Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

DI Office Controversy: সরকারি ফাইলের পাশেই রেঁধে খাওয়া হলো খাসির মাংস, সঙ্গে বোতল বোতল মদ! ডিআই অফিসে রাতের আঁধারে মোচ্ছব, তুলকালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
DI Office Controversy: সরকারি ফাইলের পাশেই রেঁধে খাওয়া হলো খাসির মাংস, সঙ্গে বোতল বোতল মদ! ডিআই অফিসে রাতের আঁধারে মোচ্ছব, তুলকালাম
বালুরঘাটে জেলা শিক্ষা দফতরে মদ-মাংসের আসর। ছবি-সংগৃহীত

দক্ষিণ দিনাজপুর: দিনের আলো ফুটতেই যেসব টেবিলে জমা হয় হাজার হাজার সরকারি নথি ও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, রাতের আঁধারে সেখানেই সাজানো হলো মদের বোতল আর খাসির মাংসের কড়াই! দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিসের ভেতরেই বুুধবার রাতে এই নৈশ পিকনিক ও মদ-মাংসের আসর বসাকে কেন্দ্র করে তীব্র শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে। অফিসের কাঠের আলমারি ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের ঠিক পাশেই আগুন জ্বালিয়ে রান্না বসানোয় যেকোনো মুহূর্তে বড়সড় অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সরকারি দপ্তরের ভেতরে এই ধরনের উদ্দাম আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সন্ধ্যায় অফিসের কাজ শেষ হওয়ার পর। অভিযোগ, কাজ মেটার পরেই বাইরে থেকে হাঁড়ি-কড়াই আনিয়ে অফিসের ভেতরেই রান্নাবান্নার আয়োজন শুরু করেন একদল কর্মী। শুধু খাওয়াদাওয়াই নয়, দপ্তরের ভেতরে মদের বোতল খুলে অসংযত আচরণেরও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাত প্রায় ১০টা নাগাদ ডিআই অফিসে হানা দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) শিক্ষক সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ’-এর বেশ কিছু প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃত্ব। কিন্তু বাইরের মানুষের উপস্থিতির আঁচ পেয়েই তড়িঘড়ি জিনিসপত্র ফেলে রেখে পালিয়ে যান সেখানে উপস্থিত কর্মীরা। পরবর্তীতে বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সরকারি অফিসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধি ভেঙে কীভাবে এই ধরনের ব্যক্তিগত পিকনিকের আয়োজন সম্ভব হলো, তা নিয়ে সরব হয়েছেন। দপ্তরের ভেতরে রান্নার ক্ষেত্রে কোনো অগ্নি-নির্বাপক নিরাপত্তা বা আগাম অনুমতি ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশাসনকে তোপ দেগেছেন তাঁরা। সংগঠনের শীর্ষ নেতা নিখিল পাল জানান, জেলা শিক্ষা দপ্তরের এই অফিসে হাজার হাজার শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গচ্ছিত রয়েছে। সেখানে রাতের অন্ধকারে কোনো নজরদারি ছাড়া কীভাবে এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ড ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এই ঘটনার খবর জেলা স্কুল পরিদর্শকের জানা ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।

ঘটনার খবর সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। জেলা স্কুল পরিদর্শক (ডিআই) পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বস্ত করেছেন। অন্যদিকে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ হাতে পেলেই আইনি তদন্ত শুরু করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


বিষয় : HiddenStoriesNews educationdepartment ViralNews SouthDinajpur BalurghatNews DIOfficeControversy BengalUpdate

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


DI Office Controversy: সরকারি ফাইলের পাশেই রেঁধে খাওয়া হলো খাসির মাংস, সঙ্গে বোতল বোতল মদ! ডিআই অফিসে রাতের আঁধারে মোচ্ছব, তুলকালাম

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
দক্ষিণ দিনাজপুর: দিনের আলো ফুটতেই যেসব টেবিলে জমা হয় হাজার হাজার সরকারি নথি ও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, রাতের আঁধারে সেখানেই সাজানো হলো মদের বোতল আর খাসির মাংসের কড়াই! দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিসের ভেতরেই বুুধবার রাতে এই নৈশ পিকনিক ও মদ-মাংসের আসর বসাকে কেন্দ্র করে তীব্র শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে। অফিসের কাঠের আলমারি ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের ঠিক পাশেই আগুন জ্বালিয়ে রান্না বসানোয় যেকোনো মুহূর্তে বড়সড় অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সরকারি দপ্তরের ভেতরে এই ধরনের উদ্দাম আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সন্ধ্যায় অফিসের কাজ শেষ হওয়ার পর। অভিযোগ, কাজ মেটার পরেই বাইরে থেকে হাঁড়ি-কড়াই আনিয়ে অফিসের ভেতরেই রান্নাবান্নার আয়োজন শুরু করেন একদল কর্মী। শুধু খাওয়াদাওয়াই নয়, দপ্তরের ভেতরে মদের বোতল খুলে অসংযত আচরণেরও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাত প্রায় ১০টা নাগাদ ডিআই অফিসে হানা দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) শিক্ষক সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ’-এর বেশ কিছু প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃত্ব। কিন্তু বাইরের মানুষের উপস্থিতির আঁচ পেয়েই তড়িঘড়ি জিনিসপত্র ফেলে রেখে পালিয়ে যান সেখানে উপস্থিত কর্মীরা। পরবর্তীতে বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সরকারি অফিসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধি ভেঙে কীভাবে এই ধরনের ব্যক্তিগত পিকনিকের আয়োজন সম্ভব হলো, তা নিয়ে সরব হয়েছেন। দপ্তরের ভেতরে রান্নার ক্ষেত্রে কোনো অগ্নি-নির্বাপক নিরাপত্তা বা আগাম অনুমতি ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশাসনকে তোপ দেগেছেন তাঁরা। সংগঠনের শীর্ষ নেতা নিখিল পাল জানান, জেলা শিক্ষা দপ্তরের এই অফিসে হাজার হাজার শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গচ্ছিত রয়েছে। সেখানে রাতের অন্ধকারে কোনো নজরদারি ছাড়া কীভাবে এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ড ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এই ঘটনার খবর জেলা স্কুল পরিদর্শকের জানা ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।ঘটনার খবর সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। জেলা স্কুল পরিদর্শক (ডিআই) পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বস্ত করেছেন। অন্যদিকে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ হাতে পেলেই আইনি তদন্ত শুরু করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত