Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পেটের তাগিদে কলকাতায়, ফিরল নিথর দেহ! নিউমার্কেটের আগুনে শেষ ১৯-এর সন্দীপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
পেটের তাগিদে কলকাতায়, ফিরল নিথর দেহ! নিউমার্কেটের আগুনে শেষ ১৯-এর সন্দীপ
ছবি- সংগৃহীত

কলকাতাঃ বয়স মাত্র ১৯। চোখে ছিল নতুন করে জীবন শুরু করার স্বপ্ন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে কাজের খোঁজে বেরিয়েছিলেন সন্দীপ পাসওয়ান। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হল না। নিউমার্কেটের হোটেল শিখা ইন-এর ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল তরুণের। বুধবার হাসপাতালে ভাইপোর দেহ শনাক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন কাকা সীতারাম পাসওয়ান।


পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সংসারের পরিস্থিতি সামলাতে কাজের সন্ধানে ছিলেন সন্দীপ। নাগেরবাজারে থাকা কাকা সীতারামের হাত ধরেই মাস তিনেক আগে কলকাতায় আসেন। নিউমার্কেটের শিখা ইন হোটেলে কাজ শুরু করেছিলেন। সাফাই ও ঝাড়ু দেওয়াই ছিল তাঁর কাজ। মঙ্গলবার রাতেও হোটেলেই ছিলেন সন্দীপ। রাত প্রায় পৌনে ২টো নাগাদ আচমকা আগুন লাগে বহুতলের তিনতলায়। ঘন ধোঁয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভরে যায় হোটেলের ভিতর। সরু সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামার পথও কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। সেই আতঙ্কের মধ্যেই প্রাণ হারান সন্দীপ। বুধবার সকালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছে ভাইপোর দেহ শনাক্ত করেন সীতারাম। 


হাসপাতালের বাইরে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর কথায়, “ওঁর বাবা মারা গিয়েছে বছর চারেক আগে। ছেলেটার কাজের দরকার ছিল। তাই নিয়ে এসেছিলাম। ঝাড়ু দেওয়া, সাফাইয়ের কাজ করত। কিন্তু এমন খবর পাব ভাবিনি।”  সীতারামের দাবি, সন্দীপ হোটেলে একটি ফ্রিজের পাশে ঘুমোতেন। ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি শুনেছেন। আগুনে সন্দীপের মুখ ও বুকের কিছুটা অংশ ঝলসে গিয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিষয় : Kolkata New Market

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


পেটের তাগিদে কলকাতায়, ফিরল নিথর দেহ! নিউমার্কেটের আগুনে শেষ ১৯-এর সন্দীপ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ বয়স মাত্র ১৯। চোখে ছিল নতুন করে জীবন শুরু করার স্বপ্ন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে কাজের খোঁজে বেরিয়েছিলেন সন্দীপ পাসওয়ান। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হল না। নিউমার্কেটের হোটেল শিখা ইন-এর ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল তরুণের। বুধবার হাসপাতালে ভাইপোর দেহ শনাক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন কাকা সীতারাম পাসওয়ান।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সংসারের পরিস্থিতি সামলাতে কাজের সন্ধানে ছিলেন সন্দীপ। নাগেরবাজারে থাকা কাকা সীতারামের হাত ধরেই মাস তিনেক আগে কলকাতায় আসেন। নিউমার্কেটের শিখা ইন হোটেলে কাজ শুরু করেছিলেন। সাফাই ও ঝাড়ু দেওয়াই ছিল তাঁর কাজ। মঙ্গলবার রাতেও হোটেলেই ছিলেন সন্দীপ। রাত প্রায় পৌনে ২টো নাগাদ আচমকা আগুন লাগে বহুতলের তিনতলায়। ঘন ধোঁয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভরে যায় হোটেলের ভিতর। সরু সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামার পথও কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। সেই আতঙ্কের মধ্যেই প্রাণ হারান সন্দীপ। বুধবার সকালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছে ভাইপোর দেহ শনাক্ত করেন সীতারাম। হাসপাতালের বাইরে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর কথায়, “ওঁর বাবা মারা গিয়েছে বছর চারেক আগে। ছেলেটার কাজের দরকার ছিল। তাই নিয়ে এসেছিলাম। ঝাড়ু দেওয়া, সাফাইয়ের কাজ করত। কিন্তু এমন খবর পাব ভাবিনি।”  সীতারামের দাবি, সন্দীপ হোটেলে একটি ফ্রিজের পাশে ঘুমোতেন। ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি শুনেছেন। আগুনে সন্দীপের মুখ ও বুকের কিছুটা অংশ ঝলসে গিয়েছে বলেও জানান তিনি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত