Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুলিশের ‘মৌখিক নির্দেশ’ নিয়ে মামলা খারিজ! মসজিদের মাইক নিয়ে কী বলল হাই কোর্ট?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
 পুলিশের ‘মৌখিক নির্দেশ’ নিয়ে মামলা খারিজ! মসজিদের মাইক নিয়ে কী বলল হাই কোর্ট?
ছবি সংগৃহীত

কলকাতাঃ মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাই খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশের কথিত মৌখিক নির্দেশ কিংবা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে এই ধরনের জনস্বার্থ মামলা চালানো যায় না।


মামলাটিতে রাজ্যের প্রায় চার হাজার মসজিদের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতের পর্যবেক্ষণ, এতগুলি মসজিদকে প্রভাবিত করার দাবি করা হলেও তাঁদের অধিকাংশকেই মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। ফলে জনস্বার্থ মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। মামলাকারীর অভিযোগের মূল ভিত্তি ছিল বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ আদালতে এসে সেই অভিযোগের সরাসরি বক্তব্য দেননি। এই কারণগুলিও মামলাটি খারিজের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মামলা খারিজ হওয়ার পর মসজিদ কর্তৃপক্ষের হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্দিষ্ট শব্দসীমা মেনে মসজিদে মাইকে আজান দেওয়া যাবে। যেসব জায়গা থেকে মাইক খুলে নেওয়া হয়েছিল, সেখানেও ফের মাইক লাগানো সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।


তবে মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে শব্দদূষণ সংক্রান্ত নির্ধারিত নিয়ম মানতেই হবে। অর্থাৎ, আজান দেওয়ার অনুমতি থাকলেও নির্দিষ্ট ডেসিবেল সীমা অতিক্রম করা যাবে না। কল্যাণের আরও দাবি, শুধুমাত্র পুলিশের মৌখিক নির্দেশের ভিত্তিতে কোনও মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া যায় না। এই বিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণের পর পরবর্তী সময়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই এখন দেখার।

বিষয় : WestBengalPolitics CalcuttaHighCourt kalyanbanerjee courtnews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


পুলিশের ‘মৌখিক নির্দেশ’ নিয়ে মামলা খারিজ! মসজিদের মাইক নিয়ে কী বলল হাই কোর্ট?

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাই খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশের কথিত মৌখিক নির্দেশ কিংবা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে এই ধরনের জনস্বার্থ মামলা চালানো যায় না।মামলাটিতে রাজ্যের প্রায় চার হাজার মসজিদের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতের পর্যবেক্ষণ, এতগুলি মসজিদকে প্রভাবিত করার দাবি করা হলেও তাঁদের অধিকাংশকেই মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। ফলে জনস্বার্থ মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। মামলাকারীর অভিযোগের মূল ভিত্তি ছিল বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ আদালতে এসে সেই অভিযোগের সরাসরি বক্তব্য দেননি। এই কারণগুলিও মামলাটি খারিজের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মামলা খারিজ হওয়ার পর মসজিদ কর্তৃপক্ষের হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্দিষ্ট শব্দসীমা মেনে মসজিদে মাইকে আজান দেওয়া যাবে। যেসব জায়গা থেকে মাইক খুলে নেওয়া হয়েছিল, সেখানেও ফের মাইক লাগানো সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।তবে মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে শব্দদূষণ সংক্রান্ত নির্ধারিত নিয়ম মানতেই হবে। অর্থাৎ, আজান দেওয়ার অনুমতি থাকলেও নির্দিষ্ট ডেসিবেল সীমা অতিক্রম করা যাবে না। কল্যাণের আরও দাবি, শুধুমাত্র পুলিশের মৌখিক নির্দেশের ভিত্তিতে কোনও মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া যায় না। এই বিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণের পর পরবর্তী সময়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই এখন দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত