Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘আমার জেলযাত্রার জন্য অভিষেক দায়ী’, ঋত-তৃণমূলে পা রেখেই বিস্ফোরক অনুব্রত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬
‘আমার জেলযাত্রার জন্য অভিষেক দায়ী’, ঋত-তৃণমূলে পা রেখেই বিস্ফোরক অনুব্রত
ছবি সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নীরবতা ভেঙে এবার সরাসরি মুখ খুললেন অনুব্রত মণ্ডল। ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর প্রথম বড় রাজনৈতিক মঞ্চে দাঁড়িয়েই একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের কেষ্ট। তাঁর নিশানায় এবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।


বুধবার গোলপার্কে ঋত-তৃণমূলের বৈঠকে উপস্থিত হন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেখানেই গরুপাচার মামলায় তাঁর জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। অনুব্রতের অভিযোগ, তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল এবং এর পিছনে দায়ী ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই বছর জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফিরলেও তৃণমূলে আগের মতো জায়গা পাননি কেষ্ট। বীরভূমের সংগঠনে তাঁর একচ্ছত্র প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে থাকে। দলের তরফে তৈরি হয় কোর কমিটি, যেখানে অনুব্রতকে রাখা হলেও একক ক্ষমতা আর ছিল না তাঁর হাতে। অনুব্রতের দাবি, একসময় বীরভূম থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব আয় হত। পাশাপাশি কয়লা সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এরপরই তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিস্ফোরক ভবিষ্যদ্বাণী করেন কেষ্ট। তাঁর দাবি, আগামী দিনে তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে এবং দলে আর কেউ থাকবে না। 


একসময় বীরভূমে তৃণমূলের সংগঠনের প্রধান মুখ ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের সময় জেলার রাশ তাঁর হাতেই থাকত। কিন্তু গরুপাচার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। ২০২৬-এর ভোটের পর সেই দূরত্ব প্রকাশ্যে আসে। শেষ পর্যন্ত ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে ফের বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান অনুব্রত। আর দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বড় বৈঠকেই তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।

বিষয় : Abhishek Banerjee Anubrata Mondal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


‘আমার জেলযাত্রার জন্য অভিষেক দায়ী’, ঋত-তৃণমূলে পা রেখেই বিস্ফোরক অনুব্রত

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নীরবতা ভেঙে এবার সরাসরি মুখ খুললেন অনুব্রত মণ্ডল। ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর প্রথম বড় রাজনৈতিক মঞ্চে দাঁড়িয়েই একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের কেষ্ট। তাঁর নিশানায় এবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার গোলপার্কে ঋত-তৃণমূলের বৈঠকে উপস্থিত হন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেখানেই গরুপাচার মামলায় তাঁর জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। অনুব্রতের অভিযোগ, তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল এবং এর পিছনে দায়ী ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই বছর জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফিরলেও তৃণমূলে আগের মতো জায়গা পাননি কেষ্ট। বীরভূমের সংগঠনে তাঁর একচ্ছত্র প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে থাকে। দলের তরফে তৈরি হয় কোর কমিটি, যেখানে অনুব্রতকে রাখা হলেও একক ক্ষমতা আর ছিল না তাঁর হাতে। অনুব্রতের দাবি, একসময় বীরভূম থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব আয় হত। পাশাপাশি কয়লা সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এরপরই তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিস্ফোরক ভবিষ্যদ্বাণী করেন কেষ্ট। তাঁর দাবি, আগামী দিনে তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে এবং দলে আর কেউ থাকবে না। একসময় বীরভূমে তৃণমূলের সংগঠনের প্রধান মুখ ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের সময় জেলার রাশ তাঁর হাতেই থাকত। কিন্তু গরুপাচার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। ২০২৬-এর ভোটের পর সেই দূরত্ব প্রকাশ্যে আসে। শেষ পর্যন্ত ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে ফের বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান অনুব্রত। আর দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বড় বৈঠকেই তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার