•
Home কলকাতা Calcutta University: কমতে পারে পুজোর ছুটি! পরীক্ষা চলাকালীনও নিতে হবে ক্লাস, কলেজ শিক্ষকদের জন্য কড়া নির্দেশিকা আনছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

Calcutta University: কমতে পারে পুজোর ছুটি! পরীক্ষা চলাকালীনও নিতে হবে ক্লাস, কলেজ শিক্ষকদের জন্য কড়া নির্দেশিকা আনছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

Share
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
Share

কলকাতা: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র সফল রূপায়ণ এবং পঠনপাঠনের মান উন্নত করতে এবার আমূল বদল আনতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন কলেজগুলিতে পড়াশোনার মান ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে একটি নতুন রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। সম্প্রতি কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে প্রায় ১৫০টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে একাধিক কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শোরগোল ফেলেছে পুজোর ছুটি কমানোর সম্ভাবনা এবং পরীক্ষা চলাকালীনও শিক্ষকদের ক্লাস নেওয়ার মতো নির্দেশিকা।

সেমেস্টার প্রথায় অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার কঠোরভাবে মেনে চলার উপরে বিশেষ জোর দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ উঠেছে, পুজোর মরসুমে দীর্ঘ দিন পঠনপাঠন বন্ধ থাকার ফলে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন পড়ুয়ারা। একেবারে পঞ্চমী থেকে ভাইফোঁটার পর পর্যন্ত লম্বা ছুটি বর্তমান সেমেস্টার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই সরকারি নির্দেশিকা আসার অপেক্ষা না করলে, বিশ্ববিদ্যালয় নিজের আইন ও বিধি পরিবর্তন করে পুজোর ছুটি কমাতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি না হলে লক্ষ্মীপুজোর পরেই কলেজগুলি খুলে দেওয়া হতে পারে এবং পরবর্তী উৎসবগুলির জন্য আলাদা ছুটির ব্যবস্থা করা হবে।

আরও পড়ুন:  দিল্লি থেকে কলকাতা যাওয়ার বিমানভাড়া ১০ হাজার থেকে একলাফে ৭৮ হাজার! উৎসবের মরশুমে অগ্নিমূল্য টিকিটে মাথায় হাত যাত্রীদের https://hiddenstories.news/2026/11/03/delhi-to-kolkata-flight-fare-jumps-from-10-thousand-to-78-thousand-passengers-in-distress-over-sky-high-ticket-prices-ahead-of-festive-season/

শুধু ছুটির কাটছাঁটই নয়, ক্লাসের সংখ্যা নিশ্চিত করতেও কড়া অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিজোড় সেমেস্টারের পরীক্ষার সময় জোড় সেমেস্টারের পঠনপাঠন কোনওভাবেই বন্ধ রাখা যাবে না। পরীক্ষার দিনগুলিতে ডিউটি শেষ করেই শিক্ষকদের ক্লাসে ফিরতে হবে, মাঝপথে কলেজ ছেড়ে বাড়ি চলে যাওয়া চলবে না। পাশাপাশি, চার বছরের অনার্স উইথ রিসার্চ কোর্স চালুর ক্ষেত্রেও কঠোর শর্ত চাপানো হয়েছে। ইউজিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিভাগে অন্তত দু’জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী স্থায়ী বা স্যাক্ট শিক্ষক না থাকলে ওই কোর্স চালু করা যাবে না। এমনকি উত্তরপত্র মূল্যায়নে গড়িমসি রুখতে নতুন পোর্টালের মাধ্যমে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিভাগ। সবমিলিয়ে, কলকাতার কলেজগুলিতে কড়াকড়ির কোপ যে পড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *