Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বাংলার সরকারি স্কুলে এবার তৈরি হচ্ছে 'কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব'!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬
বাংলার সরকারি স্কুলে এবার তৈরি হচ্ছে 'কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব'!
এ আই নির্মিত ছবি

কলকাতা: রিলস বানানো বা ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি করাকে যারা এতদিন স্রেফ সময়ের অপচয় বলে মনে করতেন, তাদের ধারণা এবার আমূল বদলে যেতে চলেছে। খোদ সরকারি স্কুলেই এবার তৈরি হতে চলেছে ‘ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব’। স্কুল স্তরের পড়াশোনার গণ্ডি পার করার আগেই যাতে পড়ুয়ারা রোজগারের উপযুক্ত পথ খুঁজে নিতে পারে এবং ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে, সেই লক্ষ্যেই বেনজির এই উদ্যোগ নিতে শুরু করল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক ও কর্মমুখী প্রযুক্তিতে স্বাবলম্বী করে তোলাই এই বিশেষ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছর রাজ্যের প্রায় ১০ হাজার পড়ুয়াকে এই আধুনিক ডিজিটাল ল্যাবের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যা বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে চলেছে।


স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এই বিশেষ ল্যাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূলত অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্টস বা ভিএফএক্স (VFX), গেমিং, কমিকস এবং এক্সটেন্ডেড রিয়্যালিটির (XR) মতো অত্যন্ত লাভজনক ও আধুনিক বিষয়ের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বর্তমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে এই ক্ষেত্রগুলিতে কাজের সুযোগ আকাশছোঁয়া। স্কুল স্তর থেকেই পড়ুয়াদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো এবং ভবিষ্যতের বাজারের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতেই এই পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এই আধুনিক প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর পড়ুয়ারা আর প্রথাগত চাকরির ওপর নির্ভরশীল না থেকে নিজেদের দক্ষতায় বড় বড় সংস্থায় কাজ পেতে পারবে কিংবা ফ্রিল্যান্সিং করে স্বাবলম্বী হতে পারবে।


রাজ্য সরকারের এই দূরদর্শী প্রকল্পটিকে দ্রুত বাস্তবায়িত করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলিতে তথ্যপ্রযুক্তি এবং কম্পিউটার ল্যাবের বর্তমান পরিকাঠামো কেমন রয়েছে, সেখানে কী কী যন্ত্রপাতি আছে— সেই সমস্ত খতিয়ান সংগ্রহের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। স্কুল শিক্ষা কমিশনার এই বিষয়ে প্রতিটি জেলার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের (DI) কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সমস্ত স্কুলকে তাদের আইসিটি (ICT) এবং কম্পিউটার ল্যাব সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে। সরকারের এই যুগোপযোগী ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপের ফলে স্কুল স্তর থেকেই বাংলার পড়ুয়ারা প্রযুক্তিনির্ভর সৃজনশীল পেশায় উৎসাহিত হবে এবং রাজ্যের বেকারত্ব দূরীকরণে এটি এক বড় হাতিয়ার হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিষয় : WESTBENGALSCHOOL digitalcontentlab vfxanimationtraining youthemployment techeducation

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


বাংলার সরকারি স্কুলে এবার তৈরি হচ্ছে 'কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব'!

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রিলস বানানো বা ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি করাকে যারা এতদিন স্রেফ সময়ের অপচয় বলে মনে করতেন, তাদের ধারণা এবার আমূল বদলে যেতে চলেছে। খোদ সরকারি স্কুলেই এবার তৈরি হতে চলেছে ‘ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব’। স্কুল স্তরের পড়াশোনার গণ্ডি পার করার আগেই যাতে পড়ুয়ারা রোজগারের উপযুক্ত পথ খুঁজে নিতে পারে এবং ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে, সেই লক্ষ্যেই বেনজির এই উদ্যোগ নিতে শুরু করল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক ও কর্মমুখী প্রযুক্তিতে স্বাবলম্বী করে তোলাই এই বিশেষ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছর রাজ্যের প্রায় ১০ হাজার পড়ুয়াকে এই আধুনিক ডিজিটাল ল্যাবের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যা বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে চলেছে।স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এই বিশেষ ল্যাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূলত অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্টস বা ভিএফএক্স (VFX), গেমিং, কমিকস এবং এক্সটেন্ডেড রিয়্যালিটির (XR) মতো অত্যন্ত লাভজনক ও আধুনিক বিষয়ের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বর্তমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে এই ক্ষেত্রগুলিতে কাজের সুযোগ আকাশছোঁয়া। স্কুল স্তর থেকেই পড়ুয়াদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো এবং ভবিষ্যতের বাজারের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতেই এই পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এই আধুনিক প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর পড়ুয়ারা আর প্রথাগত চাকরির ওপর নির্ভরশীল না থেকে নিজেদের দক্ষতায় বড় বড় সংস্থায় কাজ পেতে পারবে কিংবা ফ্রিল্যান্সিং করে স্বাবলম্বী হতে পারবে।রাজ্য সরকারের এই দূরদর্শী প্রকল্পটিকে দ্রুত বাস্তবায়িত করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলিতে তথ্যপ্রযুক্তি এবং কম্পিউটার ল্যাবের বর্তমান পরিকাঠামো কেমন রয়েছে, সেখানে কী কী যন্ত্রপাতি আছে— সেই সমস্ত খতিয়ান সংগ্রহের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। স্কুল শিক্ষা কমিশনার এই বিষয়ে প্রতিটি জেলার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের (DI) কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সমস্ত স্কুলকে তাদের আইসিটি (ICT) এবং কম্পিউটার ল্যাব সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে। সরকারের এই যুগোপযোগী ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপের ফলে স্কুল স্তর থেকেই বাংলার পড়ুয়ারা প্রযুক্তিনির্ভর সৃজনশীল পেশায় উৎসাহিত হবে এবং রাজ্যের বেকারত্ব দূরীকরণে এটি এক বড় হাতিয়ার হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার