তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদ ও বিধায়কদের ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে কেন, কিংবা কালীঘাট শিবিরের সঙ্গে সম্পর্ক কেন শিথিল হচ্ছে - এই প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে।
সূত্রের দাবি, প্রায় ২০ জন সাংসদ ও ৬৮ জন বিধায়ক ঘরোয়া আলোচনায় নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, শুধু নিজেদের সুরক্ষা নয়, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ও স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিজেপির হামলা থেকে বাঁচাতেই ঘুরপথে ‘পদ্ম-শিবিরের সঙ্গে সন্ধি’ করতে বাধ্য হয়েছি।” তাঁদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে পুলিশি সহায়তা মিলছে না, ফলে দলীয় কর্মীরা ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। সেই কারণেই তাঁরা ঘুরপথে রাজনৈতিক সমঝোতার পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করছেন। তাঁদের আরও বক্তব্য, মুখে লড়াইয়ের কথা বলা হলেও বাস্তবে বুথ স্তরের কর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়ছে।
কণ্ঠস্বর আটকাতে হাই কোর্টে অভিষেক!
অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবিরের একাধিক বিধায়কের দাবি, এলাকায় রাজনৈতিক হিংসা কিছুটা কমেছে এবং পুলিশি ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাঁদের মতে, এখন কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে এবং বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা সম্ভব হচ্ছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির জেরে অনেক বিধায়ক নিজের বিধানসভা এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন বলেও দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি সমর্থন ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন, তাই প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন