বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশে রঙিন ঘুড়ির মেলা। ছাদে ছাদে লাটাই হাতে শুরু হয় ঘুড়ির লড়াই, ‘ভোক্কাটা’র চিৎকারে জমে ওঠে এলাকা। তবে এ বছর রঙিন ঘুড়ির ভিড়ে আলাদা করে নজর কাড়ছে গেরুয়া রঙের ঘুড়ি। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, কলকাতার একাধিক বাজারে এই রঙের ঘুড়ির চাহিদা বেড়েছে। শুধু রং নয়, ‘জয় শ্রীরাম’, পদ্মফুল, ভারতমাতার ছবি এবং ‘ভারতমাতা কি জয়’ লেখা ঘুড়িও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
একসময় পেটকাটি, চাঁদিয়াল, মোমবাতি, বগ্গা, মুখপোড়া কিংবা চাপরাশের মতো চেনা নামেই ঘুড়ির বাজার জমজমাট থাকত। বর্তমানে সেই ঘুড়িগুলির বিক্রি রয়েছে। কিন্তু এবার পুরনো নকশার সঙ্গে যোগ হয়েছে নানা রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রতীক। বিশ্বকর্মা পুজোর ঘুড়ির বাজারে শুধু রঙেই বদল আসেনি, বদলেছে ঘুড়ির উপাদানও। কাগজের ঘুড়ির অনেকটাই জায়গা নিয়েছে প্লাস্টিকের ঘুড়ি। বিক্রেতাদের মতে, প্লাস্টিকের ঘুড়ি তুলনায় টেকসই এবং তাতে বিভিন্ন ছবি বা নকশা ছাপানোও সহজ। দাড়িঘুরি, আড়াপান্তার মতো নতুন ধরনের প্লাস্টিকের ঘুড়িও বাজারে রয়েছে।
বিক্রেতাদের দাবি, গেরুয়া ঘুড়ির সঙ্গে মিলিয়ে লাটাইয়েও একই রঙের চাহিদা তৈরি হয়েছে। ব্যক্তিগত ক্রেতাদের পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাব থেকেও এমন ঘুড়ির অর্ডার আসছে। তবে ঘুড়ি ওড়ানোর সময় সতর্ক থাকাও জরুরি। বিশ্বকর্মা পুজোকে ঘিরে চীনা মাঞ্জা ব্যবহারের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিষয় : Vishwakarma Puja

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন