Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Delhi Protest: রাজধানীতে ধুন্ধুমার! রাহুল-প্রিয়ঙ্কা-অভিষেকদের টেনে থামাল পুলিশ, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে রাজপথে বসে ধরনা বিরোধীদের!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
Delhi Protest: রাজধানীতে ধুন্ধুমার! রাহুল-প্রিয়ঙ্কা-অভিষেকদের টেনে থামাল পুলিশ, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে রাজপথে বসে ধরনা বিরোধীদের!
দিল্লির রাস্তায় বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র মিছিল। ছবি-এক্স

নয়াদিল্লি: এক নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফার দাবিতে মঙ্গলবার উত্তাল হয়ে উঠল দেশের রাজধানী দিল্লি! নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত ‘নির্বাচন সদন অভিযান’ ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দিল্লির রাজপথ। এ দিন সকাল ১১টায় সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক মকরদ্বার থেকে মিছিল শুরু করেন 'ইন্ডিয়া' জোটের তাবড় শীর্ষ নেতারা। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খড়্গে, তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব একসারিতে দাঁড়িয়ে এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন। তবে বিরোধীদের এই মেগা অভিযান রুখে দিতে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ প্রশাসন। মিছিল আকাশবাণী ভবনের কাছে পৌঁছোনো মাত্রই বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের পথ আটকে দেয়। এরপরই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে চরম মেজাজে রাস্তার ওপরেই বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধী সাংসদেরা।

অভিযানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এক অভূতপূর্ব স্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজধানীর বুকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে নামানো হয় ৩১ কোম্পানিরও বেশি পুলিশ বাহিনী, যার মধ্যে ছিল চার কোম্পানি বিশেষ মহিলা পুলিশকর্মী। সব মিলিয়ে ৩ হাজারেরও বেশি সশস্ত্র পুলিশকর্মী গোটা এলাকা কর্ডন করে রাখে। সংসদ ভবন থেকে শুরু করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট, নির্বাচন সদনের সমস্ত প্রবেশদ্বার এবং আশপাশের স্পর্শকাতর সরকারি ভবনগুলোর সামনে বসানো হয় উঁচু উঁচু স্টিলের ব্যারিকেড। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিল্লির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের বাইরেও অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হয়।

আকাশবাণী ভবনের সামনে পুলিশি বাধার মুখোমুখি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধী নেতারা। রাস্তায় বসেই কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে থাকেন রাহুল-অভিষেকরা। বিরোধী শিবির স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। বিপুল পুলিশি প্রহরা ও ব্যারিকেড গড়েও রাজপথে শীর্ষ নেতাদের এই বিক্ষোভ থামানো যায়নি। এই ঘটনার জেরে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে তীব্র যানজট তৈরির পাশাপাশি জাতীয় রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিষয় : BreakingNews ElectionCommission DELHIPOLICE DELHIPROTEST AbhishekBanerjee HiddenStoriesNews indiaalliance GyaneshKumar RahulGandhi IndianPolitics2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


Delhi Protest: রাজধানীতে ধুন্ধুমার! রাহুল-প্রিয়ঙ্কা-অভিষেকদের টেনে থামাল পুলিশ, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে রাজপথে বসে ধরনা বিরোধীদের!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: এক নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফার দাবিতে মঙ্গলবার উত্তাল হয়ে উঠল দেশের রাজধানী দিল্লি! নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত ‘নির্বাচন সদন অভিযান’ ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দিল্লির রাজপথ। এ দিন সকাল ১১টায় সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক মকরদ্বার থেকে মিছিল শুরু করেন 'ইন্ডিয়া' জোটের তাবড় শীর্ষ নেতারা। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খড়্গে, তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব একসারিতে দাঁড়িয়ে এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন। তবে বিরোধীদের এই মেগা অভিযান রুখে দিতে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ প্রশাসন। মিছিল আকাশবাণী ভবনের কাছে পৌঁছোনো মাত্রই বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের পথ আটকে দেয়। এরপরই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে চরম মেজাজে রাস্তার ওপরেই বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধী সাংসদেরা।অভিযানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এক অভূতপূর্ব স্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজধানীর বুকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে নামানো হয় ৩১ কোম্পানিরও বেশি পুলিশ বাহিনী, যার মধ্যে ছিল চার কোম্পানি বিশেষ মহিলা পুলিশকর্মী। সব মিলিয়ে ৩ হাজারেরও বেশি সশস্ত্র পুলিশকর্মী গোটা এলাকা কর্ডন করে রাখে। সংসদ ভবন থেকে শুরু করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট, নির্বাচন সদনের সমস্ত প্রবেশদ্বার এবং আশপাশের স্পর্শকাতর সরকারি ভবনগুলোর সামনে বসানো হয় উঁচু উঁচু স্টিলের ব্যারিকেড। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিল্লির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের বাইরেও অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হয়।আকাশবাণী ভবনের সামনে পুলিশি বাধার মুখোমুখি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধী নেতারা। রাস্তায় বসেই কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে থাকেন রাহুল-অভিষেকরা। বিরোধী শিবির স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। বিপুল পুলিশি প্রহরা ও ব্যারিকেড গড়েও রাজপথে শীর্ষ নেতাদের এই বিক্ষোভ থামানো যায়নি। এই ঘটনার জেরে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে তীব্র যানজট তৈরির পাশাপাশি জাতীয় রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত