সুন্দরবনে সাময়িকভাবে পর্যটন পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক কারণে আগামী ১৭ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত পর্যটন সংক্রান্ত সমস্ত কার্যকলাপে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি, ১৬ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত সুন্দরবনের জঙ্গল এলাকাতেও পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, এই সময়ের মধ্যে সুন্দরবন থেকে প্রায় ৫০০টি জলযান কলকাতার বাবুঘাট সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। ১৯ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ওই জলযানগুলি সেখানে রাখা হবে বলেও জানা গিয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট কয়েকদিন সুন্দরবনে জঙ্গল সাফারি, নৌবিহার-সহ সমস্ত পর্যটন কার্যকলাপ কার্যত বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞার জেরে নতুন করে কোনও বোট বুকিং, হোটেল বুকিং কিংবা পর্যটন কেন্দ্রের টিকিট ইস্যু করা হবে না। সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভের অনলাইন বুকিং পরিষেবাও আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
ভারতে নিষিদ্ধ টেলিগ্রাম! পরীক্ষা বাঁচাতে মোদী সরকারের বড় ডিজিটাল স্ট্রাইক
এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলে। বর্ষার মরশুমে সাধারণত পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। ঠিক সেই সময়েই পর্যটন বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন হোটেল মালিক, লঞ্চ মালিক ও ট্যুর অপারেটররা। তাঁদের একাংশের দাবি, আগে থেকে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে জানানো হলে বুকিং সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অনেকটাই এড়ানো যেত।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বোট ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। সেখানে গোসাবা ব্লক প্রশাসন, পুলিশ এবং সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বলেই জানা গিয়েছে। তবে এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব আগামী কয়েকদিন সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পে স্পষ্টভাবেই পড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন