Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কলেজের গভর্নিং বডিতে নতুন সমীকরণ! দায়িত্বে এবার বিধায়ক-সাংসদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬
 কলেজের গভর্নিং বডিতে নতুন সমীকরণ! দায়িত্বে এবার বিধায়ক-সাংসদ

কলকাতাঃ শিক্ষাঙ্গণ থেকে রাজনীতির প্রভাব সরানোর কথা বলেই কলেজের গভর্নিং বডি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। বসানো হয়েছিল প্রশাসক। এবার সেই প্রশাসকদেরও সরিয়ে কলেজের গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট পদে বিধায়ক ও সাংসদদের বসানোর সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। শনিবার শিক্ষাদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের তালিকাও।

বাম আমলে অভিযোগ ছিল, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের প্রভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। সরকার বদলের পর তৃণমূল আমলেও শিক্ষাঙ্গণে দলীয় রাজনীতির প্রভাব নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকার সরকার পোষিত স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবর্তে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছিলেন, গভর্নিং বডিতে রাজনৈতিক প্রতিনিধি রাখা হবে না। উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রাখা। কিন্তু এবার সেই অবস্থানেই বদল। শনিবার শিক্ষাদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও সরকার পোষিত কলেজের গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট পদে থাকবেন বিধায়ক অথবা সাংসদ। প্রকাশিত তালিকায় থাকা জনপ্রতিনিধিরা সকলেই বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত।

এমনকি নিজের বিধানসভা বা লোকসভা এলাকার বাইরের একাধিক কলেজের দায়িত্বও পেয়েছেন কয়েকজন বিধায়ক ও সাংসদ। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গণকে দূরে রাখার কথা বলেই যদি গভর্নিং বডির মাথায় বসানো হয় জনপ্রতিনিধিদের, তাহলে বদলটা কোথায়?

বিষয় : MLA collegegoverningbody college politics education system

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬


কলেজের গভর্নিং বডিতে নতুন সমীকরণ! দায়িত্বে এবার বিধায়ক-সাংসদ

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ শিক্ষাঙ্গণ থেকে রাজনীতির প্রভাব সরানোর কথা বলেই কলেজের গভর্নিং বডি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। বসানো হয়েছিল প্রশাসক। এবার সেই প্রশাসকদেরও সরিয়ে কলেজের গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট পদে বিধায়ক ও সাংসদদের বসানোর সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। শনিবার শিক্ষাদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের তালিকাও।বাম আমলে অভিযোগ ছিল, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের প্রভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। সরকার বদলের পর তৃণমূল আমলেও শিক্ষাঙ্গণে দলীয় রাজনীতির প্রভাব নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকার সরকার পোষিত স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবর্তে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছিলেন, গভর্নিং বডিতে রাজনৈতিক প্রতিনিধি রাখা হবে না। উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রাখা। কিন্তু এবার সেই অবস্থানেই বদল। শনিবার শিক্ষাদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও সরকার পোষিত কলেজের গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট পদে থাকবেন বিধায়ক অথবা সাংসদ। প্রকাশিত তালিকায় থাকা জনপ্রতিনিধিরা সকলেই বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত।এমনকি নিজের বিধানসভা বা লোকসভা এলাকার বাইরের একাধিক কলেজের দায়িত্বও পেয়েছেন কয়েকজন বিধায়ক ও সাংসদ। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গণকে দূরে রাখার কথা বলেই যদি গভর্নিং বডির মাথায় বসানো হয় জনপ্রতিনিধিদের, তাহলে বদলটা কোথায়?

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত