25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized একটানা খাটুনিতে এবার দাঁড়ি! টানা ৫ ঘণ্টা কাজের পর বিশ্রামের নির্দেশিকা জারি মোদী সরকারের
Uncategorized

একটানা খাটুনিতে এবার দাঁড়ি! টানা ৫ ঘণ্টা কাজের পর বিশ্রামের নির্দেশিকা জারি মোদী সরকারের

Share
একটানা খাটুনিতে এবার দাঁড়ি! টানা ৫ ঘণ্টা কাজের পর বিশ্রামের নির্দেশিকা জারি মোদী সরকারের
প্রতীকী ছবি
Share

নয়াদিল্লি: বেসরকারি অফিস থেকে শুরু করে কলকারখানা — কর্মীদের একটানা খাটিয়ে নেওয়ার দিন এবার শেষ হতে চলেছে! কর্মক্ষেত্রে কর্মচারীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ করল মোদী সরকারের শ্রমমন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও সংস্থাই তাদের কর্মীদের দিয়ে বিশ্রাম ছাড়া একটানা ৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করাতে পারবে না। ৫ ঘণ্টা কাজ করার পর অন্তত ৩০ মিনিটের একটি বিরতি বা ব্রেক দেওয়া বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রের এই নতুন নির্দেশিকা ঘিরে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9299]

নতুন শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং দেশজুড়ে কর্মীদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝেই শ্রমমন্ত্রকের এই নয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হল। মূলত কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ আরও উন্নত ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে আগের বিধিমালাই আরও শক্তিশালী করা হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, কাজের মাঝের নির্দিষ্ট বিরতি কোনও বিলাসিতা নয়, বরং কর্মীদের আইনি অধিকার। একটানা দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে তৈরি হওয়া ক্লান্তি, মানসিক চাপ এবং তার জেরে কর্মক্ষেত্রে হওয়া দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতেই এই কড়া অবস্থান সরকারের।

[TECHTARANGA-POST:9284]

সাধারণ চাকুরিজীবী ও শ্রমিকদের পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ খনি শ্রমিকদের নিয়েও নিয়মাবলী আরও স্পষ্ট করেছে শ্রমমন্ত্রক। ঝুঁকিপূর্ণ এবং অত্যন্ত পরিশ্রমের ক্ষেত্র হওয়ার কারণে খনি শ্রমিকদের কাজের শিফট কোনওভাবেই যাতে ৮ ঘণ্টার বেশি না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পূর্ববর্তী শ্রম বিধিমালা এবং কারখানা আইনেই খনি শ্রমিকদের কাজের সময়কাল এবং বিশ্রামের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের কথা বলা ছিল, নতুন বিজ্ঞপ্তিতে তা পুনর্ব্যক্ত করা হল।

[TECHTARANGA-POST:9271]

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে যে নতুন শ্রম কোড বা আইনগুলি আনার প্রক্রিয়া চলছে, তার কিছু জায়গায় বিশ্রাম ও বিরতির বিশদ কাঠামো আগের মতো স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল না। এর ফলে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং কর্মীদের প্রতিনিধিদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, সরকার যদি আলাদা করে কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি না করে, তবে বহু মালিক বা সংস্থা এই বাধ্যতামূলক বিরতির নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখাতে পারে। শ্রমিকদের সেই আশঙ্কা দূর করতেই পুরনো কল্যাণমূলক সুরক্ষাগুলিকে আইনি সিলমোহর দিল কেন্দ্র।

[TECHTARANGA-POST:9202]

এখন দেখার, কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের এই কড়া নির্দেশিকা দেশের কর্পোরেট সেক্টর এবং কলকারখানাগুলি কতটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে! তবে, সরকারের এই পদক্ষেপে যে কোটি কোটি শ্রমজীবী মানুষ বড়সড় স্বস্তি পেলেন, তা বলাই বাহুল্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *