Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ইন্দোরকে দেবে টেক্কা! বর্ধমানকে গ্রিন সিটি বানাতে খোদ মন্ত্রী নামলেন পুকুরে, হাতে কোদাল নিয়ে সাফ করলেন ‘বিগত সরকারের আবর্জনা’

ইন্দোরকে দেবে টেক্কা! বর্ধমানকে গ্রিন সিটি বানাতে খোদ মন্ত্রী নামলেন পুকুরে, হাতে কোদাল নিয়ে সাফ করলেন ‘বিগত সরকারের আবর্জনা’
ছবি সংগৃহীত

বর্ধমান: এক হাতে কাদা মাখা কোদাল, অন্য হাতে ঝাঁটা—রবিবার ছুটির সকালে বর্ধমান শহরের লোকো কলোনি এলাকায় দেখা গেল এক নজিরবিহীন দৃশ্য। সাধারণ মানুষের ঘরে জল ঢোকা আটকাতে এবং শহরকে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার মতো মারণ রোগ থেকে মুক্ত করতে এবার সরাসরি মাঠে নামলেন রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নোংরা পুকুরে নিজে নেমে কোদাল হাতে আবর্জনা পরিষ্কার করে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিলেন, আগামী দিনে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের মতোই ঝাঁ-চকচকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বর্ধমান। আর এই লক্ষ্যপূরণেই বিগত সরকারের জমানার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত আবর্জনা ও গাফিলতি সাফ করতে তাঁদের কোদাল-ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে বলে তীব্র আক্রমণ শানান মন্ত্রী।


বর্ষা নামলেই বর্ধমান শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা যেভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়ে, তার জন্য পূর্বতন শাসকদের তীব্র উদাসীনতাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, বিগত প্রায় ৫০ বছর ধরে পূর্বতন সরকারগুলি রাজ্যজুড়ে কেবল নোংরা জমিয়ে রেখে গিয়েছে, যার খেসারত আজ সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে। নদী-নালা বা ঐতিহ্যবাহী বাঁকা নদের কোনও সময় ড্রেজিং বা সংস্কার করা হয়নি, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ড্রেনের নোংরা জল মানুষের শোওয়ার ঘরে ঢুকে যেত। তবে রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর ইতিমধ্যেই সেই স্থবিরতা কাটিয়ে নদী ও নালা সাফাইয়ের কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। পরিবেশ সুস্থ না থাকলে মানুষকেও সুস্থ রাখা সম্ভব নয়, আর সেই কারণেই তিনি নিজে এই সাফাই অভিযানে শামিল হয়েছেন।


এদিন আবর্জনা পরিষ্কারের কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমানকে দূষণমুক্ত ও সবুজ শহর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে একটি বর্ণাঢ্য ব়্যালিতে অংশ নেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। সেখান থেকেই তিনি সাধারণ নাগরিক এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলির উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেন। মন্ত্রী সাফ জানান, পরিবেশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়, এর জন্য সাধারণ মানুষকেও সমানভাবে সচেতন হতে হবে। মানুষ যদি সচেতনভাবে যত্রতত্র নোংরা ফেলা বন্ধ না করে, তবে ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপ রোখা কঠিন হবে। বর্ধমানকে একটি আদর্শ গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরাই তাঁদের মূল লক্ষ্য এবং আজ থেকেই সেই দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের রূপরেখা তৈরি হয়ে গেল বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

বিষয় : BengalPolitics burdwangreencity cleanlinessdrive

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


ইন্দোরকে দেবে টেক্কা! বর্ধমানকে গ্রিন সিটি বানাতে খোদ মন্ত্রী নামলেন পুকুরে, হাতে কোদাল নিয়ে সাফ করলেন ‘বিগত সরকারের আবর্জনা’

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image
বর্ধমান: এক হাতে কাদা মাখা কোদাল, অন্য হাতে ঝাঁটা—রবিবার ছুটির সকালে বর্ধমান শহরের লোকো কলোনি এলাকায় দেখা গেল এক নজিরবিহীন দৃশ্য। সাধারণ মানুষের ঘরে জল ঢোকা আটকাতে এবং শহরকে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার মতো মারণ রোগ থেকে মুক্ত করতে এবার সরাসরি মাঠে নামলেন রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নোংরা পুকুরে নিজে নেমে কোদাল হাতে আবর্জনা পরিষ্কার করে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিলেন, আগামী দিনে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের মতোই ঝাঁ-চকচকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বর্ধমান। আর এই লক্ষ্যপূরণেই বিগত সরকারের জমানার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত আবর্জনা ও গাফিলতি সাফ করতে তাঁদের কোদাল-ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে বলে তীব্র আক্রমণ শানান মন্ত্রী।বর্ষা নামলেই বর্ধমান শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা যেভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়ে, তার জন্য পূর্বতন শাসকদের তীব্র উদাসীনতাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, বিগত প্রায় ৫০ বছর ধরে পূর্বতন সরকারগুলি রাজ্যজুড়ে কেবল নোংরা জমিয়ে রেখে গিয়েছে, যার খেসারত আজ সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে। নদী-নালা বা ঐতিহ্যবাহী বাঁকা নদের কোনও সময় ড্রেজিং বা সংস্কার করা হয়নি, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ড্রেনের নোংরা জল মানুষের শোওয়ার ঘরে ঢুকে যেত। তবে রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর ইতিমধ্যেই সেই স্থবিরতা কাটিয়ে নদী ও নালা সাফাইয়ের কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। পরিবেশ সুস্থ না থাকলে মানুষকেও সুস্থ রাখা সম্ভব নয়, আর সেই কারণেই তিনি নিজে এই সাফাই অভিযানে শামিল হয়েছেন।এদিন আবর্জনা পরিষ্কারের কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমানকে দূষণমুক্ত ও সবুজ শহর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে একটি বর্ণাঢ্য ব়্যালিতে অংশ নেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। সেখান থেকেই তিনি সাধারণ নাগরিক এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলির উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেন। মন্ত্রী সাফ জানান, পরিবেশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়, এর জন্য সাধারণ মানুষকেও সমানভাবে সচেতন হতে হবে। মানুষ যদি সচেতনভাবে যত্রতত্র নোংরা ফেলা বন্ধ না করে, তবে ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপ রোখা কঠিন হবে। বর্ধমানকে একটি আদর্শ গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরাই তাঁদের মূল লক্ষ্য এবং আজ থেকেই সেই দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের রূপরেখা তৈরি হয়ে গেল বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার