Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিমানবন্দর থেকে বান্দোয়ানে ফিল্ম সিটি, পুরুলিয়ার রূপরেখা নিয়ে শুভেন্দুর দরবারে জ্যোতির্ময়!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিমানবন্দর থেকে বান্দোয়ানে ফিল্ম সিটি, পুরুলিয়ার রূপরেখা নিয়ে শুভেন্দুর দরবারে জ্যোতির্ময়!
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতে পুরুলিয়ার সাংসদ। ফাইল চিত্র

কলকাতা: পাহাড়, ঝরনা আর রুক্ষ লালমাটির অপার সৌন্দর্যকে হাতিয়ার করে এবার পূর্ব ভারতের অন্যতম সেরা পর্যটন হাব হয়ে ওঠার পথে জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া জেলা। পর্যটনের সার্বিক বিকাশ, বিপুল কর্মসংস্থান ও যোগাযোগের আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এক যুগান্তকারী রূপরেখা নিয়ে খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে তিনি জেলার সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ৬ দফা সুনির্দিষ্ট দাবি সম্বলিত একটি বিস্তারিত দাবিপত্র তুলে দিয়েছেন। যেখানে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর চালু করা থেকে শুরু করে ওয়াইল্ডলাইফ হাব এবং স্বয়ং বান্দোয়ানের বুকে সম্পূর্ণ পেশাদার এক ফিল্ম সিটি তৈরির জোরালো প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

রাজ্য বাজেটে ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে ছড়রা বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সাংসদের দাবি, রাজ্য সরকার যেন অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক ও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে যৌথ সমন্বয় রেখে কারিগরি ও প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করে। ছড়রা বিমানবন্দর ডানা মেললেই জঙ্গলমহলের সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ কয়েক গুণ মসৃণ হবে, যা একধাক্কায় কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জোয়ার আনবে। পাশাপাশি দাবি সনদে অযোধ্যা পাহাড়, খয়রাবেড়া, মুরগুমা, ঝালদা, গড়পঞ্চকোট এবং বড়ন্তিকে একসূত্রে গেঁথে একটি পূর্ণাঙ্গ ইন্টিগ্রেটেড ট্যুরিজম সার্কিট গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিশ্বমানের রোপওয়ে, ভিউ পয়েন্ট, অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস, বিলাসবহুল ইকো রিসর্ট এবং রাতে পাহাড়-জঙ্গলের রূপ দেখার অত্যাধুনিক আলোর ব্যবস্থার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে উঠে এসেছে বান্দোয়ানের কুইলাপালে ফিল্ম সিটি গড়ার প্রস্তাব। অরণ্য সুন্দরী পুরুলিয়ার আদিবাসী সংস্কৃতি, রুক্ষ পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গল যে সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ের জন্য একেবারে আদর্শ, তা উল্লেখ করে সাংসদ জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে এই নিয়ে বহু আলোচনা হলেও বাস্তবে কিছুই হয়নি। তাই টলিউড ও বলিউডের প্রথম সারির প্রযোজনা সংস্থাগুলিকে টানতে এখানে পূর্ণাঙ্গ শুটিং ফ্লোর, অত্যাধুনিক স্টুডিও, সুরম্য আউটডোর লোকেশন ও শুটিং ইউনিটের জন্য উন্নত থাকার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হোক। এর পাশাপাশি কোটশিলা-ঝালদাকে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণাগারের স্বীকৃতি দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম সেরা ওয়াইল্ডলাইফ ডেস্টিনেশন ও যোগাযোগের প্রসারে আধুনিক আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল গড়ার রূপরেখাও মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে তুলে দিয়েছেন সাংসদ। এই মেগা প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে জঙ্গলমহলের অর্থনীতিতে নজিরবিহীন গতি আসবে বলেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের অভিমত।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalNews SuvenduAdhikari HiddenStoriesNews jyotirmaysinghmahato jangalmahaldevelopment PuruliaTourism FilmCityPurulia ChharraAirport BengalTourism

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিমানবন্দর থেকে বান্দোয়ানে ফিল্ম সিটি, পুরুলিয়ার রূপরেখা নিয়ে শুভেন্দুর দরবারে জ্যোতির্ময়!

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: পাহাড়, ঝরনা আর রুক্ষ লালমাটির অপার সৌন্দর্যকে হাতিয়ার করে এবার পূর্ব ভারতের অন্যতম সেরা পর্যটন হাব হয়ে ওঠার পথে জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া জেলা। পর্যটনের সার্বিক বিকাশ, বিপুল কর্মসংস্থান ও যোগাযোগের আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এক যুগান্তকারী রূপরেখা নিয়ে খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে তিনি জেলার সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ৬ দফা সুনির্দিষ্ট দাবি সম্বলিত একটি বিস্তারিত দাবিপত্র তুলে দিয়েছেন। যেখানে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর চালু করা থেকে শুরু করে ওয়াইল্ডলাইফ হাব এবং স্বয়ং বান্দোয়ানের বুকে সম্পূর্ণ পেশাদার এক ফিল্ম সিটি তৈরির জোরালো প্রস্তাব রাখা হয়েছে।রাজ্য বাজেটে ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে ছড়রা বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সাংসদের দাবি, রাজ্য সরকার যেন অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক ও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে যৌথ সমন্বয় রেখে কারিগরি ও প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করে। ছড়রা বিমানবন্দর ডানা মেললেই জঙ্গলমহলের সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ কয়েক গুণ মসৃণ হবে, যা একধাক্কায় কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জোয়ার আনবে। পাশাপাশি দাবি সনদে অযোধ্যা পাহাড়, খয়রাবেড়া, মুরগুমা, ঝালদা, গড়পঞ্চকোট এবং বড়ন্তিকে একসূত্রে গেঁথে একটি পূর্ণাঙ্গ ইন্টিগ্রেটেড ট্যুরিজম সার্কিট গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিশ্বমানের রোপওয়ে, ভিউ পয়েন্ট, অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস, বিলাসবহুল ইকো রিসর্ট এবং রাতে পাহাড়-জঙ্গলের রূপ দেখার অত্যাধুনিক আলোর ব্যবস্থার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে উঠে এসেছে বান্দোয়ানের কুইলাপালে ফিল্ম সিটি গড়ার প্রস্তাব। অরণ্য সুন্দরী পুরুলিয়ার আদিবাসী সংস্কৃতি, রুক্ষ পাহাড় ও দুর্গম জঙ্গল যে সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ের জন্য একেবারে আদর্শ, তা উল্লেখ করে সাংসদ জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে এই নিয়ে বহু আলোচনা হলেও বাস্তবে কিছুই হয়নি। তাই টলিউড ও বলিউডের প্রথম সারির প্রযোজনা সংস্থাগুলিকে টানতে এখানে পূর্ণাঙ্গ শুটিং ফ্লোর, অত্যাধুনিক স্টুডিও, সুরম্য আউটডোর লোকেশন ও শুটিং ইউনিটের জন্য উন্নত থাকার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হোক। এর পাশাপাশি কোটশিলা-ঝালদাকে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণাগারের স্বীকৃতি দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম সেরা ওয়াইল্ডলাইফ ডেস্টিনেশন ও যোগাযোগের প্রসারে আধুনিক আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল গড়ার রূপরেখাও মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে তুলে দিয়েছেন সাংসদ। এই মেগা প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে জঙ্গলমহলের অর্থনীতিতে নজিরবিহীন গতি আসবে বলেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের অভিমত।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত