25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Top-News Sarsuna Incident: সরশুনাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, সিপি-র কাছে রিপোর্ট তলব মানবাধিকার কমিশনের
Top-Newsকলকাতা

Sarsuna Incident: সরশুনাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, সিপি-র কাছে রিপোর্ট তলব মানবাধিকার কমিশনের

Share
সরশুনাকাণ্ডে অজয় নন্দকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নোটিস। ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: বেহালা সরশুনায় প্রেমিক, তাঁর বন্ধু ও বাবাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। ওই ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতারের করা হয়। তারপর তাঁদের কোমরে দড়ি বেঁধে, অর্ধনগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এবার সরশুনাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি)। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নোটিস পাঠিয়ে কমিশন জানতে চেয়েছে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাগুলি কতটা সত্য। পুলিশ যদি সত্যিই অভিযুক্তদের অর্ধনগ্ন করে রাস্তায় হাঁটিয়ে থাকে, তা হলে কীসের ভিত্তিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, তারও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, পুলিশি হেফাজতে থাকা অভিযুক্তদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হয়ে থাকলে তা মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার সন্ধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ বছরের এক তরুণ সরশুনায় নাবালিকা প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিল তাঁর ১৯ বছরের বন্ধু। অভিযোগ, কথা বলার সময় তরুণ প্রেমিকাকে চুম্বন করেন। ঘটনাটি নজরে পড়ে কিশোরীর মামার এক বন্ধুর। তিনি মেয়েটির বাড়িতে খবর দেন। অভিযোগ, কিশোরীর পরিবারের লোকজন দুই তরুণকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখেন এবং তাঁদের হেনস্থা করা হয়।

এর পর কিশোরীর বাবা জোর করে তরুণের বাবাকেও ডেকে পাঠান। অভিযোগ, তিন জনের দিকে বন্দুক তাক করে তাঁদের পোশাক খুলতে বাধ্য করা হয়। এরপরে ওই অবস্থাতেই বাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁদের প্রায় ৫০ মিটার হাঁটানো হয়। ঘটনাটি সামনে আসতেই সরশুনা থানার পুলিশ কিশোরীর বাবা, মামা এবং তাঁদের এক বন্ধুকে গ্রেফতার করে।

পরের দিন ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য তিন অভিযুক্তকে এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের পরনে ছিল শুধু হাফ প্যান্ট। কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকার মধ্যেই তাঁদের প্রায় ১০০ মিটার হাঁটায় পুলিশ। অভিযুক্তদের সঙ্গে পুলিশের এই আচরণ ঘিরেই এবার প্রশ্ন তুলেছে মানবাধিকার কমিশন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *