Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

NHRC: পুজোর আগে হকার উচ্ছেদে নয়! বাংলা-সহ রাজ্যগুলিকে বড় বার্তা মানবাধিকার কমিশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
NHRC: পুজোর আগে হকার উচ্ছেদে নয়! বাংলা-সহ রাজ্যগুলিকে বড় বার্তা মানবাধিকার কমিশনের
হকার উচ্ছেদে বড় বার্তা মানবাধিকার কমিশনের। এ আই নির্মিত ছবি।

দুর্গাপুজো মানেই শুধু আনন্দ-উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু মানুষের রোজগার। পুজোর কেনাকাটা হোক বা খাবারের দোকান, উৎসবের মরসুমে এই কয়েকটা দিনকে ঘিরেই বহু হকার, ফেরিওয়ালা, স্থানীয় বিক্রেতা এবং ছোট ব্যবসায়ীর আয় নির্ভর করে। পুজোর মুখে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে। এবার বিষয়টি নিয়ে বড় বার্তা দিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বা NHRC।


সাম্প্রতিক সময়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করা নিয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। জুন মাসে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা, কর্পোরেশন ও নোটিফায়েড এলাকার ফুটপাত এবং ব্রিজের নীচের বেআইনি দখল সরানোর কথা জানিয়েছিলেন। তবে পুজোর আগে হকার উচ্ছেদ নিয়ে সরকারের অবস্থানে কিছুটা ভিন্ন দিকও দেখা যায়। জুলাইয়ে আসানসোলে একটি উচ্ছেদ অভিযানে ৮৭ জন ব্যবসায়ীর দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারপর পুরমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখে পুজোর আগেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। পাশাপাশি বিকল্প জায়গায় তাঁদের পুনর্বাসনের কথাও জানানো হয়েছিল।


এই প্রেক্ষাপটেই ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার বড় ঘোষণা করল কমিশন। সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে উৎসবের সময়ে স্থানীয় বিক্রেতা ও ছোট ব্যবসায়ীদের জীবিকা এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। স্থানীয় বিক্রেতা, ঐতিহ্যবাহী পেশাকে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের জেলা প্রশাসন, পুরসভা, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে নির্দেশগুলি পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে। চলতি বিষয়ে বকেয়া বা অতিরিক্ত ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে জমা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে NHRC।

বাংলার ক্ষেত্রেও বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে বেআইনি দখল বা নিরাপত্তার সমস্যা থাকলে প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে উৎসবের প্রাক্কালে কোনও হকারের রোজগারের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সরাসরি প্রভাব পড়বে তাঁর পরিবারের উপর। আর এখানেই রয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণের প্রশ্ন। পুজোর আগে বড় সংখ্যায় হকার উচ্ছেদ ঘটলে, তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এর প্রভাব পড়তে পারে ভোটের অঙ্কেও। 

বিষয় : Hawker Eviction Durga Puja 2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


NHRC: পুজোর আগে হকার উচ্ছেদে নয়! বাংলা-সহ রাজ্যগুলিকে বড় বার্তা মানবাধিকার কমিশনের

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
দুর্গাপুজো মানেই শুধু আনন্দ-উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু মানুষের রোজগার। পুজোর কেনাকাটা হোক বা খাবারের দোকান, উৎসবের মরসুমে এই কয়েকটা দিনকে ঘিরেই বহু হকার, ফেরিওয়ালা, স্থানীয় বিক্রেতা এবং ছোট ব্যবসায়ীর আয় নির্ভর করে। পুজোর মুখে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে। এবার বিষয়টি নিয়ে বড় বার্তা দিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বা NHRC।সাম্প্রতিক সময়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করা নিয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। জুন মাসে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা, কর্পোরেশন ও নোটিফায়েড এলাকার ফুটপাত এবং ব্রিজের নীচের বেআইনি দখল সরানোর কথা জানিয়েছিলেন। তবে পুজোর আগে হকার উচ্ছেদ নিয়ে সরকারের অবস্থানে কিছুটা ভিন্ন দিকও দেখা যায়। জুলাইয়ে আসানসোলে একটি উচ্ছেদ অভিযানে ৮৭ জন ব্যবসায়ীর দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারপর পুরমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখে পুজোর আগেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। পাশাপাশি বিকল্প জায়গায় তাঁদের পুনর্বাসনের কথাও জানানো হয়েছিল।এই প্রেক্ষাপটেই ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার বড় ঘোষণা করল কমিশন। সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে উৎসবের সময়ে স্থানীয় বিক্রেতা ও ছোট ব্যবসায়ীদের জীবিকা এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। স্থানীয় বিক্রেতা, ঐতিহ্যবাহী পেশাকে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের জেলা প্রশাসন, পুরসভা, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে নির্দেশগুলি পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে। চলতি বিষয়ে বকেয়া বা অতিরিক্ত ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে জমা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে NHRC। বাংলার ক্ষেত্রেও বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে বেআইনি দখল বা নিরাপত্তার সমস্যা থাকলে প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে উৎসবের প্রাক্কালে কোনও হকারের রোজগারের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সরাসরি প্রভাব পড়বে তাঁর পরিবারের উপর। আর এখানেই রয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণের প্রশ্ন। পুজোর আগে বড় সংখ্যায় হকার উচ্ছেদ ঘটলে, তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এর প্রভাব পড়তে পারে ভোটের অঙ্কেও। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত