হাওড়ায় গঙ্গার ধারে তৈরি হচ্ছে রেলের নতুন অত্যাধুনিক ডিভিশনাল রেল হাসপাতাল। গত ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হুগলি থেকে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন। শিলান্যাসের পরই হাওড়া ময়দানে দ্রুত শুরু হয়েছে হাসপাতাল নির্মাণের কাজ।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এটি মূলত একটি অর্থোপেডিক কেন্দ্র হলেও ধীরে ধীরে মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আগামী এক বছরের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৩০০ শয্যার এই হাসপাতাল তৈরি হলে রেল কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিশেষ করে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডধারীরা এই হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
এই হাসপাতালটি গড়ে উঠছে হাওড়ার বার্ন স্ট্যান্ডার্ডের বন্ধ হয়ে যাওয়া ওয়াগন কারখানার ৫ একর জমিতে। এখানে তিনতলা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল ভবন তৈরি করা হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। হাসপাতালে থাকবে আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো - এমআরআই, সিটি স্ক্যানসহ বিভিন্ন উন্নত পরিষেবা। রেলের দাবি, এই নতুন হাসপাতাল চালু হলে হাওড়া ও আশপাশের অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তন আসবে।
তারাতলা ছাদ ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটনাস্থলে এলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
হাওড়ার ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার বিশাল কাপুর জানিয়েছেন, এই হাসপাতাল শুধুমাত্র রেল কর্মীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের জন্যও এর দরজা খুলে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি মানুষ এই পরিষেবার আওতায় আসবেন। প্রসঙ্গত, বর্তমানে হাওড়া ময়দানে যে পুরনো অর্থোপেডিক রেল হাসপাতাল রয়েছে, সেটি ১৯৫০ সালে তৈরি হয়েছিল। পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে সেটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে শয্যা সংখ্যা ছিল ১৭৯, যা নতুন হাসপাতালে বেড়ে প্রায় ৩০০ করা হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্মাণ শেষ হলেই দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ পরিষেবা শুরু হবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন