Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Food Safety: প্রচুর কীটনাশক! এফএসএসএআই-এর পরীক্ষায় দু’বারই ফেল এভারেস্ট জিরেগুঁড়ো, বাজার থেকে প্রত্যাহারের কড়া নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
Food Safety: প্রচুর কীটনাশক! এফএসএসএআই-এর পরীক্ষায় দু’বারই ফেল এভারেস্ট জিরেগুঁড়ো, বাজার থেকে প্রত্যাহারের কড়া নির্দেশ
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি

নতুন দিল্লি: রান্নায় ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্যাকেটজাত গুঁড়ো মশলায় এবার বিষাক্ত কীটনাশকের উপস্থিতি! দেশের অন্যতম খ্যাতনামী মশলা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘এভারেস্ট’-এর জিরেগুঁড়োর প্যাকেটে মিলিছে নির্ধারিত সীমার চেয়ে বহুগুণ বেশি কীটনাশক। খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ বা এফএসএসএআই (FSSAI)-এর পরীক্ষায় দু’-দু’বারই গুণমানের পরীক্ষায় ফেল করেছে এভারেস্টের জিরেগুঁড়ো। ল্যাব রিপোর্টে এই মশলা মানুষের খাওয়ার পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ‘অনিরাপদ’ বলে চিহ্নিত হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট ব্যাচের সমস্ত প্যাকেট বাজার থেকে অবিলম্বে তুলে নেওয়ার কড়া নির্দেশ জারি করেছে এফএসএসএআই।

সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়ার একটি রিসোর্ট থেকে এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টসের জিরেগুঁড়োর নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাগারে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই চক্ষু চড়কগাছ গবেষকদের। দেখা যায়, জিরেগুঁড়োর ওই নমুনায় ‘অ্যাজ়োক্সিস্ট্রোবিন’ এবং ‘থায়ামেথোক্সাম’ নামের দুটি অত্যন্ত কড়া কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ সরকারের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে। ২০০৬ সালের খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইনের আওতায় ওই নমুনাকে সরাসরি 'অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ' তকমা দেয় খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা।

প্রথমে ল্যাব পরীক্ষার এই ফলাফল সামনে আসার পর সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল প্রস্তুতকারী সংস্থা এভারেস্ট। তাঁদের আর্জিতে নমুনাটি পুনঃপরীক্ষার জন্য দেশের উচ্চমানের ‘রেফারেল ফুড ল্যাবরেটরি’-তে পাঠানো হয়। তবে দ্বিতীয় দফার চূড়ান্ত পরীক্ষাতেও রেহাই মেলেনি। রেফারেল ল্যাবও আগের পরীক্ষাগারের রিপোর্টকে বহাল রেখে জানায় যে, এই মশলা খাদ্যের অনুপযোগী। গুণমান যাচাইয়ের দুই পরীক্ষাতেই ফেল করায় কালবিলম্ব না করে সংশ্লিষ্ট ব্যাচটি বাজার থেকে বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা হয় এবং ইতিমধ্যে বিক্রি হওয়া প্যাকেটগুলি ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

খাদ্য নিয়ামক সংস্থার এই পদক্ষেপে দেশজুড়ে গুঁড়ো মশলা ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এফএসএসএআই স্পষ্ট করেছে যে, এই নির্দেশিকাটি জিরেগুঁড়োর একটি নির্দিষ্ট ক্ষতিকারক ব্যাচের ওপরই প্রযোজ্য, বাজারে থাকা এভারেস্টের সমস্ত পণ্যের ওপর নয়। তা সত্ত্বেও খ্যাতনামী ব্র্যান্ডের মশলায় এমন বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতিতে রান্নার মশলার বিশুদ্ধতা ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল।


বিষয় : FOODSAFETY HiddenStoriesNews fssai FoodAdulteration EverestSpices PesticideAlert CuminPowder

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


Food Safety: প্রচুর কীটনাশক! এফএসএসএআই-এর পরীক্ষায় দু’বারই ফেল এভারেস্ট জিরেগুঁড়ো, বাজার থেকে প্রত্যাহারের কড়া নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নতুন দিল্লি: রান্নায় ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্যাকেটজাত গুঁড়ো মশলায় এবার বিষাক্ত কীটনাশকের উপস্থিতি! দেশের অন্যতম খ্যাতনামী মশলা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘এভারেস্ট’-এর জিরেগুঁড়োর প্যাকেটে মিলিছে নির্ধারিত সীমার চেয়ে বহুগুণ বেশি কীটনাশক। খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ বা এফএসএসএআই (FSSAI)-এর পরীক্ষায় দু’-দু’বারই গুণমানের পরীক্ষায় ফেল করেছে এভারেস্টের জিরেগুঁড়ো। ল্যাব রিপোর্টে এই মশলা মানুষের খাওয়ার পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ‘অনিরাপদ’ বলে চিহ্নিত হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট ব্যাচের সমস্ত প্যাকেট বাজার থেকে অবিলম্বে তুলে নেওয়ার কড়া নির্দেশ জারি করেছে এফএসএসএআই।সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়ার একটি রিসোর্ট থেকে এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টসের জিরেগুঁড়োর নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাগারে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই চক্ষু চড়কগাছ গবেষকদের। দেখা যায়, জিরেগুঁড়োর ওই নমুনায় ‘অ্যাজ়োক্সিস্ট্রোবিন’ এবং ‘থায়ামেথোক্সাম’ নামের দুটি অত্যন্ত কড়া কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ সরকারের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে। ২০০৬ সালের খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইনের আওতায় ওই নমুনাকে সরাসরি 'অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ' তকমা দেয় খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা।প্রথমে ল্যাব পরীক্ষার এই ফলাফল সামনে আসার পর সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল প্রস্তুতকারী সংস্থা এভারেস্ট। তাঁদের আর্জিতে নমুনাটি পুনঃপরীক্ষার জন্য দেশের উচ্চমানের ‘রেফারেল ফুড ল্যাবরেটরি’-তে পাঠানো হয়। তবে দ্বিতীয় দফার চূড়ান্ত পরীক্ষাতেও রেহাই মেলেনি। রেফারেল ল্যাবও আগের পরীক্ষাগারের রিপোর্টকে বহাল রেখে জানায় যে, এই মশলা খাদ্যের অনুপযোগী। গুণমান যাচাইয়ের দুই পরীক্ষাতেই ফেল করায় কালবিলম্ব না করে সংশ্লিষ্ট ব্যাচটি বাজার থেকে বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা হয় এবং ইতিমধ্যে বিক্রি হওয়া প্যাকেটগুলি ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।খাদ্য নিয়ামক সংস্থার এই পদক্ষেপে দেশজুড়ে গুঁড়ো মশলা ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এফএসএসএআই স্পষ্ট করেছে যে, এই নির্দেশিকাটি জিরেগুঁড়োর একটি নির্দিষ্ট ক্ষতিকারক ব্যাচের ওপরই প্রযোজ্য, বাজারে থাকা এভারেস্টের সমস্ত পণ্যের ওপর নয়। তা সত্ত্বেও খ্যাতনামী ব্র্যান্ডের মশলায় এমন বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতিতে রান্নার মশলার বিশুদ্ধতা ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত