Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Abhijeet Dipke Detained: কনট প্লেসে পা রাখতেই আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Abhijeet Dipke Detained: কনট প্লেসে পা রাখতেই আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে!
দিল্লিতে আটক অভিজিৎ দীপকে। ছবি : এক্স

নয়াদিল্লি: সেন্ট্রাল পার্কের দিকে পা বাড়ানোর মুহূর্তেই পুলিশের জালে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। কনট প্লেসে পূর্বঘোষিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন এই যুব নেতা। 

উৎসবের মরশুমে রাজধানী যখন পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার কবলে, ঠিক তখনই জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ডাক দিয়ে পুলিশের সরাসরি বাধার মুখে পড়ল সিজেপি। আটকের মাত্র কয়েক মিনিট আগেও মধ্য দিল্লির অভূতপূর্ব নিরাপত্তা বলয় নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন দীপকে।

আসলে, যন্তর মন্তরে আগের একটি বিক্ষোভের জেরে দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় আদালত। তাদের আটকের প্রতিবাদে এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অধিকার দাবিতে শুক্রবার বিকেল ৫টায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জমায়েতের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। 

দীপকের স্পষ্ট বার্তা ছিল, "তিরঙ্গে ওড়ানো তো কোনও অপরাধ নয়! জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানাতে প্রয়োজনে জেলে যেতেও প্রস্তুত।" তবে দিল্লি পুলিশ এই সমাবেশের কোনও অনুমতি দেয়নি। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারার অধীনে জারি করা ১৪৪ ধারার মতো বিধিনিষেধ তুলে ধরে প্রায় ৬ হাজার পুলিশ সদস্য এবং ২৬ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করে কনট প্লেসকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সাধারণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় সেন্ট্রাল পার্ক।

অন্যদিকে, এই কর্মসূচি বন্ধের আবেদনে আইনি মোড় ঘুরলেও দিল্লি হাইকোর্ট কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস রেকর্ড করেছে আদালত। কিন্তু এই ঘনঘন বিক্ষোভ ও পুলিশের কড়াকড়িতে চরম ক্ষুব্ধ কনট প্লেস ও পালিকা বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং হকাররা। 

তাঁদের দাবি, উৎসবের মুখে এই ধরণের রাজনৈতিক কর্মসূচির জেরে হু হু করে কমছে ক্রেতাদের আনাগোনা, ফলে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ব্যবসা। যদিও এই যুক্তি খারিজ করে দীপকের পাল্টা দাবি ছিল, আন্দোলনের জন্য নয়, বরং প্রশাসনের খামখেয়ালি বন্ধ এবং বিধিনিষেধের জন্যই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শহরের ব্যবসা।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় দীপকেকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। দিল্লি পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে খোদ জাতীয় রাজধানী শহরের বুকে 'তিরঙ্গা' ওড়ানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও রাজনৈতিক সংগঠনের এই সম্মুখ সমর এখন দিল্লির রাজনীতিতে চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

বিষয় : #AbhijeetDipke #CockroachJantaParty #DelhiPolice #ConnaughtPlace #LehraDoTiranga #DelhiNews #HiddenStoriesNews #CentralParkDelhi #NationalFlagProtest #DelhiUpdates

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


Abhijeet Dipke Detained: কনট প্লেসে পা রাখতেই আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে!

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: সেন্ট্রাল পার্কের দিকে পা বাড়ানোর মুহূর্তেই পুলিশের জালে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। কনট প্লেসে পূর্বঘোষিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন এই যুব নেতা। উৎসবের মরশুমে রাজধানী যখন পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার কবলে, ঠিক তখনই জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ডাক দিয়ে পুলিশের সরাসরি বাধার মুখে পড়ল সিজেপি। আটকের মাত্র কয়েক মিনিট আগেও মধ্য দিল্লির অভূতপূর্ব নিরাপত্তা বলয় নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন দীপকে।আসলে, যন্তর মন্তরে আগের একটি বিক্ষোভের জেরে দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় আদালত। তাদের আটকের প্রতিবাদে এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অধিকার দাবিতে শুক্রবার বিকেল ৫টায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জমায়েতের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। দীপকের স্পষ্ট বার্তা ছিল, "তিরঙ্গে ওড়ানো তো কোনও অপরাধ নয়! জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানাতে প্রয়োজনে জেলে যেতেও প্রস্তুত।" তবে দিল্লি পুলিশ এই সমাবেশের কোনও অনুমতি দেয়নি। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারার অধীনে জারি করা ১৪৪ ধারার মতো বিধিনিষেধ তুলে ধরে প্রায় ৬ হাজার পুলিশ সদস্য এবং ২৬ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করে কনট প্লেসকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সাধারণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় সেন্ট্রাল পার্ক।অন্যদিকে, এই কর্মসূচি বন্ধের আবেদনে আইনি মোড় ঘুরলেও দিল্লি হাইকোর্ট কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস রেকর্ড করেছে আদালত। কিন্তু এই ঘনঘন বিক্ষোভ ও পুলিশের কড়াকড়িতে চরম ক্ষুব্ধ কনট প্লেস ও পালিকা বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং হকাররা। তাঁদের দাবি, উৎসবের মুখে এই ধরণের রাজনৈতিক কর্মসূচির জেরে হু হু করে কমছে ক্রেতাদের আনাগোনা, ফলে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ব্যবসা। যদিও এই যুক্তি খারিজ করে দীপকের পাল্টা দাবি ছিল, আন্দোলনের জন্য নয়, বরং প্রশাসনের খামখেয়ালি বন্ধ এবং বিধিনিষেধের জন্যই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শহরের ব্যবসা।পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় দীপকেকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। দিল্লি পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে খোদ জাতীয় রাজধানী শহরের বুকে 'তিরঙ্গা' ওড়ানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও রাজনৈতিক সংগঠনের এই সম্মুখ সমর এখন দিল্লির রাজনীতিতে চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত