Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Extortion Case: কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি! মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে প্রোমোটার যেতেই মধ্যরাতে শ্রীঘরে দমদমের উপ-পুরপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Extortion Case: কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি! মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে প্রোমোটার যেতেই মধ্যরাতে শ্রীঘরে দমদমের উপ-পুরপ্রধান
গ্রেপ্তার দমদম পুরসভার উপ পুরপ্রধান। ফাইল চিত্র

দমদম: নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তোলাবাজির দিন শেষ? দমদমের এক প্রোমোটারের অভিযোগ সোজা মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে পৌঁছতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় পুলিশের জালে দমদম পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট ওরফে বঙ্কু। শুধু তিনিই নন, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দু’জনকে। প্রোমোটিং সিন্ডিকেটের এই কোটি টাকার কাটমানি কাণ্ডে প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা দমদম পুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত দমদমের এক প্রোমোটারের নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ওই প্রোমোটারের কাছ থেকে দীর্ঘ দিন ধরে দফায় দফায় কোটি কোটি টাকা তোলা আদায় করছিলেন প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট ওরফে বঙ্কু এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ শাগরেদরা। জুলুমের মাত্রা চরমে পৌঁছলে নিরুপায় হয়ে ওই প্রোমোটার সোজা দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে। সেখানে তিনি তোলাবাজি ও হেনস্থার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। বিষয়টি নজরে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা পেতেই নড়েচড়ে বসে দমদম থানার পুলিশ এবং জোরকদমে তদন্তে নামে। অভিযোগ জমা পড়ার মাত্র দু'দিনের মাথাতেই বরুণ নট্ট ওরফে বঙ্কুকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এই অভিযানে বঙ্কুর সঙ্গেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দু'জন প্রভাবশালীকে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে দমদম পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং স্থানীয় সিন্ডিকেটের অন্যতম পাণ্ডা হিসেবে পরিচিত সুমন্ত ঘোষ ওরফে লালটু। তবে এই চক্রের শিকড় যে আরও অনেক গভীরে, তা মানছেন তদন্তকারীরাও। অভিযোগপত্রে দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান হরেন্দর সিং-সহ পুরসভার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকের নাম জড়িয়েছে। তাঁরা এখনও পুলিশের নাগালের বাইরে। তোলাবাজির এই সুবিশাল নেটওয়ার্কে আরও কত প্রভাবশালী মাথা জড়িত এবং কোটি কোটি টাকার ভাগ কোথায় পৌঁছাত, তা খতিয়ে দেখতে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে দমদম থানার পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয়েছে জোর তল্লাশি।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalPolitics BreakingNews HiddenStoriesNews EXTORTIONCASE BengalCrime DumDum

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Extortion Case: কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি! মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে প্রোমোটার যেতেই মধ্যরাতে শ্রীঘরে দমদমের উপ-পুরপ্রধান

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
দমদম: নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তোলাবাজির দিন শেষ? দমদমের এক প্রোমোটারের অভিযোগ সোজা মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে পৌঁছতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় পুলিশের জালে দমদম পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট ওরফে বঙ্কু। শুধু তিনিই নন, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দু’জনকে। প্রোমোটিং সিন্ডিকেটের এই কোটি টাকার কাটমানি কাণ্ডে প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা দমদম পুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত দমদমের এক প্রোমোটারের নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ওই প্রোমোটারের কাছ থেকে দীর্ঘ দিন ধরে দফায় দফায় কোটি কোটি টাকা তোলা আদায় করছিলেন প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট ওরফে বঙ্কু এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ শাগরেদরা। জুলুমের মাত্রা চরমে পৌঁছলে নিরুপায় হয়ে ওই প্রোমোটার সোজা দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে। সেখানে তিনি তোলাবাজি ও হেনস্থার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। বিষয়টি নজরে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা পেতেই নড়েচড়ে বসে দমদম থানার পুলিশ এবং জোরকদমে তদন্তে নামে। অভিযোগ জমা পড়ার মাত্র দু'দিনের মাথাতেই বরুণ নট্ট ওরফে বঙ্কুকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।এই অভিযানে বঙ্কুর সঙ্গেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দু'জন প্রভাবশালীকে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে দমদম পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং স্থানীয় সিন্ডিকেটের অন্যতম পাণ্ডা হিসেবে পরিচিত সুমন্ত ঘোষ ওরফে লালটু। তবে এই চক্রের শিকড় যে আরও অনেক গভীরে, তা মানছেন তদন্তকারীরাও। অভিযোগপত্রে দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান হরেন্দর সিং-সহ পুরসভার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকের নাম জড়িয়েছে। তাঁরা এখনও পুলিশের নাগালের বাইরে। তোলাবাজির এই সুবিশাল নেটওয়ার্কে আরও কত প্রভাবশালী মাথা জড়িত এবং কোটি কোটি টাকার ভাগ কোথায় পৌঁছাত, তা খতিয়ে দেখতে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে দমদম থানার পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয়েছে জোর তল্লাশি।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত