Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Modi Smit Call: মৃত্যুর মুখ থেকে যাত্রীদের বাঁচিয়ে চোখে জল স্মিতের! মোদীর ফোনে গীতা-হনুমান চালিশার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
Modi Smit Call: মৃত্যুর মুখ থেকে যাত্রীদের বাঁচিয়ে চোখে জল স্মিতের! মোদীর ফোনে গীতা-হনুমান চালিশার চর্চা
মোদীর সঙ্গে কথায় চোখে জল ‘হিরো’ পাইলটের। ছবি-সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: রক্তে ভেসে যাচ্ছে শরীর, শরীরে একাধিক ছুরির গভীর ক্ষতচিহ্ন! সেই চরম মৃত্যুর পরিস্থিতিতেও অসীম সাহস ও ঠাণ্ডা মাথায় শতাধিক যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে সংবাদের শিরোনামে এখন ফ্লাইদুবাই বিমানের ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। ৯/১১-এর মতো এক মর্মান্তিক বিমান বিপর্যয় ও সম্ভাব্য হাইজ্যাকিং রুখে দিয়ে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয়দের মাথা উঁচু করা সেই ‘হিরো’ পাইলটের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্তমানে বিদেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্মিতের কাছে মোদীর স্পষ্ট বক্তব্য, “ভারতীয়রা কখনও কারও প্রাণ কেড়ে নেয় না, বরং নিজের জীবন বিপন্ন করে অন্যের জীবন রক্ষা করে।”

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও হিংসার আবহে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শুক্রবার হাসপাতালের বিছানা থেকেই মোদীর সঙ্গে আবেগঘন কথোপকথনে লিপ্ত হন গুজরাটের সন্তান স্মিত। প্রধানমন্ত্রীকে সামনে দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ১৭ বছরের অভিজ্ঞ এই ক্যাপটেন। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অশ্রুসজল চোখে স্মিত জানান, হামলার সেই ভয়াবহ মুহূর্তেও তিনি ক্রমাগত হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। পড়ে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থাতেও নিজের ভেতরে থাকা আত্মবিশ্বাসকে মরে যেতে দেননি। যন্ত্রণায় কাতর হয়েও সর্বশক্তি দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে সহকর্মীদের ভেতরে আসার সুযোগ করে দেন, যার ফলে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় পুরো বিমান।


স্মিতের মা আগেই প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যে তিনি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শিক্ষা ও সংস্কার দিয়ে ছেলেকে বড় করেছেন। ফোনালাপে সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তিনি যে বিচক্ষণ ও বীরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা গোটা বিশ্বের কাছে ভারতীয়দের সাহসিকতা ও মূল্যবোধের নতুন দিশা দেখিয়েছে। পাইলটের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, গোটা দেশ তাঁর এই বীরত্বের জন্য অত্যন্ত গর্বিত এবং যেকোনো প্রয়োজনে দেশ তাঁর পাশে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, কোনো কারণে বিমানটি ক্র্যাশ করলে বা হাইজ্যাক হলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতীয় পাইলটদের ওপর অহেতুক সন্দেহের তীর উঠতে পারত। কিন্তু নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে স্মিত যেভাবে শয়ে শয়ে যাত্রীর জীবন রক্ষা করেছেন, তা এক নজির গড়ে তুলল। 

বিষয় : Narendra Modi FlyDubai indian pilot SmitMachhar

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


Modi Smit Call: মৃত্যুর মুখ থেকে যাত্রীদের বাঁচিয়ে চোখে জল স্মিতের! মোদীর ফোনে গীতা-হনুমান চালিশার চর্চা

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: রক্তে ভেসে যাচ্ছে শরীর, শরীরে একাধিক ছুরির গভীর ক্ষতচিহ্ন! সেই চরম মৃত্যুর পরিস্থিতিতেও অসীম সাহস ও ঠাণ্ডা মাথায় শতাধিক যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে সংবাদের শিরোনামে এখন ফ্লাইদুবাই বিমানের ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। ৯/১১-এর মতো এক মর্মান্তিক বিমান বিপর্যয় ও সম্ভাব্য হাইজ্যাকিং রুখে দিয়ে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয়দের মাথা উঁচু করা সেই ‘হিরো’ পাইলটের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্তমানে বিদেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্মিতের কাছে মোদীর স্পষ্ট বক্তব্য, “ভারতীয়রা কখনও কারও প্রাণ কেড়ে নেয় না, বরং নিজের জীবন বিপন্ন করে অন্যের জীবন রক্ষা করে।”বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও হিংসার আবহে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শুক্রবার হাসপাতালের বিছানা থেকেই মোদীর সঙ্গে আবেগঘন কথোপকথনে লিপ্ত হন গুজরাটের সন্তান স্মিত। প্রধানমন্ত্রীকে সামনে দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ১৭ বছরের অভিজ্ঞ এই ক্যাপটেন। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অশ্রুসজল চোখে স্মিত জানান, হামলার সেই ভয়াবহ মুহূর্তেও তিনি ক্রমাগত হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। পড়ে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থাতেও নিজের ভেতরে থাকা আত্মবিশ্বাসকে মরে যেতে দেননি। যন্ত্রণায় কাতর হয়েও সর্বশক্তি দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে সহকর্মীদের ভেতরে আসার সুযোগ করে দেন, যার ফলে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় পুরো বিমান।স্মিতের মা আগেই প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যে তিনি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শিক্ষা ও সংস্কার দিয়ে ছেলেকে বড় করেছেন। ফোনালাপে সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তিনি যে বিচক্ষণ ও বীরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা গোটা বিশ্বের কাছে ভারতীয়দের সাহসিকতা ও মূল্যবোধের নতুন দিশা দেখিয়েছে। পাইলটের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, গোটা দেশ তাঁর এই বীরত্বের জন্য অত্যন্ত গর্বিত এবং যেকোনো প্রয়োজনে দেশ তাঁর পাশে রয়েছে।বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, কোনো কারণে বিমানটি ক্র্যাশ করলে বা হাইজ্যাক হলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতীয় পাইলটদের ওপর অহেতুক সন্দেহের তীর উঠতে পারত। কিন্তু নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে স্মিত যেভাবে শয়ে শয়ে যাত্রীর জীবন রক্ষা করেছেন, তা এক নজির গড়ে তুলল। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত