Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

টাকা চুরির মেগা হাবে পরিণত হয়েছিল শৌচাগার! রাম মন্দিরে ঠিক কোন সময়ে চলত দেদার লুঠপাট? খোলসা করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬
টাকা চুরির মেগা হাবে পরিণত হয়েছিল শৌচাগার! রাম মন্দিরে ঠিক কোন সময়ে চলত দেদার লুঠপাট? খোলসা করল পুলিশ
ছবি সংগৃহীত

অযোধ্যা: অযোধ্যার ঐতিহ্যবাহী রাম মন্দিরের দান বাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা চুরির ঘটনায় এবার সামনে এল এক হাড়হিম করা ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তের গভীরে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই দফায় দফায় টাকা চুরি হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু জালিয়াতির সমস্ত রেকর্ড ভেঙে যায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে। ওই সময়ে এলাহাবাদে আয়োজিত ‘মহাকুম্ভ মেলা’ চলাকালীনই রাম মন্দিরে সবথেকে বেশি টাকা লুঠ করেছিল ধৃত ঠগবাজরা। পুণ্যার্থীদের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকার অনুদান যেভাবে মন্দিরের ভেতর থেকেই গায়েব করে দেওয়া হয়েছিল, তা শুনে তাজ্জব বনে গিয়েছেন দুঁদে গোয়েন্দারাও।


অযোধ্যা পুলিশ জানিয়েছে, কুম্ভ মেলার সময়ে রাম মন্দিরে দেশের কোণ কোণ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই সেই সময়ে মন্দিরের দান বাক্সগুলিতে নগদ ও মূল্যবান সামগ্রীর বিপুল জোয়ার আসে। আর ঠিক এই মোক্ষম সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়েছিল মন্দিরের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা চোরচক্রটি। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) এই মেগা কেলেঙ্কারিতে এখনও পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প শুক্লা, লভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর ওরফে টিন্নু যাদবকে ম্যারাথন জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি আড়াল করতে এরা একে অপরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত। অত্যন্ত চতুরতার সাথে দান বাক্স থেকে টাকা সরিয়ে তা সাময়িকভাবে মন্দির চত্বরের বাথরুম বা ওয়াশরুমে লুকিয়ে রাখা হতো, যা পরবর্তীতে বাইরে পাচার হতো।


তদন্তকারী অফিসারদের অনুমান, রাম মন্দিরের দান বাক্স থেকে সব মিলিয়ে আনুমানিক প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা চুরি করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে লভকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র মূলত এই চুরির টাকায় ফুলেফেঁপে উঠে বিপুল বেনামি সম্পত্তি তৈরি করেছিল। পুলিশ ইতিমধ্যেই ছয়টি জায়গায় এদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। চক্রের অন্যতম পাণ্ডা অবিনাশ শুক্লার বাড়ি ও যোগা সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে ৫৮ লক্ষ টাকা এবং কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় মন্দিরের ৪টি চুরি যাওয়া দান বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে।

 উনি সাক্ষাৎ দেবদূত! ট্রাম্পের মুখে মোদী বন্দনা

একই সাথে টাকা মিলেছে টিন্নু যাদবের ডেরা থেকেও। এই বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা দেখতে এবার ময়দানে নামছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। টাকা গোনার দায়িত্বে থাকা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-র কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ধৃতদের সমস্ত আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির চুলচেরা হিসাব করতে কেন্দ্রীয় আয়কর বিভাগের সাহায্য নিচ্ছে অযোধ্যা পুলিশ।

বিষয় : edinvestigation rammandirtheft AYODHYACASE KUMBHAMELA2025

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


টাকা চুরির মেগা হাবে পরিণত হয়েছিল শৌচাগার! রাম মন্দিরে ঠিক কোন সময়ে চলত দেদার লুঠপাট? খোলসা করল পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image
অযোধ্যা: অযোধ্যার ঐতিহ্যবাহী রাম মন্দিরের দান বাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা চুরির ঘটনায় এবার সামনে এল এক হাড়হিম করা ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তের গভীরে গিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই দফায় দফায় টাকা চুরি হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু জালিয়াতির সমস্ত রেকর্ড ভেঙে যায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে। ওই সময়ে এলাহাবাদে আয়োজিত ‘মহাকুম্ভ মেলা’ চলাকালীনই রাম মন্দিরে সবথেকে বেশি টাকা লুঠ করেছিল ধৃত ঠগবাজরা। পুণ্যার্থীদের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকার অনুদান যেভাবে মন্দিরের ভেতর থেকেই গায়েব করে দেওয়া হয়েছিল, তা শুনে তাজ্জব বনে গিয়েছেন দুঁদে গোয়েন্দারাও।অযোধ্যা পুলিশ জানিয়েছে, কুম্ভ মেলার সময়ে রাম মন্দিরে দেশের কোণ কোণ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই সেই সময়ে মন্দিরের দান বাক্সগুলিতে নগদ ও মূল্যবান সামগ্রীর বিপুল জোয়ার আসে। আর ঠিক এই মোক্ষম সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়েছিল মন্দিরের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা চোরচক্রটি। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) এই মেগা কেলেঙ্কারিতে এখনও পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প শুক্লা, লভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর ওরফে টিন্নু যাদবকে ম্যারাথন জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি আড়াল করতে এরা একে অপরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত। অত্যন্ত চতুরতার সাথে দান বাক্স থেকে টাকা সরিয়ে তা সাময়িকভাবে মন্দির চত্বরের বাথরুম বা ওয়াশরুমে লুকিয়ে রাখা হতো, যা পরবর্তীতে বাইরে পাচার হতো।তদন্তকারী অফিসারদের অনুমান, রাম মন্দিরের দান বাক্স থেকে সব মিলিয়ে আনুমানিক প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা চুরি করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে লভকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র মূলত এই চুরির টাকায় ফুলেফেঁপে উঠে বিপুল বেনামি সম্পত্তি তৈরি করেছিল। পুলিশ ইতিমধ্যেই ছয়টি জায়গায় এদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। চক্রের অন্যতম পাণ্ডা অবিনাশ শুক্লার বাড়ি ও যোগা সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে ৫৮ লক্ষ টাকা এবং কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় মন্দিরের ৪টি চুরি যাওয়া দান বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে। উনি সাক্ষাৎ দেবদূত! ট্রাম্পের মুখে মোদী বন্দনাএকই সাথে টাকা মিলেছে টিন্নু যাদবের ডেরা থেকেও। এই বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা দেখতে এবার ময়দানে নামছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। টাকা গোনার দায়িত্বে থাকা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-র কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ধৃতদের সমস্ত আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির চুলচেরা হিসাব করতে কেন্দ্রীয় আয়কর বিভাগের সাহায্য নিচ্ছে অযোধ্যা পুলিশ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার