Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চাকরি হারানোর আশঙ্কা, মানসিক অবসাদ! চিকিৎসাধীন শিক্ষিকার মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬
 চাকরি হারানোর আশঙ্কা, মানসিক অবসাদ! চিকিৎসাধীন শিক্ষিকার মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য
ছবি সংগৃহীত

আর মাত্র এক মাস পরই শেষ হওয়ার কথা ছিল চাকরির মেয়াদ। সেই অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের মানসিক চাপের মধ্যেই মৃত্যু হল এক শিক্ষিকার। শনিবার সকালে পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৪ বছরের ঈপ্সিতা দাস মহাপাত্র। তাঁর মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


ঈপ্সিতা পুরুলিয়া ২ নম্বর ব্লকের গোলামারা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষিকা ছিলেন। ২০১৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০১৯ সালে চাকরিতে যোগ দেন। পরে প্যানেল বাতিল হওয়ায় তাঁর চাকরিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ২০২৫ সালের পরীক্ষায় আবার অংশ নিলেও মেধাতালিকায় নাম না ওঠায় তিনি ভীষণ মানসিক চাপে ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের সদস্যদের কথায়, চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন ঈপ্সিতা। সাম্প্রতিক সময়ে মানসিক অবসাদ বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত ওষুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধও খেতে শুরু করেছিলেন। গত ১৬ জুলাই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা দু'দিন চিকিৎসার পর শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়।


এদিকে, যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ দাবি করেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ সেবনের জেরেই এই মৃত্যু হয়েছে। যদিও পুলিশ এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করেনি। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। মৃত শিক্ষিকার বাবা অজিত দাস মহাপাত্র বলেন, তাঁর মেয়ে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। চাকরি বাতিল হওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। দ্বিতীয়বার পরীক্ষায়ও সুযোগ না মেলায় সেই চাপ আরও বেড়ে যায় বলেই পরিবারের দাবি।

বিষয় : MentalHealth Teacher TeacherRecruitment governmentteacher ssc

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


চাকরি হারানোর আশঙ্কা, মানসিক অবসাদ! চিকিৎসাধীন শিক্ষিকার মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image
আর মাত্র এক মাস পরই শেষ হওয়ার কথা ছিল চাকরির মেয়াদ। সেই অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের মানসিক চাপের মধ্যেই মৃত্যু হল এক শিক্ষিকার। শনিবার সকালে পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৪ বছরের ঈপ্সিতা দাস মহাপাত্র। তাঁর মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঈপ্সিতা পুরুলিয়া ২ নম্বর ব্লকের গোলামারা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষিকা ছিলেন। ২০১৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০১৯ সালে চাকরিতে যোগ দেন। পরে প্যানেল বাতিল হওয়ায় তাঁর চাকরিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ২০২৫ সালের পরীক্ষায় আবার অংশ নিলেও মেধাতালিকায় নাম না ওঠায় তিনি ভীষণ মানসিক চাপে ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের সদস্যদের কথায়, চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন ঈপ্সিতা। সাম্প্রতিক সময়ে মানসিক অবসাদ বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত ওষুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধও খেতে শুরু করেছিলেন। গত ১৬ জুলাই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা দু'দিন চিকিৎসার পর শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে, যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ দাবি করেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ সেবনের জেরেই এই মৃত্যু হয়েছে। যদিও পুলিশ এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করেনি। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। মৃত শিক্ষিকার বাবা অজিত দাস মহাপাত্র বলেন, তাঁর মেয়ে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। চাকরি বাতিল হওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। দ্বিতীয়বার পরীক্ষায়ও সুযোগ না মেলায় সেই চাপ আরও বেড়ে যায় বলেই পরিবারের দাবি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার