Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Sikkim Landslide: পুজোর আনন্দেই বিশাল বিপদ! সিকিমে ভয়াবহ ধস ও তুষারপাতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিপর্যয়ের মুখে হাজারো পর্যটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sikkim Landslide: পুজোর আনন্দেই বিশাল বিপদ! সিকিমে ভয়াবহ ধস ও তুষারপাতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিপর্যয়ের মুখে হাজারো পর্যটক
সিকিমে ভয়াবহ ধস ও তুষারপাতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ছবি-সংগৃহীত

গ্যাংটক: উৎসবের মরসুম শুরুর ঠিক মুখেই চরম বিপর্যয় উত্তর ও পশ্চিম সিকিমে। একদেহে দুই রূপ দেখাচ্ছে প্রকৃতি। একদিকে মুষলধারে বৃষ্টির জেরে পাহাড় ভেঙে পড়ে ভয়াবহ ধস, তো অন্যদিকে উঁচুতে রেকর্ড ভাঙা তুষারপাত। পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক যে, পশ্চিম সিকিমের রিম্বি এলাকায় প্রায় গোটা পাহাড়ই ধসে পড়েছে। টানা কাদা ও পাথরের স্রোত নেমে আসায় সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হচ্ছে এবং প্রায় ৩০টি বাড়ির বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জোরকদমে চালানো হচ্ছে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ।

উত্তর সিকিমের চিত্রটাও একইরকম আশঙ্কাজনক। ইউমথাং থেকে জিরো পয়েন্টগামী রাস্তা কয়েক ফুট গভীর বরফের তলায় তলিয়ে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। চুংথাং থেকে লাচেনগামী পথ চ্যাপটেন এলাকায় এবং লাচেন থেকে থাঙ্গুগামী রাস্তা পুচি এলাকায় ধসে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে। রাকদুং-টিনটেক হয়ে মঙ্গন থেকে গ্যাংটক যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাও আট মাইলে অবরুদ্ধ। তুষারপাতের ফলে পিচ্ছিল রাস্তায় বিপজ্জনক ‘ব্ল্যাক আইস’ তৈরি হলেও সে সবকে তোয়াক্কা না করেই রেকর্ড পর্যটকদের ভিড় জমছে উৎসবের আনন্দে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে টানা ছ'ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রেখে দ্রুত মেরামতের কাজ চালায় এনএইচআইডিসিএল।

১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে সমস্ত গ্যাংটকগামী যানবাহনকে গরুবাথানের ঘুরপথে চালনা করা হয়। হঠাৎ পথ পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘ যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েন পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরা। একই সময়ে নেপাল সীমান্তে চরম সতর্কতা জারি করে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ করা হলেও সিকিমের রাস্তায় ঢল নেমেছে উৎসুক মানুষের।

সিকিম ও সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের সার্বিক পরিস্থিতি অনুধাবন করে সতর্ক পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও। দার্জিলিং পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলে তিস্তা ও তোর্সার মতো খরস্রোতা নদীতে বারবার হড়পা বানের ঝুঁকি এবং পাহাড়ের পরিকল্পিত সম্প্রসারণ নিশ্চিত করতে তড়িঘড়ি একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুজোয় পাহাড়মুখী ভ্রমণপিপাসুদের মনে তৈরি হয়েছে গভীর উৎকণ্ঠা।


বিষয় : WestBengalNews SikkimTourism sikkimlandslide HiddenStoriesNews NorthSikkim 10NationalHighway PujoTravel

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Sikkim Landslide: পুজোর আনন্দেই বিশাল বিপদ! সিকিমে ভয়াবহ ধস ও তুষারপাতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিপর্যয়ের মুখে হাজারো পর্যটক

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
গ্যাংটক: উৎসবের মরসুম শুরুর ঠিক মুখেই চরম বিপর্যয় উত্তর ও পশ্চিম সিকিমে। একদেহে দুই রূপ দেখাচ্ছে প্রকৃতি। একদিকে মুষলধারে বৃষ্টির জেরে পাহাড় ভেঙে পড়ে ভয়াবহ ধস, তো অন্যদিকে উঁচুতে রেকর্ড ভাঙা তুষারপাত। পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক যে, পশ্চিম সিকিমের রিম্বি এলাকায় প্রায় গোটা পাহাড়ই ধসে পড়েছে। টানা কাদা ও পাথরের স্রোত নেমে আসায় সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হচ্ছে এবং প্রায় ৩০টি বাড়ির বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জোরকদমে চালানো হচ্ছে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ।উত্তর সিকিমের চিত্রটাও একইরকম আশঙ্কাজনক। ইউমথাং থেকে জিরো পয়েন্টগামী রাস্তা কয়েক ফুট গভীর বরফের তলায় তলিয়ে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। চুংথাং থেকে লাচেনগামী পথ চ্যাপটেন এলাকায় এবং লাচেন থেকে থাঙ্গুগামী রাস্তা পুচি এলাকায় ধসে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে। রাকদুং-টিনটেক হয়ে মঙ্গন থেকে গ্যাংটক যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাও আট মাইলে অবরুদ্ধ। তুষারপাতের ফলে পিচ্ছিল রাস্তায় বিপজ্জনক ‘ব্ল্যাক আইস’ তৈরি হলেও সে সবকে তোয়াক্কা না করেই রেকর্ড পর্যটকদের ভিড় জমছে উৎসবের আনন্দে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে টানা ছ'ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রেখে দ্রুত মেরামতের কাজ চালায় এনএইচআইডিসিএল।১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে সমস্ত গ্যাংটকগামী যানবাহনকে গরুবাথানের ঘুরপথে চালনা করা হয়। হঠাৎ পথ পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘ যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েন পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরা। একই সময়ে নেপাল সীমান্তে চরম সতর্কতা জারি করে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ করা হলেও সিকিমের রাস্তায় ঢল নেমেছে উৎসুক মানুষের।সিকিম ও সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের সার্বিক পরিস্থিতি অনুধাবন করে সতর্ক পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও। দার্জিলিং পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলে তিস্তা ও তোর্সার মতো খরস্রোতা নদীতে বারবার হড়পা বানের ঝুঁকি এবং পাহাড়ের পরিকল্পিত সম্প্রসারণ নিশ্চিত করতে তড়িঘড়ি একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুজোয় পাহাড়মুখী ভ্রমণপিপাসুদের মনে তৈরি হয়েছে গভীর উৎকণ্ঠা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত