Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Nadia: ‘মরে গেলাম রে...!’ রক্তভেজা বিছানায় ১১ বছরের নাবালিকার চিৎকার, নদিয়ায় নিজের ঘরেই এ কী ঘটল?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nadia: ‘মরে গেলাম রে...!’ রক্তভেজা বিছানায় ১১ বছরের নাবালিকার চিৎকার, নদিয়ায় নিজের ঘরেই এ কী ঘটল?
প্রতীকী ছবি

কৃষ্ণনগর: বোনকে সারাজীবন বিপদে-আপদে আগলে রাখাই তো দাদার ধর্ম। কিন্তু সেই পবিত্র সম্পর্কেই চরম কালিমা ছিটিয়ে নদিয়ার ভীমপুরে এক নারকীয় ঘটনা সামনে এল। ফাঁকা বাড়িতে নিজের মাসতুতো দাদার পাশবিক লালসার শিকার হলো মাত্র ১১ বছরের এক অবোধ নাবালিকা। কুকীর্তি চালিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া করে পাশের একটি কুলবাগান থেকে অভিযুক্ত মফিজুল শেখ নামের কুড়ি বছরের এক যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে তুলে দেয় ভীমপুর থানার পুলিশের হাতে। এই মুহূর্তে গুরুতর আহত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাবালিকা কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে নেমেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকালে বাড়িতে একাই ছিল ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী। তার বাবা পেশায় কৃষক, সকালে চাষের কাজে মাঠে গিয়েছিলেন এবং মা-ও বিশেষ কাজে ঘরের বাইরে ছিলেন। সেই সুযোগেই ফাঁকা বাড়িতে আচমকা ঢুকে পড়ে সম্পর্কে নির্যাতিতার মাসতুতো দাদা মফিজুল। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে নাবালিকার ওপর সে নারকীয় নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণ পর ভিতর থেকে এক প্রতিবেশীর কানে আসে অবোধ মেয়েটির বুকফাটা চিৎকার। যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে মেয়েটিকে বলতে শোনা যায়, ‘মরে গেলাম, মরে গেলাম!’ প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে বিছানায় রক্তাক্ত ও যন্ত্রণায় কাতর অবস্থায় মেয়েটিকে দেখতে পান এবং দেখতে পান অভিযুক্ত যুবক বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা একজোট হয়ে ধাওয়া করেন। কিছু দূরে একটি ঘন কুলবাগানে আত্মগোপন করেছিল অভিযুক্ত মফিজুল। সেখান থেকেই তাকে উদ্ধার করে গণধোলাই দেওয়ার পর ভীমপুর থানার হস্তান্তরিত করা হয়। নাবালিকার বাবা কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান যে, কাজের সূত্রে তিনি বাইরে ছিলেন, নিজের আত্মীয় বলে যাকে বিশ্বাস করেছিলেন, সে-ই এমন নৃশংস কাজ করল। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, অভিযুক্ত মফিজুল এর আগেও একাধিক চুরি ও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিল। ঘূর্ণি এলাকাতেও অতীতে সে গণপ্রহারের মুখে পড়েছিল। এক অবোধ শিশুর জীবনে এমন কালো মেঘ নামিয়ে আনার জন্য অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ও কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন গোটা নদিয়া এলাকার বাসিন্দা ও স্বজনেরা।


বিষয় : NadiaNews BengalNews BreakingNewsBengal HiddenStoriesNews CrimeNewsBengali BhimpurIncident JusticeForMinor NadiaHorror

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Nadia: ‘মরে গেলাম রে...!’ রক্তভেজা বিছানায় ১১ বছরের নাবালিকার চিৎকার, নদিয়ায় নিজের ঘরেই এ কী ঘটল?

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কৃষ্ণনগর: বোনকে সারাজীবন বিপদে-আপদে আগলে রাখাই তো দাদার ধর্ম। কিন্তু সেই পবিত্র সম্পর্কেই চরম কালিমা ছিটিয়ে নদিয়ার ভীমপুরে এক নারকীয় ঘটনা সামনে এল। ফাঁকা বাড়িতে নিজের মাসতুতো দাদার পাশবিক লালসার শিকার হলো মাত্র ১১ বছরের এক অবোধ নাবালিকা। কুকীর্তি চালিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া করে পাশের একটি কুলবাগান থেকে অভিযুক্ত মফিজুল শেখ নামের কুড়ি বছরের এক যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে তুলে দেয় ভীমপুর থানার পুলিশের হাতে। এই মুহূর্তে গুরুতর আহত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাবালিকা কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে নেমেছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকালে বাড়িতে একাই ছিল ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী। তার বাবা পেশায় কৃষক, সকালে চাষের কাজে মাঠে গিয়েছিলেন এবং মা-ও বিশেষ কাজে ঘরের বাইরে ছিলেন। সেই সুযোগেই ফাঁকা বাড়িতে আচমকা ঢুকে পড়ে সম্পর্কে নির্যাতিতার মাসতুতো দাদা মফিজুল। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে নাবালিকার ওপর সে নারকীয় নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণ পর ভিতর থেকে এক প্রতিবেশীর কানে আসে অবোধ মেয়েটির বুকফাটা চিৎকার। যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে মেয়েটিকে বলতে শোনা যায়, ‘মরে গেলাম, মরে গেলাম!’ প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে বিছানায় রক্তাক্ত ও যন্ত্রণায় কাতর অবস্থায় মেয়েটিকে দেখতে পান এবং দেখতে পান অভিযুক্ত যুবক বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা একজোট হয়ে ধাওয়া করেন। কিছু দূরে একটি ঘন কুলবাগানে আত্মগোপন করেছিল অভিযুক্ত মফিজুল। সেখান থেকেই তাকে উদ্ধার করে গণধোলাই দেওয়ার পর ভীমপুর থানার হস্তান্তরিত করা হয়। নাবালিকার বাবা কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান যে, কাজের সূত্রে তিনি বাইরে ছিলেন, নিজের আত্মীয় বলে যাকে বিশ্বাস করেছিলেন, সে-ই এমন নৃশংস কাজ করল। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, অভিযুক্ত মফিজুল এর আগেও একাধিক চুরি ও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিল। ঘূর্ণি এলাকাতেও অতীতে সে গণপ্রহারের মুখে পড়েছিল। এক অবোধ শিশুর জীবনে এমন কালো মেঘ নামিয়ে আনার জন্য অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ও কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন গোটা নদিয়া এলাকার বাসিন্দা ও স্বজনেরা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত