Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Nabanna Meeting: 'দফতরে বসে কাজ করুন!' দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীকে কড়া ধমক শুভেন্দুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nabanna Meeting: 'দফতরে বসে কাজ করুন!' দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীকে কড়া ধমক শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল এবং শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

কলকাতা: রাস্তায় নেমে অতিরিক্ত সক্রিয়তা ও ক্যামেরা-রাজনীতি বন্ধ করে সোজা দফতরে বসে কাজে মন দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে আয়োজিত রাজ্য মন্ত্রিসভার হাইভোল্টেজ বৈঠকে রাজ্যের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী— নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে কার্যত কড়া ভাষায় এই 'পরামর্শ' দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মন্ত্রীদের মাঠ-ময়দানে জনসংযোগ বা অযথা নজর কাড়ার চেষ্টার বদলে নিজেদের দাপ্তরিক মূল কাজ এবং ফাইলে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের একাধিক 'পথ-তৎপরতা' ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। কখনও ফুটপাথ দখলমুক্ত করার নামে সবজি বিক্রেতা বা দুধ বিক্রেতা মহিলার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়া, কখনও মাইক হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া, আবার কখনও বাজারের ভেতর সাইকেল রাখা নিয়ে বিক্রেতাদের ধমক দেওয়ার একাধিক বিতর্কিত ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও সম্প্রতি নানা সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে কিংবা রাস্তায় নেমে সক্রিয়তা দেখাচ্ছিলেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বুধবারই বিধাননগরে নিজের 'বিধায়ক দরবারে' পড়শি রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়ার সঙ্গে প্রকাশ্যে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন শারদ্বত।

ঠিক এই সমস্ত ঘটনার পরই নবান্নের ক্যাবিনেট বৈঠকে দুই মন্ত্রীর পথ-তৎপরতা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই মন্ত্রীকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, পাবলিসিটি স্টান্ট বা রাস্তায় নেমে বিবাদে জড়ানোর বদলে নিজেদের দফতরে বসে নির্দিষ্ট পরিকল্পনাভিত্তিক কাজ করাই এখন প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

কেবল মন্ত্রীদের ক্লাস নেওয়াতেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী; নবান্নের বৈঠকে নিয়োগ ও বাজেটের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত প্রতিটি দফতরে গড় ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ বিভাগে প্রক্রিয়াধীন নিয়োগ নিয়ে আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে, আইনি জটিলতা কাটলেই কলকাতা পুলিশে ২,০০০ এবং রাজ্য পুলিশে আরও ৬,০০০ কর্মী দ্রুত নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি, বাজেট বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার না করলে আগামী বাজেটে বরাদ্দ ছেঁটে ফেলার কড়া হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।


বিষয় : BengalPolitics BengaliNews SuvenduAdhikari AGNIMITRAPAUL HiddenStoriesNews nabannameeting SaradwatMukhopadhyay BengalCabinet

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Nabanna Meeting: 'দফতরে বসে কাজ করুন!' দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীকে কড়া ধমক শুভেন্দুর

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাস্তায় নেমে অতিরিক্ত সক্রিয়তা ও ক্যামেরা-রাজনীতি বন্ধ করে সোজা দফতরে বসে কাজে মন দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে আয়োজিত রাজ্য মন্ত্রিসভার হাইভোল্টেজ বৈঠকে রাজ্যের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী— নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে কার্যত কড়া ভাষায় এই 'পরামর্শ' দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মন্ত্রীদের মাঠ-ময়দানে জনসংযোগ বা অযথা নজর কাড়ার চেষ্টার বদলে নিজেদের দাপ্তরিক মূল কাজ এবং ফাইলে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের একাধিক 'পথ-তৎপরতা' ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। কখনও ফুটপাথ দখলমুক্ত করার নামে সবজি বিক্রেতা বা দুধ বিক্রেতা মহিলার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়া, কখনও মাইক হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া, আবার কখনও বাজারের ভেতর সাইকেল রাখা নিয়ে বিক্রেতাদের ধমক দেওয়ার একাধিক বিতর্কিত ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও সম্প্রতি নানা সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে কিংবা রাস্তায় নেমে সক্রিয়তা দেখাচ্ছিলেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বুধবারই বিধাননগরে নিজের 'বিধায়ক দরবারে' পড়শি রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়ার সঙ্গে প্রকাশ্যে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন শারদ্বত।ঠিক এই সমস্ত ঘটনার পরই নবান্নের ক্যাবিনেট বৈঠকে দুই মন্ত্রীর পথ-তৎপরতা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই মন্ত্রীকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, পাবলিসিটি স্টান্ট বা রাস্তায় নেমে বিবাদে জড়ানোর বদলে নিজেদের দফতরে বসে নির্দিষ্ট পরিকল্পনাভিত্তিক কাজ করাই এখন প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।কেবল মন্ত্রীদের ক্লাস নেওয়াতেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী; নবান্নের বৈঠকে নিয়োগ ও বাজেটের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত প্রতিটি দফতরে গড় ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ বিভাগে প্রক্রিয়াধীন নিয়োগ নিয়ে আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে, আইনি জটিলতা কাটলেই কলকাতা পুলিশে ২,০০০ এবং রাজ্য পুলিশে আরও ৬,০০০ কর্মী দ্রুত নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি, বাজেট বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার না করলে আগামী বাজেটে বরাদ্দ ছেঁটে ফেলার কড়া হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত