Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Chorbagan Tragedy: ১৯ জনের মৃত্যুর ক্ষত এখনও টাটকা, চোরবাগানের ঘটনায় পুলিশের জালে আর এক ঘোষক কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Chorbagan Tragedy: ১৯ জনের মৃত্যুর ক্ষত এখনও টাটকা, চোরবাগানের ঘটনায় পুলিশের জালে আর এক ঘোষক কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়া
চোরবাগান কাণ্ডে পাকড়াও আরও এক ঘোষক। ফাইল ছবি

কলকাতা: চোরবাগানের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর বেশ কয়েক দিন কেটে গেলেও সেই বিভীষিকার ক্ষত এখনও তাটকা শহরবাসীর মনে। ভিড়ের চাপে নিষ্পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৯ জন দর্শনার্থী। এই মর্মান্তিক ঘটনার নেপথ্যে কার বা কাদের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। আর সেই তদন্তের মাঝেই এবার পুলিশের জালে ধরা পড়ল দ্বিতীয় ঘোষক। ধৃত ব্যক্তির নাম বাবু মজুমদার ওরফে কালিয়া। অভিযোগ, ভয়াবহ সেই হুড়োহুড়ির মাঝে মাইকে চরম বিভ্রান্তিকর তথ্য ঘোষণা করে পরিস্থিতিকে আরও প্রাণঘাতী করে তুলেছিল সে।

সপ্তমীর রাতে চোরবাগানের মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে এসে প্রবল ভিড়ের মুখে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। অভিযোগ, সেই জনস্রোতের মধ্যেই মাইকে হঠাৎ ঘোষণা করা হয় যে মণ্ডপের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে। এই ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রাণভয়ে চারদিকে এলোমেলোভাবে ছুটতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হয় পদপিষ্ট হওয়ার মতো নারকীয় পরিস্থিতি, যাতে প্রাণ হারান ১৯ জন এবং জখম হন অন্তত ২৫ জন। এর পরই প্রশ্ন ওঠে, কিসের ভিত্তিতে এবং কার নির্দেশে ওই বিভ্রান্তিকর ঘোষণা করা হয়েছিল?

ঘটনার পর থেকেই দুই ঘোষক ছিলেন তদন্তকারীদের আতশিকাঁচের তলায়। এর আগে নদিয়া থেকে সেন্টু নামে এক ঘোষককে গ্রেপ্তার করেছিল লালবাজারের পুলিশ। তার সূত্র ধরেই জানা যায় অপর ঘোষক বাবু ওরফে কালিয়াও নদিয়াতে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তবে শেষরক্ষা হয়নি, বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ধৃতদের মুখোমুখি বসিয়ে এখন জানার চেষ্টা চলছে, এই ঘোষণার নেপথ্যে কোনো বড় ষড়যন্ত্র ছিল কি না।

উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার রাতেই শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছিলেন গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের। সেই নির্দেশ মেনে এবং কলকাতা হাইকোর্টের পরামর্শে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব, এসটিএফ-এর ডিজি, আইজি এবং এনডিআরএফ-এর প্রতিনিধিরা। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য এখন একটাই— ভুয়ো ঘোষণার আসল রহস্য উন্মোচন করা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।

বিষয় : PoliceInvestigation KolkataNews HiddenStoriesNews SITProbe ChorbaganTragedy KolkataStampede BreakingBengal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


Chorbagan Tragedy: ১৯ জনের মৃত্যুর ক্ষত এখনও টাটকা, চোরবাগানের ঘটনায় পুলিশের জালে আর এক ঘোষক কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়া

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: চোরবাগানের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর বেশ কয়েক দিন কেটে গেলেও সেই বিভীষিকার ক্ষত এখনও তাটকা শহরবাসীর মনে। ভিড়ের চাপে নিষ্পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৯ জন দর্শনার্থী। এই মর্মান্তিক ঘটনার নেপথ্যে কার বা কাদের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। আর সেই তদন্তের মাঝেই এবার পুলিশের জালে ধরা পড়ল দ্বিতীয় ঘোষক। ধৃত ব্যক্তির নাম বাবু মজুমদার ওরফে কালিয়া। অভিযোগ, ভয়াবহ সেই হুড়োহুড়ির মাঝে মাইকে চরম বিভ্রান্তিকর তথ্য ঘোষণা করে পরিস্থিতিকে আরও প্রাণঘাতী করে তুলেছিল সে।সপ্তমীর রাতে চোরবাগানের মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে এসে প্রবল ভিড়ের মুখে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। অভিযোগ, সেই জনস্রোতের মধ্যেই মাইকে হঠাৎ ঘোষণা করা হয় যে মণ্ডপের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে। এই ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রাণভয়ে চারদিকে এলোমেলোভাবে ছুটতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হয় পদপিষ্ট হওয়ার মতো নারকীয় পরিস্থিতি, যাতে প্রাণ হারান ১৯ জন এবং জখম হন অন্তত ২৫ জন। এর পরই প্রশ্ন ওঠে, কিসের ভিত্তিতে এবং কার নির্দেশে ওই বিভ্রান্তিকর ঘোষণা করা হয়েছিল?ঘটনার পর থেকেই দুই ঘোষক ছিলেন তদন্তকারীদের আতশিকাঁচের তলায়। এর আগে নদিয়া থেকে সেন্টু নামে এক ঘোষককে গ্রেপ্তার করেছিল লালবাজারের পুলিশ। তার সূত্র ধরেই জানা যায় অপর ঘোষক বাবু ওরফে কালিয়াও নদিয়াতে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তবে শেষরক্ষা হয়নি, বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ধৃতদের মুখোমুখি বসিয়ে এখন জানার চেষ্টা চলছে, এই ঘোষণার নেপথ্যে কোনো বড় ষড়যন্ত্র ছিল কি না।উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার রাতেই শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছিলেন গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের। সেই নির্দেশ মেনে এবং কলকাতা হাইকোর্টের পরামর্শে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব, এসটিএফ-এর ডিজি, আইজি এবং এনডিআরএফ-এর প্রতিনিধিরা। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য এখন একটাই— ভুয়ো ঘোষণার আসল রহস্য উন্মোচন করা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত