Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Bolpur Tourism: শান্তিনিকেতন ভ্রমণ এবার আরও সহজ! লম্বা লাইন ভুলে স্মার্টফোনেই মিলবে বিশ্বভারতীর টিকিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bolpur Tourism: শান্তিনিকেতন ভ্রমণ এবার আরও সহজ! লম্বা লাইন ভুলে স্মার্টফোনেই মিলবে বিশ্বভারতীর টিকিট
ছবি সংগৃহীত

বীরভূম: উইকেন্ডে শান্তিনিকেতনে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তা হলে আপনার জন্য রয়েছে চরম খুশির খবর। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী বিশ্বভারতী পরিদর্শনের জন্য আর টিকিট কাউন্টারের দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে রোদে পুড়তে বা বৃষ্টিতে ভিজতে হবে না। এবার হাতের মুঠোফোনেই মিলবে ই-টিকিট। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পর্যটন ব্যবস্থাকে আরও মসৃণ ও আধুনিক করতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে। পুজোর পরেই পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি চালু হয়ে যেতে পারে এই অনলাইন ই-টিকিট ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এর জন্য দরপত্র বা টেন্ডার আহ্বানের প্রক্রিয়াও দ্রুত গতিতে শুরু হয়ে গিয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শান্তিনিকেতন বরাবরই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক নাম। তবে শান্তিনিকেতন গৃহ, রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালা কিংবা কলাভবন পরিদর্শনের জন্য টিকিট কাটার যে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছিল, তা বহু সময় পর্যটকদের আনন্দের মুহূর্তগুলোকে ফিকে করে দিত। সেই অভিজ্ঞতায় বদল আনতে অনলাইন পেমেন্ট ও বারকোডযুক্ত ই-টিকিট আনছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর ফলে ঘরে বসেই আগাম টিকিট কেটে নির্ঝঞ্ঝাটভাবে ঘুরে দেখা যাবে বিশ্বভারতীর হেরিটেজ ওয়াক। জালিয়াতি এড়াতে প্রতিটি ই-টিকিটে থাকবে নিজস্ব বারকোড প্রযুক্তি, যা প্রবেশদ্বারে স্ক্যান করে নিমেষেই প্রাঙ্গণে ঢোকা যাবে।

এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে কবিগুরুর ব্যবহৃত বিখ্যাত পাঁচটি বাড়ি— উদয়ন, উদীচী, কোনার্ক, শ্যামলী ও পুনশ্চ। এর পাশাপাশি দর্শনার্থীরা সুযোগ পাবেন রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় রক্ষিত রবীন্দ্রনাথের দুর্লভ পাণ্ডুলিপি, ব্যবহৃত নানা সামগ্রী ও নোবেল পদকের প্রতিরূপ দেখার। আলাদা আলাদা স্থান দেখার টিকিটের পাশাপাশি একসঙ্গে পাঁচটি জায়গা দেখার জন্য কম্বো টিকিটের সুবিধাও রাখা হচ্ছে। বর্তমানে এই হেরিটেজ ওয়াকের টিকিটের মূল্য সাধারণ পর্যটকদের জন্য মাথাপিছু ৩০০ টাকা, বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১০০০ টাকা এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ ছাড়। প্রতিটি দলে সর্বাধিক ২৫ জন পর্যটক একসঙ্গে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

শুধু ই-টিকিটই নয়, বিশ্বভারতীকে ঘিরে পর্যটন পরিষেবায় আসছে আরও বড় সারপ্রাইজ। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শান্তিনিকেতনে শুরু হতে চলেছে বর্ণাঢ্য 'লাইট অ্যান্ড সাউন্ড' শো। বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ জানিয়েছেন যে, পুজো অর্ধেকের আগেই অনলাইন ব্যবস্থা চালু করার ভাবনা থাকলেও কিছু প্রযুক্তিগত কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে পুজোর পরপরই টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত গতিতে ই-টিকিটের পরিষেবা চালু করে দেওয়া হবে। ফলে বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য এখন আধুনিক প্রযুক্তির ডানায় ভর দিয়ে পর্যটকদের আরও কাছে চলে আসতে চলেছে।

বিষয় : SHANTINIKETAN visvabharati eticket bengal tourism

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Bolpur Tourism: শান্তিনিকেতন ভ্রমণ এবার আরও সহজ! লম্বা লাইন ভুলে স্মার্টফোনেই মিলবে বিশ্বভারতীর টিকিট

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
বীরভূম: উইকেন্ডে শান্তিনিকেতনে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তা হলে আপনার জন্য রয়েছে চরম খুশির খবর। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী বিশ্বভারতী পরিদর্শনের জন্য আর টিকিট কাউন্টারের দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে রোদে পুড়তে বা বৃষ্টিতে ভিজতে হবে না। এবার হাতের মুঠোফোনেই মিলবে ই-টিকিট। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পর্যটন ব্যবস্থাকে আরও মসৃণ ও আধুনিক করতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে। পুজোর পরেই পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি চালু হয়ে যেতে পারে এই অনলাইন ই-টিকিট ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এর জন্য দরপত্র বা টেন্ডার আহ্বানের প্রক্রিয়াও দ্রুত গতিতে শুরু হয়ে গিয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শান্তিনিকেতন বরাবরই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক নাম। তবে শান্তিনিকেতন গৃহ, রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালা কিংবা কলাভবন পরিদর্শনের জন্য টিকিট কাটার যে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছিল, তা বহু সময় পর্যটকদের আনন্দের মুহূর্তগুলোকে ফিকে করে দিত। সেই অভিজ্ঞতায় বদল আনতে অনলাইন পেমেন্ট ও বারকোডযুক্ত ই-টিকিট আনছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর ফলে ঘরে বসেই আগাম টিকিট কেটে নির্ঝঞ্ঝাটভাবে ঘুরে দেখা যাবে বিশ্বভারতীর হেরিটেজ ওয়াক। জালিয়াতি এড়াতে প্রতিটি ই-টিকিটে থাকবে নিজস্ব বারকোড প্রযুক্তি, যা প্রবেশদ্বারে স্ক্যান করে নিমেষেই প্রাঙ্গণে ঢোকা যাবে।এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে কবিগুরুর ব্যবহৃত বিখ্যাত পাঁচটি বাড়ি— উদয়ন, উদীচী, কোনার্ক, শ্যামলী ও পুনশ্চ। এর পাশাপাশি দর্শনার্থীরা সুযোগ পাবেন রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় রক্ষিত রবীন্দ্রনাথের দুর্লভ পাণ্ডুলিপি, ব্যবহৃত নানা সামগ্রী ও নোবেল পদকের প্রতিরূপ দেখার। আলাদা আলাদা স্থান দেখার টিকিটের পাশাপাশি একসঙ্গে পাঁচটি জায়গা দেখার জন্য কম্বো টিকিটের সুবিধাও রাখা হচ্ছে। বর্তমানে এই হেরিটেজ ওয়াকের টিকিটের মূল্য সাধারণ পর্যটকদের জন্য মাথাপিছু ৩০০ টাকা, বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১০০০ টাকা এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ ছাড়। প্রতিটি দলে সর্বাধিক ২৫ জন পর্যটক একসঙ্গে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।শুধু ই-টিকিটই নয়, বিশ্বভারতীকে ঘিরে পর্যটন পরিষেবায় আসছে আরও বড় সারপ্রাইজ। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শান্তিনিকেতনে শুরু হতে চলেছে বর্ণাঢ্য 'লাইট অ্যান্ড সাউন্ড' শো। বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ জানিয়েছেন যে, পুজো অর্ধেকের আগেই অনলাইন ব্যবস্থা চালু করার ভাবনা থাকলেও কিছু প্রযুক্তিগত কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে পুজোর পরপরই টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত গতিতে ই-টিকিটের পরিষেবা চালু করে দেওয়া হবে। ফলে বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য এখন আধুনিক প্রযুক্তির ডানায় ভর দিয়ে পর্যটকদের আরও কাছে চলে আসতে চলেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত