Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

জগন্নাথের রথ বেরোতেই বেজে উঠল আগমনী ঢাক , আগাম পুজোর আবহে ভাসছে দুর্গাপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬
জগন্নাথের রথ বেরোতেই বেজে উঠল আগমনী ঢাক , আগাম পুজোর আবহে ভাসছে দুর্গাপুর
ছবি সংগৃহীত

সাধারণত রথযাত্রা মানেই জগন্নাথদেবের উৎসব, আর দুর্গাপুজোর জন্য অপেক্ষা করতে হয় আরও প্রায় তিন মাস। কিন্তু দুর্গাপুরের এমএএমসি-র বি-টু এলাকায় সেই হিসেব একেবারেই আলাদা। এখানে রথযাত্রার দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় দুর্গাপুজোর আবহ।


বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকার সর্বমঙ্গলা দুর্গা মন্দির চত্বরে ছিল উৎসবের আমেজ। ঢাকের শব্দ, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনির মধ্যে মন্দিরে আনা হয় দেবীকে। এলাকার মহিলারা বরণ করে নেন মাকে। এরপর শুরু হয় বিশেষ পুজো ও আরতি। স্থানীয়দের কথায়, এটি শুধুই একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এক আবেগের নাম। প্রায় ৫৬ বছর আগে শুরু হয়েছিল এই প্রথা। তখন থেকেই রথযাত্রার দিন দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। এরপর টানা তিন মাস ধরে নিয়মিত পুজো, ভোগ নিবেদন ও আরতির আয়োজন করা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন কাঠামো পুজোর মাধ্যমে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়। আর রথযাত্রার দিন থেকেই মা দুর্গাকে ঘিরে শুরু হয়ে যায় উৎসবের অপেক্ষা। তাই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয় অনেক আগেই।


স্থানীয়দের একাংশের কথায়, চার দিনের দুর্গাপুজো তো থাকেই, কিন্তু তাঁদের কাছে মায়ের আগমনের আনন্দ শুরু হয়ে যায় রথের দিন থেকেই। সন্ধ্যায় মন্দিরে ভিড়, ঢাকের তালে তালে জমে ওঠা আড্ডা সব মিলিয়ে এই দিনটি তাঁদের কাছে আর এক উৎসব। কলকাতায় যখন পুজোর প্রস্তুতি শুরু হতে এখনও অনেক দেরি, তখন দুর্গাপুরের এই ছোট্ট পাড়ায় ইতিমধ্যেই বেজে উঠেছে আগমনী সুর। মা আসছেন, এই অনুভূতিটাই যেন তিন মাস আগে থেকে বাঁচিয়ে রাখে গোটা এলাকাকে।

বিষয় : Durgapur Durga Puja

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


জগন্নাথের রথ বেরোতেই বেজে উঠল আগমনী ঢাক , আগাম পুজোর আবহে ভাসছে দুর্গাপুর

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image
সাধারণত রথযাত্রা মানেই জগন্নাথদেবের উৎসব, আর দুর্গাপুজোর জন্য অপেক্ষা করতে হয় আরও প্রায় তিন মাস। কিন্তু দুর্গাপুরের এমএএমসি-র বি-টু এলাকায় সেই হিসেব একেবারেই আলাদা। এখানে রথযাত্রার দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় দুর্গাপুজোর আবহ।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকার সর্বমঙ্গলা দুর্গা মন্দির চত্বরে ছিল উৎসবের আমেজ। ঢাকের শব্দ, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনির মধ্যে মন্দিরে আনা হয় দেবীকে। এলাকার মহিলারা বরণ করে নেন মাকে। এরপর শুরু হয় বিশেষ পুজো ও আরতি। স্থানীয়দের কথায়, এটি শুধুই একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এক আবেগের নাম। প্রায় ৫৬ বছর আগে শুরু হয়েছিল এই প্রথা। তখন থেকেই রথযাত্রার দিন দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। এরপর টানা তিন মাস ধরে নিয়মিত পুজো, ভোগ নিবেদন ও আরতির আয়োজন করা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন কাঠামো পুজোর মাধ্যমে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়। আর রথযাত্রার দিন থেকেই মা দুর্গাকে ঘিরে শুরু হয়ে যায় উৎসবের অপেক্ষা। তাই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয় অনেক আগেই।স্থানীয়দের একাংশের কথায়, চার দিনের দুর্গাপুজো তো থাকেই, কিন্তু তাঁদের কাছে মায়ের আগমনের আনন্দ শুরু হয়ে যায় রথের দিন থেকেই। সন্ধ্যায় মন্দিরে ভিড়, ঢাকের তালে তালে জমে ওঠা আড্ডা সব মিলিয়ে এই দিনটি তাঁদের কাছে আর এক উৎসব। কলকাতায় যখন পুজোর প্রস্তুতি শুরু হতে এখনও অনেক দেরি, তখন দুর্গাপুরের এই ছোট্ট পাড়ায় ইতিমধ্যেই বেজে উঠেছে আগমনী সুর। মা আসছেন, এই অনুভূতিটাই যেন তিন মাস আগে থেকে বাঁচিয়ে রাখে গোটা এলাকাকে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার