•
Home Top-News Flight Fare Hike: দিল্লি থেকে কলকাতা যাওয়ার বিমানভাড়া ১০ হাজার থেকে একলাফে ৭৮ হাজার! উৎসবের মরশুমে অগ্নিমূল্য টিকিটে মাথায় হাত যাত্রীদের
Top-Newsদেশ

Flight Fare Hike: দিল্লি থেকে কলকাতা যাওয়ার বিমানভাড়া ১০ হাজার থেকে একলাফে ৭৮ হাজার! উৎসবের মরশুমে অগ্নিমূল্য টিকিটে মাথায় হাত যাত্রীদের

Share
প্রতীকী ছবি
Share

নতুন দিল্লি: উৎসবের মরশুম ও দীপাবলি ঘনিয়ে আসতেই দেশে বিমান ভাড়া কার্যত আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে। সাধারণ সময়ে দিল্লি থেকে কলকাতা যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করলেও, আগামী ৬ নভেম্বরের জন্য সেই একই টিকিটের দাম পৌঁছে গিয়েছে আকাশছোঁয়া ৭৮,৬৯৪ টাকায়। শুধু দিল্লি-কলকাতা রুটেই নয়, দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটেও বিমানভাড়া স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে সাত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎসবের এই সময়ে আকস্মিক এমন ভাড়া বৃদ্ধিতে মধ্যবিত্ত যাত্রীদের মাথায় হাত পড়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জনস্বার্থ মামলা গড়িয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

মূলত কয়েকটি বিশেষ কারণে টিকিটের এই রেকর্ড দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথমত, পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জেট জ্বালানি বা এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিমান সংস্থাগুলির মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ থেকে ৬০ শতাংশই খরচ হয় জ্বালানির পিছনে। দ্বিতীয়ত, পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে ভারতীয় বিমানগুলিকে ঘুরপথে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে, যা জ্বালানি খরচ ও পরিচালন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ডায়নামিক প্রাইসিং পলিসি, যার ফলে চাহিদা বাড়লেই হু হু করে চড়ে বসে টিকিটের দাম। ফলস্বরূপ, দিল্লি-কলকাতা রুটে ভাড়া প্রায় ৬.৭ গুণ, মুম্বই-দিল্লি রুটে ৫.৩ গুণ এবং দিল্লি-আমেদাবাদ রুটে প্রায় ৩.৮ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: বিধিনিষেধ সত্ত্বেও বিষাক্ত বাতাস দিল্লি জুড়ে! দীপাবলির আগেই লাফিয়ে বাড়ল দূষণ, রেড অ্যালার্টের মুখে রাজধানী https://hiddenstories.news/2026/11/03/despite-restrictions-delhis-air-turns-toxic-pollution-spikes-before-diwali-capital-faces-red-alert/

এই লাগামছাড়া ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিকারে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। আবেদনকারীর আইনজীবী যুক্তি দেন যে, বিমান পরিষেবা অত্যন্ত জরুরি এবং এইভাবে ৭০০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া বৃদ্ধি সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। তবে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি অপারেশ কুমার সিংয়ের বেঞ্চ জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি করতে অস্বীকার করে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না এবং মূল মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে। ফলে উৎসবের আবহে বাড়তি ভাড়ার বোঝা মাথায় নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *