Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মমতা শিবিরে মহা ধস! সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি পদ ছাড়লেন মোশারফ, শুভেন্দু-ঋতব্রতর হাত ধরে এবার কোন বড় চমক?

মমতা শিবিরে মহা ধস! সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি পদ ছাড়লেন মোশারফ, শুভেন্দু-ঋতব্রতর হাত ধরে এবার কোন বড় চমক?
FILE IMAGE

কলকাতা: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙন যেন থামবার নামই নিচ্ছে না। ক্রমশ ‘সংখ্যালঘু’ হয়ে পড়া কালীঘাটের শিবিরকে আরও বড় ধাক্কা দিয়ে এবার দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ইটাহারের হেভিওয়েট বিধায়ক মোশারফ হোসেন। রবিবার নিজের বাসভবনে একটি জরুরি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন, মমতা শিবির ছেড়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল তৃণমূল’ এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন এই সংখ্যালঘু নেতা, যা উত্তরবঙ্গে জোড়াফুল শিবিরের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিতে পারে।


গত শুক্রবার থেকে নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হলেও বিধানসভায় গরহাজির ছিলেন মোশারফ হোসেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আগেই সন্দেহের দানা বেঁধেছিল। রবিবার সকালে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের জয়হাটের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন তিনি। যদিও কৌশলগতভাবে ইস্তফার পেছনে মায়ের অসুস্থতা এবং মক্কা থেকে তাঁর ফেরার কথাই অবলীলায় তুলে ধরেছেন মোশারফ। তাঁর দাবি, মায়ের দেখভালের জন্য তিনি বিধানসভায় যেতে পারছেন না এবং এই পরিস্থিতিতে পদে থাকতে চান না। তবে পরক্ষণেই বিস্ফোরকভাবে তিনি স্বীকার করে নেন, রাজ্যে সরকার বদল হওয়ায় তিনি আর আগের মতো কাজ করতে পারছেন না এবং বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।


বর্তমানে কালীঘাটের তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অংশটি আড়াআড়ি বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় তীব্র অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে মূল দল। উত্তর দিনাজপুরের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে চারজন আগেই ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন, এবার মোশারফও পা বাড়িয়ে দেওয়ায় জেলায় কার্যত নিশ্চিহ্ন হতে চলল মমতার শিবির। এদিন দলত্যাগের জল্পনার মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় মোশারফের গলায়। তিনি স্পষ্ট জানান, শুভেন্দুবাবু যখন তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক ছিলেন, সেই সময় থেকেই তাঁর সঙ্গে দারুণ সুসম্পর্ক রয়েছে। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আগামী দিনে কাজ করতে চান এবং এই বিষয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর চূড়ান্ত কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। ফলে খুব শীঘ্রই যে অফিশিয়ালি দলবদল হতে চলেছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত।

বিষয় : WestBengalPolitics TrinamoolCongress suvendu adhikari RitabrataBanerjee mosarofhossainresigns

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২১ জুন ২০২৬


মমতা শিবিরে মহা ধস! সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি পদ ছাড়লেন মোশারফ, শুভেন্দু-ঋতব্রতর হাত ধরে এবার কোন বড় চমক?

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙন যেন থামবার নামই নিচ্ছে না। ক্রমশ ‘সংখ্যালঘু’ হয়ে পড়া কালীঘাটের শিবিরকে আরও বড় ধাক্কা দিয়ে এবার দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ইটাহারের হেভিওয়েট বিধায়ক মোশারফ হোসেন। রবিবার নিজের বাসভবনে একটি জরুরি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন, মমতা শিবির ছেড়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল তৃণমূল’ এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন এই সংখ্যালঘু নেতা, যা উত্তরবঙ্গে জোড়াফুল শিবিরের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিতে পারে।গত শুক্রবার থেকে নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হলেও বিধানসভায় গরহাজির ছিলেন মোশারফ হোসেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আগেই সন্দেহের দানা বেঁধেছিল। রবিবার সকালে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের জয়হাটের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন তিনি। যদিও কৌশলগতভাবে ইস্তফার পেছনে মায়ের অসুস্থতা এবং মক্কা থেকে তাঁর ফেরার কথাই অবলীলায় তুলে ধরেছেন মোশারফ। তাঁর দাবি, মায়ের দেখভালের জন্য তিনি বিধানসভায় যেতে পারছেন না এবং এই পরিস্থিতিতে পদে থাকতে চান না। তবে পরক্ষণেই বিস্ফোরকভাবে তিনি স্বীকার করে নেন, রাজ্যে সরকার বদল হওয়ায় তিনি আর আগের মতো কাজ করতে পারছেন না এবং বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।বর্তমানে কালীঘাটের তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অংশটি আড়াআড়ি বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় তীব্র অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে মূল দল। উত্তর দিনাজপুরের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে চারজন আগেই ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন, এবার মোশারফও পা বাড়িয়ে দেওয়ায় জেলায় কার্যত নিশ্চিহ্ন হতে চলল মমতার শিবির। এদিন দলত্যাগের জল্পনার মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় মোশারফের গলায়। তিনি স্পষ্ট জানান, শুভেন্দুবাবু যখন তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক ছিলেন, সেই সময় থেকেই তাঁর সঙ্গে দারুণ সুসম্পর্ক রয়েছে। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আগামী দিনে কাজ করতে চান এবং এই বিষয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর চূড়ান্ত কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। ফলে খুব শীঘ্রই যে অফিশিয়ালি দলবদল হতে চলেছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার