বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি কৌশিক চন্দ তাঁর অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও একমাস বাড়িয়ে দেন।
আদালতের নির্দেশ, এই সময়ের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। তবে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে। মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাব্য দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৩ জুলাই। এই মামলার সূত্রপাত ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। উপস্থিত বিধায়করা হাত তুলে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাবপত্র তখন দেওয়া হয়নি। এরপর ১৩ ও ১৪ মে তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে বিধায়কদের সই নেওয়া হয়। পরে বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম জানতে চায় বিধানসভার সচিব। সেই কারণেই ১৯ মে ফের কালীঘাটে বৈঠক ডাকা হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত বিধায়কদের সই নেওয়া হয় এবং অনুপস্থিতদের তালিকাও তৈরি করা হয়।
পরে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জন বিধায়কের সই করা একটি নথি বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নথিতে থাকা একাধিক সইয়ের সঙ্গে বিধায়কদের আগের সই মিলছিল না বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই জালিয়াতির সন্দেহে থানায় এফআইআর দায়ের করেন বিধানসভার সচিব। তদন্তভার পেয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসায় তাঁকে ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান এবং আরও ১৫ দিনের সময় চেয়ে চিঠি দেন। এরপর সিআইডির নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন