Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Chorbagan disaster: চোরবাগান-কাণ্ডে গ্রেফতারি নিয়ে বিস্ফোরক গ্রেফতার কালিয়ার স্ত্রী! কী বললেন ক্লাবের বিরুদ্ধে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Chorbagan disaster: চোরবাগান-কাণ্ডে গ্রেফতারি নিয়ে বিস্ফোরক গ্রেফতার কালিয়ার স্ত্রী! কী বললেন ক্লাবের বিরুদ্ধে?
আজও শুনশান চোরবাগান। ছবি : এষণা কুন্ডু

কলকাতা: চোরবাগান দুর্গোৎসবের ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনা এবং ১৯ জনের মৃত্যুর ক্ষত এখনও টাটকা শহরবাসীর মনে। সপ্তমীর রাতে সেই নারকীয় পরিস্থিতিতে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা করে পরিস্থিতিকে আরও প্রাণঘাতী করে তোলার অভিযোগে একে একে জালে উঠছে অভিযুক্তরা। 

সেন্টুর পর এবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছে দ্বিতীয় ঘোষক বাবু মজুমদার ওরফে কালিয়া। আর এই গ্রেফতারের পরেই কালিয়ার স্ত্রী কোয়েলের বিস্ফোরক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে নয়া রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তরজা। স্বামীর গ্রেফতারের পর কোয়েলের অভিযোগের তির সোজা ক্লাবের প্রভাবশালী সদস্যদের দিকে। কেন ক্লাবই তাঁকে লুকিয়ে থাকতে বলেছিল? নেপথ্যে কার ইশারা ছিল?

অ্যাপ ক্যাব চালক কালিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্ক চোরবাগান ক্লাবের। কিন্তু তিনি ভাল গুছিয়ে কথা বলতে পারেন না বলে মাইক ঘোষণার মূল দায়িত্বে ছিলেন না। দুর্ঘটনার রাতে বিপর্যয় এড়াতে ক্লাবেরই নির্দেশে তাঁকে মণ্ডপ ভেঙে পড়ার ঘোষণা করতে বলা হয়েছিল বলে দাবি কোয়েলের। 

ভয়াবহ মৃত্যুর ঘটনার পর কালিয়া কিছুক্ষণের জন্য বাড়ি ফিরে উদ্ধারকাজে হাত লাগালেও, ফোন ফেলে চলে যান। পরের দিন সকালেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানান, ক্লাবের কয়েকজন সদস্য তাঁকে আগামী ২৭ অক্টোবরের আগে কোনও ভাবেই প্রকাশ্যে না আসার এবং গা ঢাকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। 

কিন্তু লুকোচুরি ভাল না লাগায় এবং নিজে অন্যায় করেননি বিশ্বাস করে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার রাতে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন কালিয়া। একই সঙ্গে কোয়েল অভিযোগ করেছেন, স্বামীর নিখোঁজ থাকার সময় পুলিশি হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁর পরিবারকেও, এমনকী মুর্শিদাবাদে তাঁর ভাইকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে, রাজ্য সরকার ও কলকাতা হাইকোর্টের পরামর্শে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব, এসটিএফ এবং এনডিআরএফ প্রতিনিধিদের নিয়ে গড়া এই উচ্চপর্যায়ে তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে যে, ওই ভুয়ো ঘোষণার নেপথ্যে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র ছিল কি না। 

সেন্টু ও কালিয়ার মতো অভিযুক্তদের মুখোমুখি বসিয়ে আসল সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। ক্লাবের নির্দেশেই কি তবে মণ্ডপ ভাঙার ভুয়ো ঘোষণা করে ভিড়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল? নাকি গোটা ঘটনার দায় এড়াতে ছোট কর্মচারীদের বলি করা হচ্ছে? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন সিটের মুখোমুখি ধৃত ঘোষক ও তাঁর পরিবার।

বিষয় : #HiddenStories #HiddenStoriesNews #ChorbaganDisaster #KaliaArrest #DurgaPujaTragedy #SITProbe #KolkataNews #JusticeForVictims #BengaliNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


Chorbagan disaster: চোরবাগান-কাণ্ডে গ্রেফতারি নিয়ে বিস্ফোরক গ্রেফতার কালিয়ার স্ত্রী! কী বললেন ক্লাবের বিরুদ্ধে?

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: চোরবাগান দুর্গোৎসবের ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনা এবং ১৯ জনের মৃত্যুর ক্ষত এখনও টাটকা শহরবাসীর মনে। সপ্তমীর রাতে সেই নারকীয় পরিস্থিতিতে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা করে পরিস্থিতিকে আরও প্রাণঘাতী করে তোলার অভিযোগে একে একে জালে উঠছে অভিযুক্তরা। সেন্টুর পর এবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছে দ্বিতীয় ঘোষক বাবু মজুমদার ওরফে কালিয়া। আর এই গ্রেফতারের পরেই কালিয়ার স্ত্রী কোয়েলের বিস্ফোরক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে নয়া রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তরজা। স্বামীর গ্রেফতারের পর কোয়েলের অভিযোগের তির সোজা ক্লাবের প্রভাবশালী সদস্যদের দিকে। কেন ক্লাবই তাঁকে লুকিয়ে থাকতে বলেছিল? নেপথ্যে কার ইশারা ছিল?অ্যাপ ক্যাব চালক কালিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্ক চোরবাগান ক্লাবের। কিন্তু তিনি ভাল গুছিয়ে কথা বলতে পারেন না বলে মাইক ঘোষণার মূল দায়িত্বে ছিলেন না। দুর্ঘটনার রাতে বিপর্যয় এড়াতে ক্লাবেরই নির্দেশে তাঁকে মণ্ডপ ভেঙে পড়ার ঘোষণা করতে বলা হয়েছিল বলে দাবি কোয়েলের। ভয়াবহ মৃত্যুর ঘটনার পর কালিয়া কিছুক্ষণের জন্য বাড়ি ফিরে উদ্ধারকাজে হাত লাগালেও, ফোন ফেলে চলে যান। পরের দিন সকালেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানান, ক্লাবের কয়েকজন সদস্য তাঁকে আগামী ২৭ অক্টোবরের আগে কোনও ভাবেই প্রকাশ্যে না আসার এবং গা ঢাকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু লুকোচুরি ভাল না লাগায় এবং নিজে অন্যায় করেননি বিশ্বাস করে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার রাতে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন কালিয়া। একই সঙ্গে কোয়েল অভিযোগ করেছেন, স্বামীর নিখোঁজ থাকার সময় পুলিশি হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁর পরিবারকেও, এমনকী মুর্শিদাবাদে তাঁর ভাইকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।অন্যদিকে, রাজ্য সরকার ও কলকাতা হাইকোর্টের পরামর্শে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব, এসটিএফ এবং এনডিআরএফ প্রতিনিধিদের নিয়ে গড়া এই উচ্চপর্যায়ে তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে যে, ওই ভুয়ো ঘোষণার নেপথ্যে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র ছিল কি না। সেন্টু ও কালিয়ার মতো অভিযুক্তদের মুখোমুখি বসিয়ে আসল সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। ক্লাবের নির্দেশেই কি তবে মণ্ডপ ভাঙার ভুয়ো ঘোষণা করে ভিড়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল? নাকি গোটা ঘটনার দায় এড়াতে ছোট কর্মচারীদের বলি করা হচ্ছে? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন সিটের মুখোমুখি ধৃত ঘোষক ও তাঁর পরিবার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত