Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Rejinagar Bypoll Result: “জিরো তো পাইনি!” গণনার দিন অকপট রেজিনগরে ঋত তৃণমূলের প্রার্থী, ফল প্রকাশের আগেই ঘুমোতে গেলেন শফিউজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
Rejinagar Bypoll Result: “জিরো তো পাইনি!” গণনার দিন অকপট রেজিনগরে ঋত তৃণমূলের প্রার্থী, ফল প্রকাশের আগেই ঘুমোতে গেলেন শফিউজ্জামান
রেজিনগরের হবিব মাস্টার। গণনার আগে বাড়ি চলে গেলেন ঋত তৃণমূলের প্রার্থী। নিজস্ব ছবি

রেজিনগর: সকাল থেকে ইভিএম খুলতেই গণনাকেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের জয়জয়কার। 

বেলা গড়াতেই দুই কেন্দ্রেই প্রতিপক্ষদের উড়িয়ে দিয়ে রাজকীয় মেজাজে এগিয়ে পদ্ম শিবিরের প্রার্থীরা। কিন্তু এই তীব্র রাজনৈতিক টানটান উত্তেজনার আবহেই রেজিনগরের গণনাকেন্দ্রে দেখা গেল এক অভূতপূর্ব ও অভাবনীয় দৃশ্য! 

ভোটগণনা চলাকালীনই গণনাকেন্দ্র ছেড়ে সটান বাড়ির পথ ধরলেন রেজিনগরে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ অর্থাৎ ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখ ওরফে হাবিব মাস্টার। কেন মাঝপথে রণে ভঙ্গ? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্লান্তিভরা মুখে প্রার্থীর সপাট উত্তর, “বড্ড ক্লান্তি এসেছে, এবার একটু ঘুমোতে যাচ্ছি!”

রেজিনগরে অষ্টম রাউন্ড গণনার শেষে যখন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার বিরাট ব্যবধানে এগিয়ে, তখন লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে প্রার্থী হাবিব মাস্টারের এই পিঠটান দেওয়া নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। ফল যে শোচনীয় হতে চলেছে, তা বুথফেরত সমীক্ষাতেই পরিষ্কার ছিল। 

তবে গণনার দিন সকালে এমন মন্তব্য শুনবেন, তা বোধহয় আশা করেননি অনুগামীরাও। প্রার্থীর অকপট স্বীকারোক্তি, “এজেন্টরা তো আছেন ভিতরে। আমাদের আর কী কাজ? প্রথম রাউন্ডে অন্তত খাতা তো খুলেছি! জিরো তো পাইনি, কিছু মানুষ তো ভোটটা দিয়েছেন।”

চোখেমুখে একরাশ হতাশা আর ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট তুলে ধরে প্রার্থী আরও যোগ করেন, “কাল সারারাত ঘুম হয়নি। গণনাকেন্দ্রে এত কর্মীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। তাই এখন একটু রেস্ট নেব, ঘুমোব।” 

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, চরম পরাজয় নিশ্চিত জেনেই লজ্জায় গণনাকেন্দ্র থেকে কার্যত পালিয়ে বেঁচেছেন ঋত শিবিরের এই প্রার্থী। রেজিনগরে যেখানে দ্বিতীয় স্থানে হুমায়ুনের দল এবং পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে কংগ্রেস ও মমতা তৃণমূল, সেখানে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল।

অন্য দিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ রীতিমতো ইতিহাস গড়েছেন। অষ্টম রাউন্ডের গণনা শেষ হতেই তিনি অকল্পনীয় ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছেন। এমনকি, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর করা সেই ৮২ হাজার ভোটের ঐতিহাসিক ব্যবধানকেও বহু পেছনে ফেলে শুভেন্দুর নিজের মার্জিনকেও ছাপিয়ে যাওয়ার পথে হাসিরানি। নন্দীগ্রামে আবার ঋতব্রত শিবিরের অবস্থা এতটাই করুণ যে, তাঁদের লড়াই চলছে সাকুল্যে ‘নোটা’র (NOTA) সঙ্গে!

সব মিলিয়ে, রেজিনগরে প্রার্থী যখন ভোট ছেড়ে ঘুমোতে ব্যস্ত, তখন দুই কেন্দ্রেই প্রতিপক্ষদের ধুলিসাৎ করে নতুন ইতিহাস লেখার পথে বঙ্গ বিজেপি।

বিষয় : #RejinagarBypolls #NandigramBypolls #BengalPolitics #BJPBengal #HabibMaster #HasiraniRath #HiddenStoriesNews #SuvenduAdhikari

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


Rejinagar Bypoll Result: “জিরো তো পাইনি!” গণনার দিন অকপট রেজিনগরে ঋত তৃণমূলের প্রার্থী, ফল প্রকাশের আগেই ঘুমোতে গেলেন শফিউজ্জামান

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
রেজিনগর: সকাল থেকে ইভিএম খুলতেই গণনাকেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের জয়জয়কার। বেলা গড়াতেই দুই কেন্দ্রেই প্রতিপক্ষদের উড়িয়ে দিয়ে রাজকীয় মেজাজে এগিয়ে পদ্ম শিবিরের প্রার্থীরা। কিন্তু এই তীব্র রাজনৈতিক টানটান উত্তেজনার আবহেই রেজিনগরের গণনাকেন্দ্রে দেখা গেল এক অভূতপূর্ব ও অভাবনীয় দৃশ্য! ভোটগণনা চলাকালীনই গণনাকেন্দ্র ছেড়ে সটান বাড়ির পথ ধরলেন রেজিনগরে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ অর্থাৎ ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখ ওরফে হাবিব মাস্টার। কেন মাঝপথে রণে ভঙ্গ? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্লান্তিভরা মুখে প্রার্থীর সপাট উত্তর, “বড্ড ক্লান্তি এসেছে, এবার একটু ঘুমোতে যাচ্ছি!”রেজিনগরে অষ্টম রাউন্ড গণনার শেষে যখন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার বিরাট ব্যবধানে এগিয়ে, তখন লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে প্রার্থী হাবিব মাস্টারের এই পিঠটান দেওয়া নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। ফল যে শোচনীয় হতে চলেছে, তা বুথফেরত সমীক্ষাতেই পরিষ্কার ছিল। তবে গণনার দিন সকালে এমন মন্তব্য শুনবেন, তা বোধহয় আশা করেননি অনুগামীরাও। প্রার্থীর অকপট স্বীকারোক্তি, “এজেন্টরা তো আছেন ভিতরে। আমাদের আর কী কাজ? প্রথম রাউন্ডে অন্তত খাতা তো খুলেছি! জিরো তো পাইনি, কিছু মানুষ তো ভোটটা দিয়েছেন।”চোখেমুখে একরাশ হতাশা আর ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট তুলে ধরে প্রার্থী আরও যোগ করেন, “কাল সারারাত ঘুম হয়নি। গণনাকেন্দ্রে এত কর্মীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। তাই এখন একটু রেস্ট নেব, ঘুমোব।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, চরম পরাজয় নিশ্চিত জেনেই লজ্জায় গণনাকেন্দ্র থেকে কার্যত পালিয়ে বেঁচেছেন ঋত শিবিরের এই প্রার্থী। রেজিনগরে যেখানে দ্বিতীয় স্থানে হুমায়ুনের দল এবং পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে কংগ্রেস ও মমতা তৃণমূল, সেখানে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল।অন্য দিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ রীতিমতো ইতিহাস গড়েছেন। অষ্টম রাউন্ডের গণনা শেষ হতেই তিনি অকল্পনীয় ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছেন। এমনকি, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর করা সেই ৮২ হাজার ভোটের ঐতিহাসিক ব্যবধানকেও বহু পেছনে ফেলে শুভেন্দুর নিজের মার্জিনকেও ছাপিয়ে যাওয়ার পথে হাসিরানি। নন্দীগ্রামে আবার ঋতব্রত শিবিরের অবস্থা এতটাই করুণ যে, তাঁদের লড়াই চলছে সাকুল্যে ‘নোটা’র (NOTA) সঙ্গে!সব মিলিয়ে, রেজিনগরে প্রার্থী যখন ভোট ছেড়ে ঘুমোতে ব্যস্ত, তখন দুই কেন্দ্রেই প্রতিপক্ষদের ধুলিসাৎ করে নতুন ইতিহাস লেখার পথে বঙ্গ বিজেপি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত