Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Durga Puja 2026: আকাশের মুখ ভার, অফিসেও কাজের চাপ, তবু ষষ্ঠীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়! পুজোর আমেজ কি ফিরল কলকাতায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Durga Puja 2026: আকাশের মুখ ভার, অফিসেও কাজের চাপ, তবু ষষ্ঠীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়! পুজোর আমেজ কি ফিরল কলকাতায়?
ষষ্ঠীতে মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড়।

কলকাতা: ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে, মর্ত্যে এসেছেন মা। মায়ের আগমনের অপেক্ষায় দিন গোনা, পুজোর পাঁচটা দিন আনন্দে মেতে ওঠা সব যেন বাঙালির কাছে এক আবেগ। সারা বছর কাজের চাপ, জীবনের নানা দায়িত্ব সামলে এই ক’টা দিনের জন্যই অধীর অপেক্ষায় থাকেন মানুষ। রোদ, জল, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেও তাই পুজোর আনন্দে সামিল হন আট থেকে আশি। কিন্তু এবছর চেনা পুজোর ছন্দে কিছুটা খামতি। প্রতিপদ থেকেই যে উৎসবের উন্মাদনায় মেতে ওঠে শহর, এ বার সেই ছবিটা অনেকটাই আলাদা। কিন্তু পুজো হচ্ছে। ষষ্ঠীর দিনে মা দুর্গার বোধনে কলকাতা যেন আরও একবার বুঝিয়ে দিল, উৎসবের আনন্দকে আটকে রাখা সহজ নয়।


পুজোর সময় বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, এই প্রশ্নই ছিল বাঙালির মনে। উৎসবের আমেজে জল ঢেলে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। তবুও বৃষ্টির ভ্রুকুটি রয়েছে বঙ্গে। সেই মতোই চতুর্থী এবং পঞ্চমীর দিন কলকাতা সহ শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হয়েছে। ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। ফলে বৃষ্টির ভ্রুকুটি থাকলেও পুজো মাটি হওয়ার আশঙ্কা নেই। আকাশের মুখভার উপেক্ষা করেই মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড় চোখে পড়েছে। 


অন্য দিকে, এখনও শহরের বহু বেসরকারি অফিসে কাজ চলছে। পুজোর ছুটি শুরু হলেও অনেকেরই কাজের চাপ পুরোপুরি কমেনি। কেউ অফিস সামলে ঠাকুর দেখতে বেরোচ্ছেন, কেউ আবার কাজের ফাঁকেই পরিকল্পনা করছেন সন্ধ্যার প্যান্ডেল হপিংয়ের। রাস্তায় রোজকার ব্যস্ততার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে উৎসবের প্রস্তুতি। মায়ের বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই শহরও মেতে উঠছে শারদোৎসবে। কাজের চাপ, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা সব কিছু উপেক্ষা করেই ঠাকুর দেখার পরিকল্পনায় ব্যস্ত শহরবাসী। প্রতিপদ থেকে পুজোর যে চেনা উন্মাদনা এ বার কিছুটা ফিকে, ষষ্ঠীর বোধনে সেই ছবিটাই যেন বদলেছে। সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হতেই শহরের বড় বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় আরও বেড়েছে। আলোকসজ্জা, থিমের মণ্ডপ আর প্রতিমা দেখতে রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে। 

শহরবাসীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে, যানজট এড়াতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে। এবার শহরে মোট পুজোর সংখ্যা ২,৯৮১টি। বিভিন্ন ডিভিশনে ছোট মণ্ডপগুলিতেও থাকছে পুলিশি ব্যবস্থা। গড়ে ১০ থেকে ১৫টি ছোট মণ্ডপের দায়িত্বে থাকছেন পুলিশকর্মীরা। নিরাপত্তা ও টহলদারির জন্য শহরে দু’দফায় মোতায়েন করা হচ্ছে ২০টি হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ১০টি স্পেশাল রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড এবং ৩০টি পিসিআর মোবাইল ভ্যান। 

বিষয় : Durga Puja 2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


Durga Puja 2026: আকাশের মুখ ভার, অফিসেও কাজের চাপ, তবু ষষ্ঠীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়! পুজোর আমেজ কি ফিরল কলকাতায়?

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে, মর্ত্যে এসেছেন মা। মায়ের আগমনের অপেক্ষায় দিন গোনা, পুজোর পাঁচটা দিন আনন্দে মেতে ওঠা সব যেন বাঙালির কাছে এক আবেগ। সারা বছর কাজের চাপ, জীবনের নানা দায়িত্ব সামলে এই ক’টা দিনের জন্যই অধীর অপেক্ষায় থাকেন মানুষ। রোদ, জল, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেও তাই পুজোর আনন্দে সামিল হন আট থেকে আশি। কিন্তু এবছর চেনা পুজোর ছন্দে কিছুটা খামতি। প্রতিপদ থেকেই যে উৎসবের উন্মাদনায় মেতে ওঠে শহর, এ বার সেই ছবিটা অনেকটাই আলাদা। কিন্তু পুজো হচ্ছে। ষষ্ঠীর দিনে মা দুর্গার বোধনে কলকাতা যেন আরও একবার বুঝিয়ে দিল, উৎসবের আনন্দকে আটকে রাখা সহজ নয়।পুজোর সময় বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, এই প্রশ্নই ছিল বাঙালির মনে। উৎসবের আমেজে জল ঢেলে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। তবুও বৃষ্টির ভ্রুকুটি রয়েছে বঙ্গে। সেই মতোই চতুর্থী এবং পঞ্চমীর দিন কলকাতা সহ শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হয়েছে। ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। ফলে বৃষ্টির ভ্রুকুটি থাকলেও পুজো মাটি হওয়ার আশঙ্কা নেই। আকাশের মুখভার উপেক্ষা করেই মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ভিড় চোখে পড়েছে। অন্য দিকে, এখনও শহরের বহু বেসরকারি অফিসে কাজ চলছে। পুজোর ছুটি শুরু হলেও অনেকেরই কাজের চাপ পুরোপুরি কমেনি। কেউ অফিস সামলে ঠাকুর দেখতে বেরোচ্ছেন, কেউ আবার কাজের ফাঁকেই পরিকল্পনা করছেন সন্ধ্যার প্যান্ডেল হপিংয়ের। রাস্তায় রোজকার ব্যস্ততার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে উৎসবের প্রস্তুতি। মায়ের বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই শহরও মেতে উঠছে শারদোৎসবে। কাজের চাপ, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা সব কিছু উপেক্ষা করেই ঠাকুর দেখার পরিকল্পনায় ব্যস্ত শহরবাসী। প্রতিপদ থেকে পুজোর যে চেনা উন্মাদনা এ বার কিছুটা ফিকে, ষষ্ঠীর বোধনে সেই ছবিটাই যেন বদলেছে। সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হতেই শহরের বড় বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় আরও বেড়েছে। আলোকসজ্জা, থিমের মণ্ডপ আর প্রতিমা দেখতে রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে। শহরবাসীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে, যানজট এড়াতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে। এবার শহরে মোট পুজোর সংখ্যা ২,৯৮১টি। বিভিন্ন ডিভিশনে ছোট মণ্ডপগুলিতেও থাকছে পুলিশি ব্যবস্থা। গড়ে ১০ থেকে ১৫টি ছোট মণ্ডপের দায়িত্বে থাকছেন পুলিশকর্মীরা। নিরাপত্তা ও টহলদারির জন্য শহরে দু’দফায় মোতায়েন করা হচ্ছে ২০টি হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ১০টি স্পেশাল রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড এবং ৩০টি পিসিআর মোবাইল ভ্যান। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত