শিল্প-বাণিজ্যের উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই বার্তা দিয়েই মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে ‘অরণ্য সপ্তাহ’-এর সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে নিজের হাতে গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক।
মঙ্গলবার থেকেই শুরু হল ‘অরণ্য সপ্তাহ’, যা চলবে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত। এই উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতার একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বনদপ্তরের উদ্যোগে এদিন স্কুলপড়ুয়াদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ চারাগাছ। ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ রক্ষার কাজে নতুন প্রজন্মকে শামিল করাই প্রধান উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই বাংলাতেও বৃক্ষরোপণকে গণআন্দোলনের রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘বাংলাকে আরও সবুজ করে তুলতে হবে। পরিবেশ বাঁচাতে যত বেশি সম্ভব গাছ লাগানো প্রয়োজন।’’ বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী একটি বিশেষ পরামর্শও দেন। তিনি বলেন, ‘‘বজ্রপাতের ঘটনা থেকে বাঁচতে বেশি করে নারকেল গাছ লাগান।’’ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গাছের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এদিন বনদপ্তরের কাজেরও প্রশংসা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, দপ্তরে কর্মীর ঘাটতি রয়েছে এবং সেই শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। তাঁর বক্তব্য, বনদপ্তরের নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যজুড়ে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে এবং আগামী দিনে পরিবেশ সংরক্ষণকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে সরকার। তাঁর কথায়, উন্নয়ন ও পরিবেশ দু'টিকেই সমান গুরুত্ব দিয়েই এগোতে চায় বাংলা।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন