Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলায় চন্দননগরের আলোর ম্যাজিক! শুভেন্দু-সরকারের মেগা সিদ্ধান্তে মুখে হাসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬
তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলায় চন্দননগরের আলোর ম্যাজিক! শুভেন্দু-সরকারের মেগা সিদ্ধান্তে মুখে হাসি
শ্রাবণী মেলায় চন্দননগরের আলোর ম্যাজিক। ছবি-সংগৃহীত

তারকেশ্বর: বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবে নতুন ছোঁয়া দিতে দেখা যাচ্ছে বর্তমান সরকারকে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো লাখো শিবভক্তের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের তরফে প্রথমবার এই মেলাকে জাতীয় উৎসবের মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি গোটা মন্দির চত্বর ও সংলগ্ন এলাকাকে চন্দননগরের বিশ্বখ্যাত আলোক সজ্জায় মুড়ে ফেলার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেলা উপলক্ষে তারকেশ্বরে থাকছে বিশেষ লেজার শো এবং চোখধাঁধানো আলোর রোশনাই। রাজ্য সরকারের এই মেগা উদ্যোগে পুজোর মরশুমের আগেই বিপুল আলোর বরাত পেয়ে খুশির হাওয়া চন্দননগরের আলোক শিল্পীদের ঘরে।

কয়েক দফায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেছিলেন, তারকেশ্বরের মন্দির ও ভক্তদের যাতায়াতের মূল রাস্তা চন্দননগরের আলো দিয়েই সাজানো হবে। সেই নির্দেশ মতোই বৈদ্যবাটির নিমাই তীর্থ ঘাট থেকে তারকেশ্বর মন্দির পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তা জুড়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আলোক সজ্জার কাজ। আলোক শিল্পী মনোজ সাহা জানিয়েছেন, কলকাতার একটি ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে তাঁরা এই কাজ ভাগ করে নিয়েছেন। কৈকালা থেকে তারকেশ্বর মন্দির পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তার দুধারের গাছ ও মন্দির চত্বর এলইডি আলোয় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। আলোক গেটগুলিতে থাকছে সুদৃশ্য মন্দিরের আদল, শিবের মূর্তি-সহ হরেক রকমের নান্দনিক ডিজাইন।

জগদ্ধাত্রী পুজোর পর সাধারণত চন্দননগরের আলোক শিল্পীদের হাতে তেমন বড় কোনো কাজ থাকে না, ফলে দুর্গাপুজোর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁদের কার্যত বসে থাকতে হতো। তবে শ্রাবণী মেলার এই বিপুল সরকারি বরাত অকাল মরশুমেই শিল্পীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। শিল্পী জয়ন্ত দাস ও দীপক সাউরা নতুন সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, পূর্বতন সরকারের আমলে তাঁরা এমন সুযোগ পাননি, তবে নতুন সরকারের ওপর তাঁরা আশাবাদী। ইতিমধ্যেই ৮ ও ১২ ফুটের ত্রিশূল, ডমরু এবং কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে ৪টি বিশালাকার আলোর গেট তৈরির কাজ প্রায় শেষের মুখে। তবে শিল্পীদের একাংশের দাবি, আগামী দিনে কোনো এজেন্সির মাধ্যমে না করে সরাসরি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে আলোর বরাত দেওয়া হলে আরও বেশি সংখ্যক শিল্পী এই কাজের সুযোগ পাবেন ও উপকৃত হবেন।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : SuvenduAdhikari HiddenStoriesNews AgnimitraPaul Tarakeswar ChandannagarLights SrabaniMela2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬


তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলায় চন্দননগরের আলোর ম্যাজিক! শুভেন্দু-সরকারের মেগা সিদ্ধান্তে মুখে হাসি

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬

featured Image
তারকেশ্বর: বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবে নতুন ছোঁয়া দিতে দেখা যাচ্ছে বর্তমান সরকারকে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো লাখো শিবভক্তের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের তরফে প্রথমবার এই মেলাকে জাতীয় উৎসবের মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি গোটা মন্দির চত্বর ও সংলগ্ন এলাকাকে চন্দননগরের বিশ্বখ্যাত আলোক সজ্জায় মুড়ে ফেলার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেলা উপলক্ষে তারকেশ্বরে থাকছে বিশেষ লেজার শো এবং চোখধাঁধানো আলোর রোশনাই। রাজ্য সরকারের এই মেগা উদ্যোগে পুজোর মরশুমের আগেই বিপুল আলোর বরাত পেয়ে খুশির হাওয়া চন্দননগরের আলোক শিল্পীদের ঘরে।কয়েক দফায় প্রশাসনিক বৈঠকের পর পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেছিলেন, তারকেশ্বরের মন্দির ও ভক্তদের যাতায়াতের মূল রাস্তা চন্দননগরের আলো দিয়েই সাজানো হবে। সেই নির্দেশ মতোই বৈদ্যবাটির নিমাই তীর্থ ঘাট থেকে তারকেশ্বর মন্দির পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তা জুড়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আলোক সজ্জার কাজ। আলোক শিল্পী মনোজ সাহা জানিয়েছেন, কলকাতার একটি ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে তাঁরা এই কাজ ভাগ করে নিয়েছেন। কৈকালা থেকে তারকেশ্বর মন্দির পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তার দুধারের গাছ ও মন্দির চত্বর এলইডি আলোয় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। আলোক গেটগুলিতে থাকছে সুদৃশ্য মন্দিরের আদল, শিবের মূর্তি-সহ হরেক রকমের নান্দনিক ডিজাইন।জগদ্ধাত্রী পুজোর পর সাধারণত চন্দননগরের আলোক শিল্পীদের হাতে তেমন বড় কোনো কাজ থাকে না, ফলে দুর্গাপুজোর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁদের কার্যত বসে থাকতে হতো। তবে শ্রাবণী মেলার এই বিপুল সরকারি বরাত অকাল মরশুমেই শিল্পীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। শিল্পী জয়ন্ত দাস ও দীপক সাউরা নতুন সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, পূর্বতন সরকারের আমলে তাঁরা এমন সুযোগ পাননি, তবে নতুন সরকারের ওপর তাঁরা আশাবাদী। ইতিমধ্যেই ৮ ও ১২ ফুটের ত্রিশূল, ডমরু এবং কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে ৪টি বিশালাকার আলোর গেট তৈরির কাজ প্রায় শেষের মুখে। তবে শিল্পীদের একাংশের দাবি, আগামী দিনে কোনো এজেন্সির মাধ্যমে না করে সরাসরি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে আলোর বরাত দেওয়া হলে আরও বেশি সংখ্যক শিল্পী এই কাজের সুযোগ পাবেন ও উপকৃত হবেন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার