Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মস্কো থেকে হিমাচলে ঘুরতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি! পুলিশের স্ক্যানারে সঙ্গী বন্ধু ও হোমস্টের মালিক!

মস্কো থেকে হিমাচলে ঘুরতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি! পুলিশের স্ক্যানারে সঙ্গী বন্ধু ও হোমস্টের মালিক!
প্রতীকী ছবি

কাসোল: পাহাড়ের কোলে ছুটি কাটাতে এসে এক রাশিয়ান তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হিমাচল প্রদেশের কাসোলে। মৃতের নাম দারিয়া কুজনিখের (২৯)। পেশায় ডিজে ওই তরুণী মস্কোর বাসিন্দা ছিলেন। শনিবার কাসোলের একটি হোমস্টের বাথরুম থেকে তাঁর অচৈতন্য দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। ইতিমিধ্যেই হিমাচল পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং মৃতার এক সঙ্গীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নয়াদিল্লির রুশ দূতাবাসকেও গোটা বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।


জানা গিয়েছে, পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বখ্যাত কাসোলে বেশ কিছুদিন আগেই তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে এসেছিলেন দারিয়া। তাঁরা দুজনে একটি হোমস্টেতে থাকছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, শনিবার সকালে বাথরুমের ভেতর ওই তরুণীকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর বন্ধু। আতঙ্কিত হয়ে তিনি দ্রুত দারিয়াকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি পাঠানো হয়েছে এবং প্রাথমিক পরীক্ষার পর পুলিশ জানিয়েছে যে, মৃতার শরীরে কোনও বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।


তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই তদন্তের পরবর্তী মোড় নিতে চাইছে পুলিশ। যদিও প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, শারীরিক কোনও আকস্মিক অসুস্থতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবুও কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে দারিয়ার ওই বন্ধু এবং হোমস্টের মালিককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁরা কখন কাসোলে এসেছিলেন এবং সেখানে থাকাকালীন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাহাড়ের শান্ত পরিবেশে এক বিদেশি পর্যটকের এই রহস্যমৃত্যু এখন গোটা হিমাচলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

বিষয় : travelsafety kasolmystery russiantouristdeath himachalpradesh mysteryunfolds

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


মস্কো থেকে হিমাচলে ঘুরতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি! পুলিশের স্ক্যানারে সঙ্গী বন্ধু ও হোমস্টের মালিক!

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image
কাসোল: পাহাড়ের কোলে ছুটি কাটাতে এসে এক রাশিয়ান তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হিমাচল প্রদেশের কাসোলে। মৃতের নাম দারিয়া কুজনিখের (২৯)। পেশায় ডিজে ওই তরুণী মস্কোর বাসিন্দা ছিলেন। শনিবার কাসোলের একটি হোমস্টের বাথরুম থেকে তাঁর অচৈতন্য দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। ইতিমিধ্যেই হিমাচল পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং মৃতার এক সঙ্গীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নয়াদিল্লির রুশ দূতাবাসকেও গোটা বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।জানা গিয়েছে, পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বখ্যাত কাসোলে বেশ কিছুদিন আগেই তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে এসেছিলেন দারিয়া। তাঁরা দুজনে একটি হোমস্টেতে থাকছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, শনিবার সকালে বাথরুমের ভেতর ওই তরুণীকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর বন্ধু। আতঙ্কিত হয়ে তিনি দ্রুত দারিয়াকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি পাঠানো হয়েছে এবং প্রাথমিক পরীক্ষার পর পুলিশ জানিয়েছে যে, মৃতার শরীরে কোনও বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই তদন্তের পরবর্তী মোড় নিতে চাইছে পুলিশ। যদিও প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, শারীরিক কোনও আকস্মিক অসুস্থতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবুও কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে দারিয়ার ওই বন্ধু এবং হোমস্টের মালিককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁরা কখন কাসোলে এসেছিলেন এবং সেখানে থাকাকালীন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাহাড়ের শান্ত পরিবেশে এক বিদেশি পর্যটকের এই রহস্যমৃত্যু এখন গোটা হিমাচলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার