Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সমুদ্রের বুকে উধাও ট্রলার! ১৫ মৎস্যজীবীকে নিয়ে হুলুস্থুল দিঘার উপকূলে, ময়দানে কোস্ট গার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬
সমুদ্রের বুকে উধাও ট্রলার! ১৫ মৎস্যজীবীকে নিয়ে হুলুস্থুল দিঘার উপকূলে, ময়দানে কোস্ট গার্ড
ছবি সংগৃহীত

দীঘা: গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেল ১৫ জন মৎস্যজীবী-সহ একটি গোটা ট্রলার। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ চেষ্টা করেও ট্রলারটির সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের শংকরপুর মৎস্যবন্দরের কাছে। সময় যত গড়াচ্ছে, নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবার এবং ট্রলার মালিকের বুকের ভেতর আশঙ্কার মেঘ ততটাই ঘনীভূত হচ্ছে। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) এবং উপকূল থানার পুলিশ। বুধবার রাতেই থমথমে শংকরপুর মৎস্যবন্দরে সশরীরে পৌঁছে যান রাজ্যের মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো এবং জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা। তাঁরা নিখোঁজ পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করে সমস্ত রকমের প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ ট্রলারটির নাম ‘মা কালী’। রামনগর থানার দেউলিবাংলা এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ বেরা এই ট্রলারটির মালিক। চলতি জুলাই মাসের একদম শুরুতেই ইলিশ ও অন্যান্য মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘মা কালী’। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রলারটির মৎস্যবন্দরে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিন পার হয়ে গেলেও বন্দরে ট্রলারের দেখা মেলেনি। এরপর ট্রলারে থাকা ওয়্যারলেস বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করার আপ্রাণ চেষ্টা করা হলেও ওপার থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। ১৫ জন মৎস্যজীবীর কারও সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় মৎস্যজীবী মহলে।


তারাপীঠে পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার


পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি বিষয়টি জানানো হয় শংকরপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনকে। সংগঠনের সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন নায়ক জানান, তাঁরা ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন ও বিধায়কের পাশাপাশি ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীকে নিখোঁজ ট্রলারটির জিপিএস লোকেশন ট্র্যাক করার অনুরোধ জানিয়েছেন। মৎস্যজীবী সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরাসরি হস্তক্ষেপেরও আবেদন জানানো হয়েছে। জেলা মৎস্য অধিকর্তা সুমন সাহা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, কোস্ট গার্ড এবং উপকূল থানার পুলিশ যৌথভাবে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। পাশাপাশি, এই মুহূর্তে গভীর সমুদ্রে থাকা অন্যান্য সমস্ত ট্রলারগুলিকেও সতর্ক বার্তা পাঠানো হয়েছে, যাতে তারা 'মা কালী' ট্রলারটির কোনও হদিশ পেলে তড়িঘড়ি প্রশাসনকে জানায়।

বিষয় : rescueoperation shnakarpur missingfisherman coastguard

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


সমুদ্রের বুকে উধাও ট্রলার! ১৫ মৎস্যজীবীকে নিয়ে হুলুস্থুল দিঘার উপকূলে, ময়দানে কোস্ট গার্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
দীঘা: গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেল ১৫ জন মৎস্যজীবী-সহ একটি গোটা ট্রলার। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ চেষ্টা করেও ট্রলারটির সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের শংকরপুর মৎস্যবন্দরের কাছে। সময় যত গড়াচ্ছে, নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবার এবং ট্রলার মালিকের বুকের ভেতর আশঙ্কার মেঘ ততটাই ঘনীভূত হচ্ছে। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) এবং উপকূল থানার পুলিশ। বুধবার রাতেই থমথমে শংকরপুর মৎস্যবন্দরে সশরীরে পৌঁছে যান রাজ্যের মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো এবং জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা। তাঁরা নিখোঁজ পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করে সমস্ত রকমের প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ ট্রলারটির নাম ‘মা কালী’। রামনগর থানার দেউলিবাংলা এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ বেরা এই ট্রলারটির মালিক। চলতি জুলাই মাসের একদম শুরুতেই ইলিশ ও অন্যান্য মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘মা কালী’। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রলারটির মৎস্যবন্দরে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিন পার হয়ে গেলেও বন্দরে ট্রলারের দেখা মেলেনি। এরপর ট্রলারে থাকা ওয়্যারলেস বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করার আপ্রাণ চেষ্টা করা হলেও ওপার থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। ১৫ জন মৎস্যজীবীর কারও সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় মৎস্যজীবী মহলে।তারাপীঠে পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারপরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি বিষয়টি জানানো হয় শংকরপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনকে। সংগঠনের সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন নায়ক জানান, তাঁরা ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন ও বিধায়কের পাশাপাশি ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীকে নিখোঁজ ট্রলারটির জিপিএস লোকেশন ট্র্যাক করার অনুরোধ জানিয়েছেন। মৎস্যজীবী সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরাসরি হস্তক্ষেপেরও আবেদন জানানো হয়েছে। জেলা মৎস্য অধিকর্তা সুমন সাহা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, কোস্ট গার্ড এবং উপকূল থানার পুলিশ যৌথভাবে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। পাশাপাশি, এই মুহূর্তে গভীর সমুদ্রে থাকা অন্যান্য সমস্ত ট্রলারগুলিকেও সতর্ক বার্তা পাঠানো হয়েছে, যাতে তারা 'মা কালী' ট্রলারটির কোনও হদিশ পেলে তড়িঘড়ি প্রশাসনকে জানায়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার