্দিষ্ট কোনও নাম, বয়স বা ঠিকানা দিয়ে আলাদা করে তথ্য খোঁজা (Search) কিংবা কপি-পেস্ট করা অসম্ভব ছিল। ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের নামের মধ্যে অনিয়ম বা ভূতুড়ে ভোটার চিহ্নিত করা যেন খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার সামিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই নিয়ে ২০১৮ সালে সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের দরজাও গড়িয়েছিল কংগ্রেস। সে সময় গোপনীয়তার অজুহাত দেখালেও, বর্তমান উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান বদলাতে বাধ্য হল স্বায়ত্তশাসিত এই সাংবিধানিক সংস্থা।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এবার থেকে মেশিন রিডেবল ভোটার তালিকা হাতে পাওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলি খুব সহজেই ডিজিটাল উপায়ে ডাটা অ্যানালিসিস করে ইচ্ছামতো তথ্য বের করতে পারবে এবং কোনও ভুয়ো নাম থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলতে পারবে।

এর আগে ঠিক আগের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই এসআইআর বিতর্কের জবাবে দেশের ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ সংক্ষিপ্ত পুনর্নিরীক্ষণ বা ‘স্পেশাল সামারি রিভিশন’ (SSR) চালুর ঘোষণা করেছিল কমিশন। যেখানে বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের নাম পুনরায় নথিবদ্ধ করবেন। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একদিকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম তোলার উদ্যোগ এবং অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিকে সার্চযোগ্য মেশিন রিডেবল ভোটার লিস্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত—পরপর দুটি বড় পদক্ষেপ প্রমাণ করে দিল যে বিরোধীদের জোরালো আন্দোলনের চাপ সামলাতে বাধ্য হচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

বিষয় : WestBengalNews ElectionCommission INDIANPOLITICS VOTERLIST gyaneshkumar HiddenStoriesNews RahulGandhi SSR2027

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


Election Commission: বিরোধীদের টানা চাপে পিছু হটতে বাধ্য হল কমিশন! ২৪ ঘণ্টায় জোড়া বড় সিদ্ধান্ত জ্ঞানেশ কুমারদের

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া ঘিরে দেশজুড়ে বিরোধীদের ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ এবং তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে অবশেষে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বার বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর দল। বিরোধী শিবিরের দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান দাবি মেনে নিয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে সমস্ত স্বীকৃত রাজনৈতিক দলকে ‘মেশিন রিডেবল’ (Machine-Readable) পিডিএফ ফরম্যাটেই দেওয়া হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশনের এই নজিরবিহীন নতিস্বীকারকে নিজেদের এক ঐতিহাসিক ও বড় জয় হিসেবেই দেখছে বিরোধী কংগ্রেস সহ পুরো ‘ইন্ডিয়া’ জোট।উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী সহ একাধিক শীর্ষ বিরোধী নেতা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ তুলে আসছিলেন যে নির্বাচন কমিশন অনিয়ম ও ভুয়ো ভোটারের তথ্য লুকাতে রাজনৈতিক দলগুলিকে সার্চ করা যায় না এমন ‘ইমেজ ফরম্যাট’ বা ছবির মতো পিডিএফ সরবরাহ করে। ওই ধরনের তালিকায় নির্দিষ্ট কোনও নাম, বয়স বা ঠিকানা দিয়ে আলাদা করে তথ্য খোঁজা (Search) কিংবা কপি-পেস্ট করা অসম্ভব ছিল। ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের নামের মধ্যে অনিয়ম বা ভূতুড়ে ভোটার চিহ্নিত করা যেন খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার সামিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই নিয়ে ২০১৮ সালে সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের দরজাও গড়িয়েছিল কংগ্রেস। সে সময় গোপনীয়তার অজুহাত দেখালেও, বর্তমান উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান বদলাতে বাধ্য হল স্বায়ত্তশাসিত এই সাংবিধানিক সংস্থা।নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এবার থেকে মেশিন রিডেবল ভোটার তালিকা হাতে পাওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলি খুব সহজেই ডিজিটাল উপায়ে ডাটা অ্যানালিসিস করে ইচ্ছামতো তথ্য বের করতে পারবে এবং কোনও ভুয়ো নাম থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলতে পারবে।এর আগে ঠিক আগের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই এসআইআর বিতর্কের জবাবে দেশের ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ সংক্ষিপ্ত পুনর্নিরীক্ষণ বা ‘স্পেশাল সামারি রিভিশন’ (SSR) চালুর ঘোষণা করেছিল কমিশন। যেখানে বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের নাম পুনরায় নথিবদ্ধ করবেন। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একদিকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম তোলার উদ্যোগ এবং অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিকে সার্চযোগ্য মেশিন রিডেবল ভোটার লিস্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত—পরপর দুটি বড় পদক্ষেপ প্রমাণ করে দিল যে বিরোধীদের জোরালো আন্দোলনের চাপ সামলাতে বাধ্য হচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত