Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দলবদলের পরেই রাজ্যসভার টিকিট! তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে নিয়ে বড় সাফাই দিলীপ ঘোষের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬
দলবদলের পরেই রাজ্যসভার টিকিট! তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে নিয়ে বড় সাফাই দিলীপ ঘোষের
ফাইল ছবি

কলকাতা: দলবদলের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যসভার টিকিট! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইকের বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ঘটনা বঙ্গ রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। বিজেপির অন্দরে যখন ‘তৃণমূলীকরণ’ নিয়ে অস্বস্তির সুর শোনা যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সমালোচকদের চুপ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করলেন, কেন এই তিন নেতাকে ফের রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি।


২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই দলের অন্দরে বিদ্রোহ দানা বেঁধেছিল। সেই ডামাডোলের মধ্যেই সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপির সদর দপ্তরে গিয়ে নাম লিখিয়েছিলেন। দলবদলের সেই রাতেই তাঁদের তিনজনকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আগামী ২৪ জুলাই ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারিত থাকলেও, অঙ্ক বলছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁদের জয় একপ্রকার নিশ্চিত। অর্থাৎ প্রতীক বদলালেও, সংসদের উচ্চকক্ষে তাঁদের জায়গা আপাতত অটুট থাকছে।


এই ঘটনাকে ঘিরে দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে যখন দ্বিধা ও সমালোচনা চলছে, তখন দিলীপ ঘোষ কিছুটা কৌশলী ভঙ্গিতেই ব্যাখা দিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, তাঁরা সাংসদ ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও সাংসদ হিসেবেই দেশের সেবা করতে চান। পাশাপাশি তাঁদের আগ্রহের কথা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন। দিলীপবাবুর মতে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা নেই, তাই পুরোনো তিক্ততা ভুলে তাঁদের কাজের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। দলের অন্দরের ক্ষোভ প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, আমাদের রাজ্যসভায় অভিজ্ঞ লোক প্রয়োজন, তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা অত্যন্ত ভেবেচিন্তেই নিয়েছেন। কর্মীদের এনিয়ে বেশি মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এখন দেখার, ঘাসফুল থেকে আসা এই তিন নতুন মুখ পদ্মশিবিরের অন্দরে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পান এবং তাঁদের এই নিয়োগ পরবর্তী সময়ে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কোনো প্রভাব ফেলে কি না।

বিষয় : BengalPolitics BJPWestBengal rajyasabhaelection politicalswitch

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


দলবদলের পরেই রাজ্যসভার টিকিট! তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে নিয়ে বড় সাফাই দিলীপ ঘোষের

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দলবদলের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যসভার টিকিট! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইকের বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ঘটনা বঙ্গ রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। বিজেপির অন্দরে যখন ‘তৃণমূলীকরণ’ নিয়ে অস্বস্তির সুর শোনা যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সমালোচকদের চুপ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করলেন, কেন এই তিন নেতাকে ফের রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি।২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই দলের অন্দরে বিদ্রোহ দানা বেঁধেছিল। সেই ডামাডোলের মধ্যেই সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপির সদর দপ্তরে গিয়ে নাম লিখিয়েছিলেন। দলবদলের সেই রাতেই তাঁদের তিনজনকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আগামী ২৪ জুলাই ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারিত থাকলেও, অঙ্ক বলছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁদের জয় একপ্রকার নিশ্চিত। অর্থাৎ প্রতীক বদলালেও, সংসদের উচ্চকক্ষে তাঁদের জায়গা আপাতত অটুট থাকছে।এই ঘটনাকে ঘিরে দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে যখন দ্বিধা ও সমালোচনা চলছে, তখন দিলীপ ঘোষ কিছুটা কৌশলী ভঙ্গিতেই ব্যাখা দিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, তাঁরা সাংসদ ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও সাংসদ হিসেবেই দেশের সেবা করতে চান। পাশাপাশি তাঁদের আগ্রহের কথা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন। দিলীপবাবুর মতে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা নেই, তাই পুরোনো তিক্ততা ভুলে তাঁদের কাজের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। দলের অন্দরের ক্ষোভ প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, আমাদের রাজ্যসভায় অভিজ্ঞ লোক প্রয়োজন, তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা অত্যন্ত ভেবেচিন্তেই নিয়েছেন। কর্মীদের এনিয়ে বেশি মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এখন দেখার, ঘাসফুল থেকে আসা এই তিন নতুন মুখ পদ্মশিবিরের অন্দরে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পান এবং তাঁদের এই নিয়োগ পরবর্তী সময়ে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কোনো প্রভাব ফেলে কি না।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার