কলকাতা: শিক্ষক সংকট এবং দেশজুড়ে চলা জনগণনার ঐতিহাসিক বিশাল কর্মকাণ্ডের জেরে বড়সড় বদল আসতে চলেছে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচিতে। পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, তা পিছিয়ে দেওয়ার জোরালো প্রস্তাব জমা পড়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি লালু দাস গত ২ নভেম্বর স্কুলশিক্ষা দফতরের কমিশনারের কাছে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন। আর এই প্রস্তাবের পরেই পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা।
পর্ষদ সূত্রে খবর, আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ। বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি চলবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। এই বিশাল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বহু শিক্ষক যুক্ত থাকবেন, যাঁদের কাঁধে থাকবে জনগণনার গুরুদায়িত্ব। যদি একই সময়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, তবে একদিকে যেমন শিক্ষকদের উপস্থিতির অভাবে পরীক্ষা পরিচালনা ও খাতা দেখা ব্যাহত হতে পারে, তেমনই অন্যদিকে শিক্ষক ব্যস্ততার কারণে থমকে যেতে পারে জনগণনার কাজও। দুই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও শিক্ষামূলক কাজের মধ্যে যাতে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: যতকাণ্ড এভারেস্টে! নামতে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের ধাক্কা, প্রাণ গেল ভারতীয় পর্যটকের https://hiddenstories.news/2026/11/03/two-helicopters-collide-in-nepal-near-everest-indian-national-killed-solukhumbu-heliport/
পর্ষদের নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে আগামী ২ মার্চ থেকে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু মাধ্যমিক পরীক্ষাই নয়, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কিংবা অন্যান্য প্রবেশিকা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার দিনগুলির সঙ্গে যাতে এই নতুন সূচির কোনো সংঘাত না ঘটে, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়েছে। পর্ষদের পাঠানো এই প্রস্তাবের কপি ইতিমধ্যেই স্কুলশিক্ষা দফতরের কাছে পৌঁছেছে এবং দপ্তর থেকে চূড়ান্ত সবুজ সংকেত মিললেই তবেই নতুন সূচি কার্যকর করা হবে। ফলে এখন লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর চোখ রয়েছে শিক্ষা দফতরের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।
Leave a comment