বীরভূমঃ গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকারি উদ্যোগে বীরভূমে তৈরি হয়েছিল পাঁচটি কর্মতীর্থ হাট। উদ্দেশ্য ছিল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পী, তাঁতি এবং স্থানীয় কারিগরদের জন্য স্থায়ী বাজার তৈরি করা। কিন্তু সেই লক্ষ্য কতটা পূরণ হয়েছে, তা নিয়েই এবার উঠল বড় প্রশ্ন।
সম্প্রতি প্রকাশিত ক্যাগের রিপোর্ট অনুযায়ী, শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট সংলগ্ন এলাকা, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর এবং রামপুরহাটের কর্মতীর্থগুলিতে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ২০১৭-১৮ সালে কর্মতীর্থ প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় শিল্প ও পণ্যের জন্য স্থায়ী বিপণন ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আয় বৃদ্ধিও ছিল অন্যতম লক্ষ্য। কিন্তু বাস্তবে সেই উদ্দেশ্য পূরণে একাধিক ঘাটতি রয়েছে বলে রিপোর্টে দেখা গিয়েছে। কর্মতীর্থগুলির আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ক্যাগ। রিপোর্টে অভিযোগ, কর্মতীর্থ থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার কোনও অংশ সরকারি তহবিলে জমা পড়েনি।
অভিযোগ, যে প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ শিল্পী ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির জন্য বাজার তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেই কর্মতীর্থগুলিরই একাধিক জায়গায় ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি হয়নি। পাশাপাশি আর্থিক হিসাব নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। যদিও জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, সরকারি অর্থের কোনও গরমিল বা দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখাই ক্যাগের কাজ।
বিষয় : RURALECONOMY handicrafts birbhum karmatirtha

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন