Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Bank Strick: মাস শেষে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটে ভোগান্তির আশঙ্কা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bank Strick: মাস শেষে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটে ভোগান্তির আশঙ্কা!
মাস শেষে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক। ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: মাস শেষে ফের বড়সড় অচলাবস্থার মুখে পড়তে চলেছে দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা।

সপ্তাহে দু’দিন অর্থাৎ প্রতি শনি ও রবিবার পূর্ণাঙ্গ ছুটির দাবিতে এবার টানা তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিল ব্যাঙ্ক কর্মী ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই দেশব্যাপী ধর্মঘট পালিত হতে চলেছে। তবে গ্রাহকদের উদ্বেগের কারণ কেবল এই তিন দিনের ধর্মঘট নয়, এর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে ধারাবাহিক সাপ্তাহিক ছুটি।

ধর্মঘটের ঠিক আগের দু'দিন অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার। ফলে সাপ্তাহিক ছুটি ও ধর্মঘটের সংযোগে মাসের শেষে পরপর মোট পাঁচ দিন পরিষেবা পুরোপুরি স্তব্ধ হতে চলেছে। দুর্গোৎসবের ঠিক আগে কেনাকাটা ও লেনদেনের ব্যস্ত সময়ে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলে এটিএম পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জমা-তোলা এবং চেক ক্লিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির মুখে পড়বেন সাধারণ মানুষ।

দীর্ঘদিন ধরেই সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজের দাবি সমেত শনি ও রবিবার স্থায়ী ছুটির দাবিতে সরব ব্যাঙ্ক কর্মী ইউনিয়নগুলি। বর্তমানে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ব্যাঙ্ক ছুটি থাকে। কিন্তু ইউনিয়নগুলির মূল দাবি হলো, সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্কেও অন্যান্য কর্পোরেট ও সরকারি ক্ষেত্রের মতো প্রতি শনিবার ছুটির নিয়ম বলবৎ করতে হবে।

কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি না মানায় কর্মীদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়। এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর এক দিনের দেশব্যাপী প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ককর্মীরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকারের তরফে ইতিবাচক পদক্ষেপ না মিলনায় এবার মাস শেষে টানা ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ধারাবাহিক ছুটির জেরে আর্থিক পরিষেবা স্তব্ধ হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রও। কীভাবে আমজনতার সমস্যা কমানো যায় এবং পরিষেবা যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, তা নিয়ে সক্রিয় হয়েছে অর্থমন্ত্রকের অধীনস্থ ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট। পরিস্থিতি সামাল দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে অর্থমন্ত্রকের তরফে।

এই বৈঠকে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের শীর্ষ আধিকারিক, ‘ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন’ (IBA) এবং ‘নাবার্ড’ (NABARD)-এর প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে ধর্মঘটজনিত অচলাবস্থা কাটানো এবং বিকল্প ব্যবস্থার পথ খুঁজতেই আলোচনা চালানো হবে। তবে ২১ তারিখের বৈঠকে রফাসূত্র না বেরোলে মাসের শেষে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য যে বড়সড় ভোগান্তি অপেক্ষা করছে, তা বলাই বাহুল্য।

বিষয় : HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Bank Strick: মাস শেষে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটে ভোগান্তির আশঙ্কা!

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: মাস শেষে ফের বড়সড় অচলাবস্থার মুখে পড়তে চলেছে দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা। সপ্তাহে দু’দিন অর্থাৎ প্রতি শনি ও রবিবার পূর্ণাঙ্গ ছুটির দাবিতে এবার টানা তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিল ব্যাঙ্ক কর্মী ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই দেশব্যাপী ধর্মঘট পালিত হতে চলেছে। তবে গ্রাহকদের উদ্বেগের কারণ কেবল এই তিন দিনের ধর্মঘট নয়, এর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে ধারাবাহিক সাপ্তাহিক ছুটি। ধর্মঘটের ঠিক আগের দু'দিন অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার। ফলে সাপ্তাহিক ছুটি ও ধর্মঘটের সংযোগে মাসের শেষে পরপর মোট পাঁচ দিন পরিষেবা পুরোপুরি স্তব্ধ হতে চলেছে। দুর্গোৎসবের ঠিক আগে কেনাকাটা ও লেনদেনের ব্যস্ত সময়ে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলে এটিএম পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জমা-তোলা এবং চেক ক্লিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির মুখে পড়বেন সাধারণ মানুষ।দীর্ঘদিন ধরেই সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজের দাবি সমেত শনি ও রবিবার স্থায়ী ছুটির দাবিতে সরব ব্যাঙ্ক কর্মী ইউনিয়নগুলি। বর্তমানে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ব্যাঙ্ক ছুটি থাকে। কিন্তু ইউনিয়নগুলির মূল দাবি হলো, সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্কেও অন্যান্য কর্পোরেট ও সরকারি ক্ষেত্রের মতো প্রতি শনিবার ছুটির নিয়ম বলবৎ করতে হবে। কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি না মানায় কর্মীদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়। এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর এক দিনের দেশব্যাপী প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ককর্মীরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকারের তরফে ইতিবাচক পদক্ষেপ না মিলনায় এবার মাস শেষে টানা ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ধারাবাহিক ছুটির জেরে আর্থিক পরিষেবা স্তব্ধ হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রও। কীভাবে আমজনতার সমস্যা কমানো যায় এবং পরিষেবা যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, তা নিয়ে সক্রিয় হয়েছে অর্থমন্ত্রকের অধীনস্থ ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট। পরিস্থিতি সামাল দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে অর্থমন্ত্রকের তরফে।এই বৈঠকে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের শীর্ষ আধিকারিক, ‘ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন’ (IBA) এবং ‘নাবার্ড’ (NABARD)-এর প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে ধর্মঘটজনিত অচলাবস্থা কাটানো এবং বিকল্প ব্যবস্থার পথ খুঁজতেই আলোচনা চালানো হবে। তবে ২১ তারিখের বৈঠকে রফাসূত্র না বেরোলে মাসের শেষে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য যে বড়সড় ভোগান্তি অপেক্ষা করছে, তা বলাই বাহুল্য।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত