Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সরকারি অফিসে ‘স্মার্ট’ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা! চলতি মাসেই ৪৪ হাজার দফতরে বসছে প্রিপেড মিটার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
সরকারি অফিসে ‘স্মার্ট’ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা! চলতি মাসেই ৪৪ হাজার দফতরে বসছে প্রিপেড মিটার
এ আই নির্মিত ছবি

কলকাতাঃ সরকারি অফিসে বিদ্যুতের বিল মেটানোর পুরনো ব্যবস্থায় এবার আসছে বদল। সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্যের প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি অফিসে চালু হতে চলেছে প্রিপেড স্মার্ট মিটার। ইতিমধ্যেই ওই অফিসগুলিতে মিটার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার লক্ষ্য আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এই মিটারগুলির কাজ সম্পূর্ণ ভাবে শুরু করা হবে।

সরকারি অফিসগুলিতে বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় প্রায় ৪৪ হাজার অফিসে স্মার্ট মিটার চালু হলেও সরকারের লক্ষ্য আরও বড়। রাজ্যে সরকারি অফিস ও দফতরের সংখ্যা প্রায় ৯০ হাজারের কাছাকাছি। ধাপে ধাপে সমস্ত সরকারি অফিসকেই প্রিপেড স্মার্ট মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মোবাইল নম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পোর্টালে নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে। সেই নম্বরে বিদ্যুতের বকেয়া, বিল জমা দেওয়ার শেষ তারিখ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হবে। 

নবান্ন সূত্রে খবর, প্রিপেড মিটারে বিলিং শুরু হওয়ার আগে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার তরফে শেষ একটি পোস্টপেড বিল দেওয়া হবে। বিল তৈরির তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেই টাকা জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিল না মেটালে পরবর্তী সময়ে সেই বকেয়া অর্থ সমন্বয় করে নেওয়া হবে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে ‘রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম’ বা আরডিএসএস চালু করেছে সরকার। এই প্রকল্পে সরকারি অফিসে প্রিপেড স্মার্ট মিটার বসানো বাধ্যতামূলক। 

বিষয় : smart meter prepid meter governmnt office wbsedcl electric bill digital india

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


সরকারি অফিসে ‘স্মার্ট’ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা! চলতি মাসেই ৪৪ হাজার দফতরে বসছে প্রিপেড মিটার

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ সরকারি অফিসে বিদ্যুতের বিল মেটানোর পুরনো ব্যবস্থায় এবার আসছে বদল। সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্যের প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি অফিসে চালু হতে চলেছে প্রিপেড স্মার্ট মিটার। ইতিমধ্যেই ওই অফিসগুলিতে মিটার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার লক্ষ্য আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এই মিটারগুলির কাজ সম্পূর্ণ ভাবে শুরু করা হবে।সরকারি অফিসগুলিতে বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় প্রায় ৪৪ হাজার অফিসে স্মার্ট মিটার চালু হলেও সরকারের লক্ষ্য আরও বড়। রাজ্যে সরকারি অফিস ও দফতরের সংখ্যা প্রায় ৯০ হাজারের কাছাকাছি। ধাপে ধাপে সমস্ত সরকারি অফিসকেই প্রিপেড স্মার্ট মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মোবাইল নম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পোর্টালে নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে। সেই নম্বরে বিদ্যুতের বকেয়া, বিল জমা দেওয়ার শেষ তারিখ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হবে। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রিপেড মিটারে বিলিং শুরু হওয়ার আগে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার তরফে শেষ একটি পোস্টপেড বিল দেওয়া হবে। বিল তৈরির তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেই টাকা জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিল না মেটালে পরবর্তী সময়ে সেই বকেয়া অর্থ সমন্বয় করে নেওয়া হবে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে ‘রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম’ বা আরডিএসএস চালু করেছে সরকার। এই প্রকল্পে সরকারি অফিসে প্রিপেড স্মার্ট মিটার বসানো বাধ্যতামূলক। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত