Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

FlyDubai Terror Plot: “গাজার প্রতিশোধ নিতেই এই আত্মঘাতী ছক!” জেরায় বিস্ফোরক ফ্লাইদুবাইয়ের জেহাদি পাইলট, মাঝ-আকাশে রক্তারক্তির রোমহর্ষক সত্য প্রকাশ্যে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
 FlyDubai Terror Plot: “গাজার প্রতিশোধ নিতেই এই আত্মঘাতী ছক!” জেরায় বিস্ফোরক ফ্লাইদুবাইয়ের জেহাদি পাইলট, মাঝ-আকাশে রক্তারক্তির রোমহর্ষক সত্য প্রকাশ্যে!
গাজার প্রতিশোধ নিতেই বিমান হাইজ্যাক ওমানি পাইলটের। ফাইল ছবি

দুবাই: গাজায় ইজরায়েলি সামরিক হামলা ও হাজার হাজার সাধারণ মানুষের মৃত্যুর বদলা নিতেই আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বিমান হাইজ্যাকের ছক কষেছিল ওমানের জেহাদি সহ-পাইলট! সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তদন্তকারী আধিকারিকদের জেরার মুখে নিজের এই মারাত্মক ও চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত হামাম আল-হামামি। ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র ধরে জানা গিয়েছে, হামামের মূল লক্ষ্যই ছিল বিমানের নিরপরাধ যাত্রীদের সাথে নিজেকেও মাঝ-আকাশে উড়িয়ে দিয়ে তথাকথিত 'শহিদ' হিসেবে আত্মবলিদান দেওয়া। ফ্লাইদুবাইতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই এই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী হামলার জাল বুনছিল সে। এমনকি গত জুন মাসে ডিউটির অছিলায় তেল আভিভ গিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর সংক্রান্ত সমস্ত সংবেদনশীল তথ্যও সংগ্রহ করে এনেছিল এই জেহাদি।

জবানবন্দিতে হামাম জানিয়েছে, ককপিটে কুড়াল দিয়ে ভারতীয় মূল পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে মেরে ফেলাটাই ছিল তার প্রথম কাজ। এরপর অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে বিমানটিকে তেল আভিভের দিকে নিয়ে গিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের ভুয়া অনুমতি নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। শেষ মুহূর্তে এয়ারপোর্টের মূল টার্মিনাল কিংবা সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য কোনো বিমানে আছড়ে ফেলার ছক কষেছিল সে। আর তা সম্ভব না হলে তেল আভিভ শহরের কোনো আকাশচুম্বী বহুতলে বিমানটি ঢুকিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। সেই মোতাবেকই বিমানে নমাজ পড়ার নাম করে ককপিটের জরুরি কুড়াল বের করে ক্যাপ্টেন মচ্ছরের ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণ চালায় হামাম।


প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হতেই শেষমেশ অটো-পাইলট নিষ্ক্রিয় করে বিমানটিকে বিশাল মরুভূমির বুকে বিধ্বস্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে হামাম। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে বিমানটি লাফিয়ে ১৬,০০০ ফুট নিচে নেমে আসে! কিন্তু মারাত্মক রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থাতেও অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। তিনি কোনোমতে ককপিটের দরজা খুলে বিপদের সংকেত পাঠাতে সক্ষম হন। সংকেত পাওয়া মাত্রই বিমানের কেবিন ক্রু, সাধারণ যাত্রী এবং বিমানে থাকা দুজন অফ-ডিউটি পাইলট একসঙ্গে ককপিটে ঢুকে জীবন বাজি রেখে কাবু করেন উন্মাদ হামামকে। এর পরপরই বিমানটিকে নিরাপদভাবে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করানো হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসেও একবার জর্ডনের আকাশে এই একই হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল সে, তবে সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কের খাতিরে সে যাত্রা পিছিয়ে দেয়। ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেনের বীরত্ব ও যাত্রীদের উপস্থিত বুদ্ধির জোরেই সেদিনের মহাবিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হল।

বিষয় : Flydubai terror plot mid air drama captainsmitmachhar gazarevenge

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


FlyDubai Terror Plot: “গাজার প্রতিশোধ নিতেই এই আত্মঘাতী ছক!” জেরায় বিস্ফোরক ফ্লাইদুবাইয়ের জেহাদি পাইলট, মাঝ-আকাশে রক্তারক্তির রোমহর্ষক সত্য প্রকাশ্যে!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
দুবাই: গাজায় ইজরায়েলি সামরিক হামলা ও হাজার হাজার সাধারণ মানুষের মৃত্যুর বদলা নিতেই আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বিমান হাইজ্যাকের ছক কষেছিল ওমানের জেহাদি সহ-পাইলট! সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তদন্তকারী আধিকারিকদের জেরার মুখে নিজের এই মারাত্মক ও চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত হামাম আল-হামামি। ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র ধরে জানা গিয়েছে, হামামের মূল লক্ষ্যই ছিল বিমানের নিরপরাধ যাত্রীদের সাথে নিজেকেও মাঝ-আকাশে উড়িয়ে দিয়ে তথাকথিত 'শহিদ' হিসেবে আত্মবলিদান দেওয়া। ফ্লাইদুবাইতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই এই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী হামলার জাল বুনছিল সে। এমনকি গত জুন মাসে ডিউটির অছিলায় তেল আভিভ গিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর সংক্রান্ত সমস্ত সংবেদনশীল তথ্যও সংগ্রহ করে এনেছিল এই জেহাদি।জবানবন্দিতে হামাম জানিয়েছে, ককপিটে কুড়াল দিয়ে ভারতীয় মূল পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে মেরে ফেলাটাই ছিল তার প্রথম কাজ। এরপর অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে বিমানটিকে তেল আভিভের দিকে নিয়ে গিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের ভুয়া অনুমতি নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। শেষ মুহূর্তে এয়ারপোর্টের মূল টার্মিনাল কিংবা সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য কোনো বিমানে আছড়ে ফেলার ছক কষেছিল সে। আর তা সম্ভব না হলে তেল আভিভ শহরের কোনো আকাশচুম্বী বহুতলে বিমানটি ঢুকিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। সেই মোতাবেকই বিমানে নমাজ পড়ার নাম করে ককপিটের জরুরি কুড়াল বের করে ক্যাপ্টেন মচ্ছরের ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণ চালায় হামাম।প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হতেই শেষমেশ অটো-পাইলট নিষ্ক্রিয় করে বিমানটিকে বিশাল মরুভূমির বুকে বিধ্বস্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে হামাম। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে বিমানটি লাফিয়ে ১৬,০০০ ফুট নিচে নেমে আসে! কিন্তু মারাত্মক রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থাতেও অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। তিনি কোনোমতে ককপিটের দরজা খুলে বিপদের সংকেত পাঠাতে সক্ষম হন। সংকেত পাওয়া মাত্রই বিমানের কেবিন ক্রু, সাধারণ যাত্রী এবং বিমানে থাকা দুজন অফ-ডিউটি পাইলট একসঙ্গে ককপিটে ঢুকে জীবন বাজি রেখে কাবু করেন উন্মাদ হামামকে। এর পরপরই বিমানটিকে নিরাপদভাবে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করানো হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসেও একবার জর্ডনের আকাশে এই একই হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল সে, তবে সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কের খাতিরে সে যাত্রা পিছিয়ে দেয়। ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেনের বীরত্ব ও যাত্রীদের উপস্থিত বুদ্ধির জোরেই সেদিনের মহাবিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত