•
Home Top-News Birbaha Hansda: দুর্নীতি-জালে এবার বীরবাহাও? অজিত গ্রেফতার হতেই চাকরির প্রতারণায় কি খুলছে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’!
Top-Newsকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

Birbaha Hansda: দুর্নীতি-জালে এবার বীরবাহাও? অজিত গ্রেফতার হতেই চাকরির প্রতারণায় কি খুলছে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’!

Share
দুর্নীতি-জালে এবার বীরবাহাও। ফাইল ছবি
Share

ঝাড়গ্রাম: বনদফতরে স্থায়ী চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে চরম তোলপাড়। ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর অজিত মাহাত পুলিশি হেফাজতে যেতেই একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। আর সেই তদন্তের জাতেই এবার প্রকাশ্যে এল প্রাক্তন বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার নাম। অভিযুক্ত অজিত দাবি করেছিলেন, বীরবাহার মাধ্যমেই তিনি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। পুলিশ এখন পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে।

শুক্রবার রাতে ধৃত অজিত মাহাতকে সঙ্গে নিয়েই ঘোড়াধরায় তাঁর নিজস্ব বাসভবনে একটি জোরদার তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি ব্যাঙ্কের গুরুত্বপূর্ণ পাসবই এবং অন্যের নামে থাকা দু’টি বিলাসবহুল গাড়ির নথি উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া পাসবইগুলি ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে খোলা হয়েছিল। সোমবার এই সবকটি অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের সমস্ত বিবরণ (স্টেটমেন্ট) সংগ্রহ করে খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। পুলিশের দায়ের করা মূল এফআইআরে সরাসরি বীরবাহার নাম না থাকলেও, অজিতকে জেরার মুখেই প্রাক্তন মন্ত্রীর যোগাযোগের বিষয়টি উঠে আসে। উল্লেখ্য, বনমন্ত্রী থাকাকালীন বীরবাহার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া এবং উন্নয়ন পর্ষদের কাজের বরাতে নানা অনিয়মের অভিযোগ আগেই তুলেছিল বিরোধীরা।

ঘটনার সূত্রপাত বাছুরডোবার বাসিন্দা সজল দাস ও তাঁর বাবা লক্ষ্মীকান্ত দাসের দায়ের করা একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। তাঁদের দাবি, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে চার দফায় অজিত মাহাতকে মোট ১০ লক্ষ টাকা দেন তাঁরা। কিন্তু দীর্ঘ দিন কেটে গেলেও স্থায়ী চাকরি মেলেনি। উল্টে টাকা ফেরত চাইতে গেলে অজিত তাঁদের চরম হুমকি দেন এবং অতিরিক্ত আরও দুই লক্ষ টাকা দাবি করেন।

ঝাড়গ্রাম পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা গত বিধানসভা নির্বাচনে গোপীবল্লভপুরের তৃণমূল প্রার্থী অজিতকে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার আদালত তাঁকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা স্পষ্ট জানিয়েছেন, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে এই প্রতারণা চক্রের মূল শিকড়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। তবে এই পুরো বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য প্রাক্তন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *